১৩ আগস্ট, ১৯৫০ তারিখে নিউ সাউথ ওয়েলসের অবার্ন এলাকায় জন্মগ্রহণকারী ক্রিকেটার। কার্যকর অল-রাউন্ডার হিসেবে সুনাম কুড়ান। ডানহাতে ব্যাটিং করতেন। এছাড়াও, মিডিয়াম-পেস কিংবা অফ স্পিন বোলিংয়ে পারদর্শী ছিলেন। অস্ট্রেলিয়ার পক্ষে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে অংশ নিয়েছেন।
মূলতঃ মাঝারিসারির ব্যাটসম্যান ছিলেন। ১৯৭৫-৭৬ মৌসুম থেকে ১৯৮১-৮২ মৌসুম পর্যন্ত সময়কালে প্রথম-শ্রেণীর খেলোয়াড়ী জীবন চলমান রাখেন। ঘরোয়া আসরের প্রথম-শ্রেণীর অস্ট্রেলীয় ক্রিকেটে নিউ সাউথ ওয়েলসের প্রতিনিধিত্ব করেছেন।
১৯৮০ থেকে ১৯৮১ সাল পর্যন্ত অস্ট্রেলিয়ার পক্ষে তিনটিমাত্র টেস্ট ও দুইটিমাত্র ওডিআইয়ে অংশগ্রহণ করেছিলেন। শেফিল্ড শীল্ডে দারুণ খেলার স্বীকৃতিস্বরূপ ১৯৭৯-৮০ মৌসুমে পাকিস্তান গমনার্থে গ্রেগ চ্যাপেলের নেতৃত্বাধীন অজি দলের সদস্যরূপে ঠাঁই পান। সিরিজের সবকটি টেস্টেই তাঁর অংশগ্রহণ ছিল। সব মিলিয়ে একটিমাত্র উইকেটের সন্ধান পান ও ১১৪ রান সংগ্রহ করেছিলেন। কেবলমাত্র লাহোর টেস্টেই নিজেকে স্মরণীয় করে রেখেছিলেন।
২৭ ফেব্রুয়ারি, ১৯৮০ তারিখে করাচীতে অনুষ্ঠিত স্বাগতিক পাকিস্তানের বিপক্ষে সিরিজের প্রথম টেস্টে তাঁর অভিষেক পর্ব সম্পন্ন হয়। ৯ ও ৪ রান সংগ্রহ করেছিলেন। এছাড়াও, ০/৩৯ ও ০/১৪ বোলিং বিশ্লেষণ দাঁড় করান। তবে, স্বাগতিকরা খেলায় ৭ উইকেটে জয় পেয়ে তিন-টেস্ট নিয়ে গড়া সিরিজে এগিয়ে যায়।
এরপর, ৬ মার্চ, ১৯৮০ তারিখে ফয়সালাবাদে অনুষ্ঠিত সিরিজের দ্বিতীয় টেস্টে অংশ নেন। খেলায় তিনি দলের একমাত্র ইনিংসে ১৩ রান সংগ্রহ করেছিলেন। এছাড়াও, ০/১৩ বোলিং বিশ্লেষণ দাঁড় করান। খেলাটি ড্রয়ের দিকে গড়ালে পূর্বেকার টেস্টে পরাজয়ের কারণে সফরকারীরা সিরিজে পিছিয়ে পড়ে।
একই সফরের ১৮ মার্চ, ১৯৮০ তারিখে লাহোরে অনুষ্ঠিত সিরিজের তৃতীয় ও চূড়ান্ত টেস্টে ৩৯ ও ৪৯ রান তুলেছিলেন। এছাড়াও, বল হাতে নিয়ে ১/২৬ বোলিং বিশ্লেষণ দাঁড় করান। খেলাটি ড্রয়ের দিকে গড়ালেও সফরকারীরা ১-০ ব্যবধানে সিরিজ খোঁয়ায়। পরবর্তীকালে, এটিই তাঁর সর্বশেষ টেস্টে পরিণত হয়।
১৯৮১ সালে বিস্ময়করভাবে ইংল্যান্ড সফরের জন্যে মনোনীত হন। খুব কমই নিজেকে মেলে ধরেছিলেন। ১৯৮২ সালে খেলার জগৎ থেকে অবসর গ্রহণ করেন ও অস্ট্রেলিয়ান ওয়ার্কার্স ইউনিয়নে যুক্ত থেকে চাকুরীতে মনোনিবেশ ঘটান।
