১৯ ডিসেম্বর, ১৯৫৫ তারিখে কলম্বোয় জন্মগ্রহণকারী ক্রিকেটার। মূলতঃ ব্যাটসম্যান হিসেবে খেলেছেন। ডানহাতে ব্যাটিং করতেন। ১৯৮০-এর দশকে শ্রীলঙ্কার পক্ষে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে অংশ নিয়েছেন।
১৯৮২-৮৩ মৌসুম থেকে ১৯৮৯-৯০ মৌসুম পর্যন্ত প্রথম-শ্রেণীর ক্রিকেটে অংশ নিয়েছেন। ঘরোয়া পর্যায়ের প্রথম-শ্রেণীর শ্রীলঙ্কান ক্রিকেটে শ্রীলঙ্কা এয়ার ফোর্স স্পোর্টস ক্লাবে খেলতেন। ক্লাবটির পক্ষে ১৯৮৮-৮৯ মৌসুম থেকে ১৯৮৯-৯০ মৌসুম পর্যন্ত অবস্থান করেন।
১৯৮২ থেকে ১৯৮৪ সময়কালে শ্রীলঙ্কার পক্ষে পাঁচটিমাত্র টেস্ট ও সাতটিমাত্র ওডিআইয়ে অংশ নিয়েছেন। ১৯৮২-৮৩ মৌসুমে সোমাচন্দ্র ডি সিলভা’র নেতৃত্বাধীন শ্রীলঙ্কান দলের সাথে নিউজিল্যান্ড সফর করেন। ৪ মার্চ, ১৯৮৩ তারিখে ক্রাইস্টচার্চে অনুষ্ঠিত স্বাগতিক নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে সিরিজের উদ্বোধনী টেস্টে অংশ নেন। মিত্র ওয়েতিমুনি, গাই ডি অলউইস, রুমেশ রত্নায়েকে, শ্রীধরন জগন্নাথন, বিনোদন জন ও যোহন গুণাসেকেরা’র সাথে তাঁর একযোগে টেস্ট অভিষেক পর্ব সম্পন্ন হয়। ০ ও ৪৬ রান সংগ্রহ করেছিলেন। তবে, ওয়ারেন লিসের অসামান্য অল-রাউন্ড ক্রীড়াশৈলীর কল্যাণে স্বাগতিকরা ইনিংস ও ২৫ রানে জয় পেয়ে দুই-টেস্ট নিয়ে গড়া সিরিজে এগিয়ে যায়।
টেস্ট অভিষেকের দুই দিন পূর্বে ২ মার্চ, ১৯৮৩ তারিখে ডুনেডিনে একই দলের বিপক্ষে ওডিআইয়ে অভিষেক পর্ব সম্পন্ন করেন।
১৯৮৩-৮৪ মৌসুমে নিজ দেশে জিওফ হাওয়ার্থের নেতৃত্বাধীন কিউই দলের মুখোমুখি হন। ১৬ মার্চ, ১৯৮৪ তারিখে কলম্বো এসএসসিতে সফরকারী নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে সিরিজের দ্বিতীয় টেস্টে অংশ নেন। ৮ ও ০ রান সংগ্রহ করেছিলেন। খেলাটি ড্রয়ের দিকে গড়ালেও তিন-টেস্ট নিয়ে গড়া সিরিজে স্বাগতিকরা এগিয়ে যায়। পরবর্তীতে, এটিই তাঁর সর্বশেষ টেস্টে পরিণত হয়।
