১৯ ডিসেম্বর, ১৯৬২ তারিখে কলম্বোয় জন্মগ্রহণকারী ক্রিকেটার ও প্রশাসক। মূলতঃ ব্যাটসম্যান হিসেবে দলে ভূমিকা রেখেছিলেন। বামহাতে ব্যাটিং করতেন। এছাড়াও, ডানহাতে মিডিয়াম বোলিংয়ে পারদর্শী ছিলেন। ১৯৯০-এর দশকে শ্রীলঙ্কার পক্ষে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে অংশ নিয়েছেন।
দূর্দান্ত স্ট্রোক খেলতেন। ১৯৮২-৮৩ মৌসুম থেকে ১৯৯৩-৯৪ মৌসুম থেকে প্রথম-শ্রেণীর খেলোয়াড়ী জীবন চলমান রাখেন। ঘরোয়া আসরের প্রথম-শ্রেণীর শ্রীলঙ্কান ক্রিকেটে কলম্বো ক্রিকেট ক্লাবের প্রতিনিধিত্ব করেছেন।
১৯৯০ থেকে ১৯৯১ সময়কালে শ্রীলঙ্কার পক্ষে তিনটিমাত্র টেস্ট ও সাতটিমাত্র ওডিআইয়ে অংশগ্রহণের সুযোগ পেয়েছিলেন। সবগুলো টেস্টই নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে খেলেছিলেন। ২১ ডিসেম্বর, ১৯৯০ তারিখে শারজায় পাকিস্তানের বিপক্ষে ওডিআইয়ে অংশ নেয়ার মাধ্যমে আন্তর্জাতিক ক্রিকেট অঙ্গনে প্রবেশ করেন।
১৯৯০-৯১ মৌসুমে অর্জুনা রানাতুঙ্গা’র নেতৃত্বাধীন শ্রীলঙ্কান দলের সাথে নিউজিল্যান্ড গমন করেন। ৩১ জানুয়ারি, ১৯৯১ তারিখে ওয়েলিংটনে অনুষ্ঠিত স্বাগতিক নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে সিরিজের উদ্বোধনী টেস্টে তাঁর অভিষেক পর্ব সম্পন্ন হয়। একবার ব্যাটিংয়ের সুযোগ পেয়ে শূন্য রানে উইলি ওয়াটসনের বলে বিদেয় নেন। এছাড়াও, একটি ক্যাচ তালুবন্দী করেছিলেন। তবে, মার্টিন ক্রো’র অনবদ্য ব্যাটিং দৃঢ়তায় খেলাটি ড্রয়ের দিকে গড়ালে তিন-টেস্ট নিয়ে গড়া সিরিজটি অমিমাংসিত অবস্থায় অগ্রসর হতে থাকে।
হ্যামিল্টনে সিরিজের দ্বিতীয় টেস্টে ব্যক্তিগত সর্বোচ্চ ৬৪ রান তুলেন। এ পর্যায়ে প্রথম উইকেটে চণ্ডীকা হাথুরুসিংহা’র সাথে ৯৫ রানের জুটি গড়েন। তবে, রোশন মহানামা ও চণ্ডিকা হাথুরুসিংহে’র খাঁটিমানের উদ্বোধনী জুটি গড়ার ফলে এ সফর শেষে তাঁকে আর এ অবস্থানের উপযোগী হিসেবে গণনায় আনা হয়নি। এ সফরে উদ্বোধনী ব্যাটসম্যান হিসেবে নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করার অপূর্ব সুযোগ পেয়েছিলেন। এ পর্যায়ে নতুন বলে তাঁর প্রতিরক্ষামূলক ব্যাটিং প্রশ্নবিদ্ধ হয়। ফলশ্রুতিতে, নিউজিল্যান্ডীয় উইকেটে কিছুটা নিচেরসারিতেই তাঁকে অধিক মানানসইরূপে বিবেচিত করা হয়।
একই সফরের ৬ ফেব্রুয়ারি, ১৯৯১ তারিখে ডুনেডিনে সর্বশেষ ওডিআইয়ে অংশ নেন। এরপর, ১ মার্চ, ১৯৯১ তারিখে অকল্যান্ডে অনুষ্ঠিত সিরিজের তৃতীয় ও চূড়ান্ত টেস্টে অংশ নেন। খেলায় তিনি ২০ ও ৮ রান সংগ্রহ করে উভয় ইনিংসে ক্রিস কেয়ার্নসের শিকারে পরিণত হয়েছিলেন। অরবিন্দ ডি সিলভা’র অসাধারণ ব্যাটিং দৃঢ়তায় খেলাটি ড্রয়ের দিকে গড়ালে সিরিজটি ফলাফলবিহীন অবস্থায় শেষ হয়। পরবর্তীতে, এটিই তাঁর সর্বশেষ টেস্টে পরিণত হয়।
অংশগ্রহণকৃত একদিনের আন্তর্জাতিকগুলোয়ও নিজেকে উপস্থাপন করতে ব্যর্থ হয়েছেন। বেশ সহজভাবে রান তোলার ক্ষেত্র থাকা সত্ত্বেও মানসিকভাবে তা অর্জন করতে পারেননি। ক্রিকেট থেকে অবসর গ্রহণের পর প্রশাসনের দিকে ঝুঁকে পড়েন। ২০১৩ সালে শ্রীলঙ্কা দলের ব্যবস্থাপকের ভূমিকায় অবতীর্ণ হয়েছিলেন।
