১২ জুলাই, ১৯৩৫ তারিখে ট্রান্সভালের র‍্যান্ডফন্তেইন এলাকায় জন্মগ্রহণকারী ক্রিকেটার ছিলেন। মূলতঃ মাঝারিসারির ব্যাটসম্যান হিসেবে দলে ভূমিকা রেখেছেন। ডানহাতে ব্যাটিং করতেন। এছাড়াও, ডানহাতে মিডিয়াম বোলিংয়ে পারদর্শী ছিলেন। ১৯৫০-এর দশকে দক্ষিণ আফ্রিকার পক্ষে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে অংশ নিয়েছিলেন।

ঘরোয়া আসরের প্রথম-শ্রেণীর দক্ষিণ আফ্রিকান ক্রিকেটে ফ্রি ফরেস্টার্স ও নাটালের প্রতিনিধিত্ব করেছেন। এছাড়াও, নাটাল ‘বি’ ও কাউন্টি ডিস্ট্রিক্টসের অধিনায়কের দায়িত্ব পালন করেছেন। ১৯৫৫ থেকে ১৯৬৫-৬৬ মৌসুম পর্যন্ত সময়কালে প্রথম-শ্রেণীর খেলোয়াড়ী জীবন অতিবাহিত করেছেন। তন্মধ্যে, নাটালের পক্ষে এক দশক খেলে ৪৮টি প্রথম-শ্রেণীর খেলায় অংশ নিয়েছিলেন। তবে, সফররত অস্ট্রেলিয়া দলের বিপক্ষে খেলার জন্যে মনোনীত হবার ঘটনাই তাঁর শ্রেষ্ঠ মুহূর্ত ছিল।

১৯৫৮ সালে দক্ষিণ আফ্রিকার পক্ষে দুইটিমাত্র টেস্টে অংশ নেয়ার সুযোগ পেয়েছিলেন। উভয় টেস্টই অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে খেলেছিলেন। ১৯৫৭-৫৮ মৌসুমে নিজ দেশে ইয়ান ক্রেগের নেতৃত্বাধীন অজি দলের মুখোমুখি হন। সিরিজের শেষ দুই টেস্টে ডিক ওয়েস্টকটের স্থলাভিষিক্ত হয়েছিলেন। ৭ ফেব্রুয়ারি, ১৯৫৮ তারিখে জোহানেসবার্গে অনুষ্ঠিত সিরিজের চতুর্থ টেস্টে তাঁর অভিষেক পর্ব সম্পন্ন হয়। ঐ টেস্টে ২১ ও ১ রান সংগ্রহসহ একটি ক্যাচ তালুবন্দী করেন। উভয় ইনিংসে লিন্ডসে ক্লাইনের শিকারে পরিণত হয়েছিলেন। স্বাগতিকরা ১০ উইকেটে পরাজয়বরণ করলে পাঁচ-টেস্ট নিয়ে গড়া সিরিজে ২-০ ব্যবধানে পিছিয়ে পড়ে।

এরপর, ২৮ ফেব্রুয়ারি, ১৯৫৮ তারিখে জিকিবার্হায় অনুষ্ঠিত সফররত অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে সিরিজের পঞ্চম ও চূড়ান্ত টেস্টে অংশ নেন। ব্যক্তিগত সাফল্যের ছাঁপ রাখেন। দ্বিতীয় ইনিংসে ব্যক্তিগত পূর্বতন সর্বোচ্চ ২১ রান অতিক্রম করেন। খেলায় তিনি ৩ ও ৩৭* রান সংগ্রহ করেন। সফরকারীরা ৮ উইকেটে জয় পেলে ৩-০ ব্যবধানে সিরিজে বিজয়ী হয়। পরবর্তীতে, এটিই তাঁর সর্বশেষ টেস্ট খেলেন।

৫ জুন, ২০১৪ তারিখে কোয়াজুলু-নাটালের হোউইক এলাকায় ৭৮ বছর ৩২৮ দিন বয়সে তাঁর দেহাবসান ঘটে।

সম্পৃক্ত পোস্ট