১৩ মে, ১৯৫২ তারিখে ব্রিটিশ গায়ানার অ্যালবিওন এলাকায় জন্মগ্রহণকারী ক্রিকেটার ও কোচ। মূলতঃ মাঝারিসারির ব্যাটসম্যান হিসেবে দলে ভূমিকা রেখেছিলেন। ডানহাতে ব্যাটিং করতেন। এছাড়াও, কার্যকর স্লো লেফট-আর্ম অর্থোডক্স বোলিংয়ে পারদর্শীতা দেখিয়েছেন। ১৯৭০-এর দশকে ওয়েস্ট ইন্ডিজের পক্ষে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে অংশ নিয়েছিলেন।

ঘরোয়া আসরের প্রথম-শ্রেণীর ওয়েস্ট ইন্ডিয়ান ক্রিকেটে গায়ানার প্রতিনিধিত্ব করেছেন। ১৯৭০-৭১ মৌসুম থেকে ১৯৮০-৮১ মৌসুম পর্যন্ত সময়কালে প্রথম-শ্রেণীর খেলোয়াড়ী জীবন অতিবাহিত করেছেন। গায়ানা দলের অন্যতম তারকা খেলোয়াড়ের মর্যাদা পেয়েছিলেন।

১৯৭৮ থেকে ১৯৭৯ সাল পর্যন্ত ওয়েস্ট ইন্ডিজের পক্ষে আটটিমাত্র টেস্ট ও একটিমাত্র ওডিআইয়ে অংশগ্রহণের সুযোগ পেয়েছিলেন। টেস্টগুলো থেকে ২৯.১৫ গড়ে ৩৭৯ রান সংগ্রহ করেছিলেন। ক্যারি প্যাকারের ব্যবস্থাপনায় বিশ্ব সিরিজ ক্রিকেটে দলের অধিকাংশ সদস্য চলে গেলে ১৯৭৮-৭৯ মৌসুমে নিজ দেশে বব সিম্পসনের নেতৃত্বাধীন দূর্বলতর অজি দলের মুখোমুখি হন। ২৫ বছর বয়সে ৩১ মার্চ, ১৯৭৮ তারিখে জর্জটাউনে অনুষ্ঠিত সিরিজের তৃতীয় টেস্টে সফররত অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে অংশ নেন। ব্যাসিল উইলিয়ামস, আলভিন গ্রীনিজ, ডেভিড মারে ও সিলভেস্টার ক্লার্কের সাথে তাঁর একযোগে টেস্ট অভিষেক পর্ব সম্পন্ন হয়। শুরুটা বেশ দারুণ খেলেছিলেন। উভয় ইনিংসে অর্ধ-শতরানের ইনিংস খেলেছিলেন। এরফলে, অ্যালবিওন প্রথম খেলোয়াড় হিসেবে টেস্ট ক্রিকেটে অংশগ্রহণের গৌরব অর্জন করেন। খেলায় তিনি ৫৩ ও ৬৩ রান সংগ্রহ করেছিলেন। এছাড়াও, বল হাতে নিয়ে ০/৩৮ বোলিং বিশ্লেষণ দাঁড় করান। তাঁর দল ৩ উইকেটে পরাজিত হলেও স্বাগতিকরা পাঁচ-টেস্ট নিয়ে গড়া সিরিজে ২-১ ব্যবধানে এগিয়ে থাকে। একই সফরের ১২ এপ্রিল, ১৯৭৮ তারিখে কাস্ট্রিজে তাঁর ওডিআই অভিষেক হয়।

১৯৭৮-৭৯ মৌসুমে আলভিন কালীচরণের নেতৃত্বাধীন ক্যারিবীয় দলের সদস্যরূপে ভারত গমন করেন। ২ ফেব্রুয়ারি, ১৯৭৯ তারিখে কানপুরে অনুষ্ঠিত স্বাগতিক ভারতের বিপক্ষে সিরিজের ষষ্ঠ ও চূড়ান্ত টেস্ট খেলেন। খেলায় তিনি দলের একমাত্র ইনিংসে ২ রান সংগ্রহ করেছিলেন। খেলাটি ড্রয়ের দিকে গড়ালে সফরকারীরা ১-০ ব্যবধানে সিরিজ খোঁয়ায়। পরবর্তীকালে, এটিই তাঁর সর্বশেষ টেস্টে পরিণত হয়।

আন্তর্জাতিক ক্রিকেট থেকে প্রত্যাখ্যাত হলেও ১৯৮১ সাল পর্যন্ত গায়ানার পক্ষে খেলা চলমান রাখেন। এরপর, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে অভিবাসিত হন। প্রায় ১০ বছর মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের পক্ষে খেলেন। ক্রিকেট খেলা থেকে অবসর গ্রহণের পর কোচিং জগতের দিকে ধাবিত হন।

১৪ সেপ্টেম্বর, ২০১২ তারিখে ছয়জন ক্রিকেটারের অন্যতম হিসেবে বারবাইস ক্রিকেট বোর্ড হল অব ফেমে তাঁকে অন্তর্ভুক্ত করা হয়।

সম্পৃক্ত পোস্ট