২১ মার্চ, ১৯৬৬ তারিখে ল্যাঙ্কাশায়ারের ওল্ডহাম এলাকায় জন্মগ্রহণকারী ক্রিকেটার ও কোচ। মূলতঃ উইকেট-রক্ষক হিসেবে খেলতেন। এছাড়াও, ডানহাতে কার্যকরী ব্যাটিংয়ের পাশাপাশি ডানহাতে মিডিয়াম বোলিংয়ে পারদর্শীতা দেখিয়েছেন। ইংল্যান্ডের পক্ষে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে অংশগ্রহণ করেছেন।
১৯৮৫ থেকে ২০০৫ সাল পর্যন্ত প্রথম-শ্রেণীর ক্রিকেট জীবন চলমান রাখেন। ঘরোয়া আসরের প্রথম-শ্রেণীর ইংরেজ কাউন্টি ক্রিকেটে গ্ল্যামারগন এবং নিউজিল্যান্ডীয় ক্রিকেটে নর্দার্ন ডিস্ট্রিক্টস ও ওতাগোর প্রতিনিধিত্ব করেছেন। গ্ল্যামারগনের তারকা খেলোয়াড়ের মর্যাদা পেয়েছিলেন।
১৯৮৮ থেকে ২০০০ সময়কালে সব মিলিয়ে ইংল্যান্ডের পক্ষে মাত্র চার টেস্ট ও ১৪টি ওডিআইয়ে অংশ নিয়েছেন। ১৯৮৮ সালে নিজ দেশে ভিভ রিচার্ডসের নেতৃত্বাধীন ক্যারিবীয় দলের মুখোমুখি হন। ৪ আগস্ট, ১৯৮৮ তারিখে লন্ডনের ওভালে অনুষ্ঠিত সফররত ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে সিরিজের পঞ্চম ও চূড়ান্ত টেস্ট খেলেন। রব বেইলি’র সাথে তাঁর একযোগে টেস্ট অভিষেক পর্ব সম্পন্ন হয়। তবে, মোটেই সুবিধের স্বাক্ষর রাখতে পারেননি। ৩ ও ১০ রান সংগ্রহ করেছিলেন। এরফলে, শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে পরবর্তী সিরিজে বাদ পড়েন। জেফ ডুজনের অল-রাউন্ড ক্রীড়াশৈলীতে স্বাগতিকরা ৮ উইকেটে পরাভূত হলে ৪-০ ব্যবধানে সিরিজ খোঁয়ায়।
১৯৯৩ সালে এজবাস্টনে অ্যাশেজ সিরিজের পঞ্চম টেস্টে অংশ নেন। প্রথম দিনের সকালে ৩:৫০ ঘটিকায় কন্যা সন্তানের জনক হন। তবে, শূন্য রানে বিদেয় নিয়েছিলেন। ওভালে সিরিজের ষষ্ঠ টেস্ট খেলেন। ২০ ও ৯ রান তুলেন। শেন ওয়ার্নের বলে বোল্ড হন। তবে, ঐ খেলায় স্বাগতিকরা জয়লাভ করেছিল।
১৯৯৩-৯৪ মৌসুমে দলের সাথে ক্যারিবীয় দ্বীপপুঞ্জ সফরে যান। ১৬ ফেব্রুয়ারি, ১৯৯৪ তারিখে ব্রিজটাউনে অনুষ্ঠিত স্বাগতিক ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে প্রথমবারের মতো ওডিআইয়ে অংশ নেন। একই সফরে ১৯ ফেব্রুয়ারি, ১৯৯৪ তারিখে কিংস্টনে অনুষ্ঠিত সিরিজের প্রথম ও নিজস্ব সর্বশেষ টেস্ট খেলেন। ৩৫ ও ০ রান করেছিলেন। তন্মধ্যে, প্রথম ইনিংসে সংগৃহীত রানটিই তাঁর সর্বোচ্চ সংগ্রহে পরিণত হয়। সফরের মাঝামাঝি সময়ে প্রথমবারের মতো বাড়ী ফেরার তাগাদা অনুভব করেন। পরবর্তীতে, এটিই তাঁর সর্বশেষ টেস্টে অংশগ্রহণ ছিল।
ঘরোয়া আসরের ক্রিকেটে যথেষ্ট সফলতার স্বাক্ষর রাখলেও আন্তর্জাতিক পর্যায়ে তা তুলে ধরতে পারেননি। গ্ল্যামারগনের সাথে ঠিকই নিয়মিতভাবে খেলছিলেন।
ক্রিকেট জগৎ থেকে অবসর গ্রহণের পর কোচিংয়ের দিকে ধাবিত হন। সমারসেটের কোচের দায়িত্ব পালন করেন। ২৭ সেপ্টেম্বর, ২০১৭ তারিখে মৌসুমের শেষ খেলার পর ক্লাব ত্যাগের ইচ্ছে পোষণ করেন। ৭ নভেম্বর, ২০১৯ তারিখে গ্ল্যামারগনের পূর্ণাঙ্গকালীন প্রধান কোচ হিসেবে তাঁকে মনোনীত করা হয়। এর পূর্বে ১২ নভেম্বর, ২০১৮ তারিখে রবার্ট ক্রফ্টের পদত্যাগের ফলে গ্ল্যামারগনের অন্তর্বর্তীকালীন কোচ হিসেবে নিযুক্ত করা হয়েছিল। এ পর্যায়ে দলকে চতুর্থ বিভাগ থেকে দ্বিতীয় বিভাগে উত্তরণ ঘটান।
ব্যক্তিগত জীবনে বিবাহিত। টিএল মেনার্ড নামীয় সন্তানের জনক।
