২২ আগস্ট, ১৯৮০ তারিখে পানাদুরা এলাকায় জন্মগ্রহণকারী ক্রিকেটার। মূলতঃ কার্যকর অল-রাউন্ডার হিসেবে খেলছেন। ডানহাতে ব্যাটিংয়ের পাশাপাশি ডানহাতে ফাস্ট-মিডিয়াম বোলিংয়ে পারদর্শী। ২০০০-এর দশকে শ্রীলঙ্কার পক্ষে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে অংশ নিয়েছেন।
ছোটখাটো ও মজবুত গড়নের অধিকারী। বলে প্রাণবন্তঃ পেস আনয়ণ করে থাকেন। দর্শনীয়ভাবে বলকে বাঁক খাওয়াতে পারেন। পানাদোরাভিত্তিক সেন্ট জোন্স কলেজে অধ্যয়ন করেছেন। ১৯৯৯-২০০০ মৌসুম থেকে ২০১৭-১৮ মৌসুম পর্যন্ত সময়কালে প্রথম-শ্রেণীর খেলোয়াড়ী জীবন চলমান রাখেন। ঘরোয়া আসরের প্রথম-শ্রেণীর শ্রীলঙ্কান ক্রিকেটে ব্লুমফিল্ড ক্রিকেট ও অ্যাথলেটিক ক্লাব, কলম্বো ক্রিকেট ক্লাব, পানাদুরা স্পোর্টস ক্লাব এবং সেবাস্টিয়ানিটিস ক্রিকেট ও অ্যাথলেটিক ক্লাবের প্রতিনিধিত্ব করেছেন।
২০০১ থেকে ২০০৩ সময়কালে শ্রীলঙ্কার পক্ষে সর্বমোট ৯ টেস্ট ও ১৭টি ওডিআইয়ে অংশ নিয়েছিলেন। ২৬ অক্টোবর, ২০০১ তারিখে শারজায় জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে ওডিআইয়ে অংশ নেয়ার মাধ্যমে আন্তর্জাতিক ক্রিকেট অঙ্গনে প্রবেশ করেন। বেশ প্রভাব ফেলেছিলেন। দুইটি নো-বল করার পর প্রথম বৈধ বোলিংয়ে উইকেট পান। পরবর্তীতে আরও চার উইকেট লাভ করেন। খেলায় তিনি ৫/৬৭ বোলিং পরিসংখ্যান গড়েন। এরফলে, ওডিআইয়ে দ্বিতীয় শ্রীলঙ্কান ও বৈশ্বিক পর্যায়ে চতুর্থ সেরা বোলার হিসেবে এ পরিসংখ্যান গড়ে কৃতিত্বের স্বাক্ষর রাখেন।
২০০১-০২ মৌসুমে নিজ দেশে কার্ল হুপারের নেতৃত্বাধীন ক্যারিবীয় দলের মুখোমুখি হন। ১৩ নভেম্বর, ২০০১ তারিখে গলেতে অনুষ্ঠিত সফররত ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে সিরিজের উদ্বোধনী টেস্টে তাঁর অভিষেক পর্ব সম্পন্ন হয়। ০/৮০ ও ০/১০ বোলিং বিশ্লেষণ দাঁড় করান। তবে, মুত্তিয়া মুরালিধরনের অসাধারণ বোলিংশৈলীর কল্যাণে স্বাগতিকরা ১০ উইকেটে জয় পেলে তিন-টেস্ট নিয়ে গড়া সিরিজে এগিয়ে যায়।
এরপর ২০০২ সালে ইংল্যান্ড গমনার্থে টেস্ট দলে নিজের স্থান নিশ্চিত করেন। কিন্তু, নয় টেস্ট শেষে ৪৪ গড়ে ১৮ উইকেট লাভ ও ১৭টি ওডিআইয়ে অংশগ্রহণের পর ধারাবাহিকতাহীন খেলা উপস্থাপনার কারণে বাদ পড়েন।
২০০২ সালে নিজ দেশে খালেদ মাসুদের নেতৃত্বাধীন বাংলাদেশী দলের মুখোমুখি হন। ২৮ জুলাই, ২০০২ তারিখে কলম্বোর এসএসসিতে অনুষ্ঠিত সফররত বাংলাদেশের বিপক্ষে সিরিজের দ্বিতীয় ও চূড়ান্ত টেস্টে অংশ নেন। ২৯* রান সংগ্রহ করেছিলেন। এছাড়াও, ২/৩৬ ও ০/১২ বোলিং বিশ্লেষণ দাঁড় করান। মাইকেল ভ্যানডর্টের অসাধারণ ব্যাটিংয়ের কল্যাণে স্বাগতিকরা ২৮৮ রানে জয় পেলে ২-০ ব্যবধানে সিরিজ জয় করে নেয়। পরবর্তীতে, এটিই তাঁর সর্বশেষ টেস্টে পরিণত হয়।
তবে, এরপর থেকেই দল নির্বাচকমণ্ডলীর নজরে ছিলেন। নিচেরসারিতে কার্যকর অল-রাউন্ডার হিসেবে নিজ নামের পার্শ্বে চারটি প্রথম-শ্রেণীর অর্ধ-শতরানের ইনিংস খেলেছেন।
