১২ ফেব্রুয়ারি, ১৯৭২ তারিখে কলম্বোয় জন্মগ্রহণকারী ক্রিকেটার ও কোচ। মূলতঃ ব্যাটসম্যান হিসেবে দলে ভূমিকা রেখেছিলেন। ডানহাতে ব্যাটিংয়ের পাশাপাশি ডানহাতে অফ-ব্রেক বোলিংয়ে পারদর্শী ছিলেন। ১৯৯০-এর দশকে শ্রীলঙ্কার পক্ষে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে অংশ নিয়েছেন।
১৯৯১-৯২ মৌসুম থেকে ২০০৩-০৪ মৌসুম পর্যন্ত সময়কালে প্রথম-শ্রেণীর খেলোয়াড়ী জীবন চলমান রাখেন। ঘরোয়া আসরের প্রথম-শ্রেণীর শ্রীলঙ্কান ক্রিকেটে কোল্টস ক্রিকেট ক্লাবের প্রতিনিধিত্ব করেছেন। দৃঢ়চিত্তের অধিকারী উদ্বোধনী ব্যাটসম্যান ছিলেন। চণ্ডীকা হাথুরুসিংহা’র পরিবর্তে খেলার জন্যে দলে অন্তর্ভুক্ত হন। তবে, সীমিত সুযোগ পেয়ে নিজেকে মেলে ধরতে পারেননি।
১৯৯৩ থেকে ১৯৯৫ সময়কালে শ্রীলঙ্কার পক্ষে সাতটিমাত্র টেস্ট ও পাঁচটিমাত্র ওডিআইয়ে অংশগ্রহণের সুযোগ পেয়েছিলেন। ৩ নভেম্বর, ১৯৯৩ তারিখে শারজায় ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে ওডিআইয়ে অংশ নেয়ার মাধ্যমে আন্তর্জাতিক ক্রিকেট অঙ্গনে প্রবেশ করেন।
১৯৯৩-৯৪ মৌসুমে নিজ দেশে রিচি রিচার্ডসনের নেতৃত্বাধীন ক্যারিবীয় দলের মুখোমুখি হন। দলটির বিপক্ষে শ্রীলঙ্কার উদ্বোধনী টেস্টে অংশ নেয়ার সুযোগ পেয়েছিলেন। ৮ ডিসেম্বর, ১৯৯৩ তারিখে মোরাতুয়ায় অনুষ্ঠিত সফররত ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে সিরিজের একমাত্র টেস্টে তাঁর অভিষেক পর্ব সম্পন্ন হয়। খেলায় ১৬ ও ৫ রান সংগ্রহ করেন। খেলাটি ড্রয়ের দিকে গড়ায়।
পরবর্তীতে, ভারতের বিপক্ষে তিন-টেস্ট নিয়ে গড়া সিরিজে অংশ নেন। তবে, ছয় ইনিংসের কোনটিকেই পঞ্চাশের কোটা স্পর্শ করাতে পারেননি। ১৯৯৪-৯৫ মৌসুমে অর্জুনা রানাতুঙ্গা’র নেতৃত্বাধীন শ্রীলঙ্কান দলের সদস্যরূপে প্রথমবারের মতো নিউজিল্যান্ড গমন করেন। ১১ মার্চ, ১৯৯৫ তারিখে নেপিয়ারে অনুষ্ঠিত স্বাগতিক নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে সিরিজের উদ্বোধনী টেস্টে অংশ নেন। ১৩ ও ৬ রান করে সংগ্রহ করেছিলেন। এছাড়াও, একটি ক্যাচ তালুবন্দী করেছিলেন। তবে, চামিণ্ডা ভাসের অসাধারণ অল-রাউন্ড ক্রীড়াশৈলীর কল্যাণে নিউজিল্যান্ড দল ঐ টেস্টে ২৪১ রানে পরাজিত হলে সিরিজে পরাজয়বরণ করে। স্মর্তব্য যে, বিদেশের মাটিতে এটিই শ্রীলঙ্কার প্রথম টেস্ট জয় ছিল।
এরপর, একই সফরের ১৮ মার্চ, ১৯৯৫ তারিখে ডুনেডিনে সিরিজের দ্বিতীয় ও চূড়ান্ত টেস্টে অংশ নেন। ৩৩ ও ৫ রান সংগ্রহ করেন। তবে, চামিণ্ডা ভাসের অসাধারণ অল-রাউন্ড ক্রীড়া নৈপুণ্যে খেলাটি ড্রয়ের দিকে গড়ালে সফরকারীরা ১-০ ব্যবধানে সিরিজ জয় করে নেয়। পরবর্তীতে, এটিই তাঁর সর্বশেষ টেস্টে পরিণত হয়।
২০০০ সালে এসএসসিতে অনুষ্ঠিত প্রিমিয়ার লিমিটেড ওভার টুর্নামেন্টের চূড়ান্ত খেলায় ৮১ রানের অপরাজিত ইনিংস খেলে কোল্টস সিসিকে রক্ষা করেন। ঘরোয়া আসরের ক্রিকেটে খাঁটিমানের ব্যাটসম্যান ছিলেন। তবে, শ্রীলঙ্কা দলের পক্ষে তা যথেষ্ট ছিল না। উদ্বোধনী বোলারদের মোকাবেলা করার পর প্রয়োজনীয় স্ট্রোকপ্লে মারতে পারেননি। পূর্ণাঙ্গ সুযোগ নিতে ব্যর্থ হন। অংশগ্রহণকৃত ১৪ টেস্ট ইনিংসে কোন অর্ধ-শতক হাঁকাতে পারেননি।
