|

মার্টিন হ্যানলি

১০ নভেম্বর, ১৯১৮ তারিখে কেপ প্রভিন্সের আলীওয়াল নর্থ এলাকায় জন্মগ্রহণকারী ক্রিকেটার ছিলেন। মূলতঃ বোলার হিসেবে দলে ভূমিকা রেখেছিলেন। ডানহাতে অফ-ব্রেক বোলিং করতেন। এছাড়াও, ডানহাতে নিচেরসারিতে ব্যাটিংয়ে নামতেন। ১৯৪০-এর দশকে দক্ষিণ আফ্রিকার পক্ষে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে অংশ নিয়েছেন।

ঘরোয়া আসরের প্রথম-শ্রেণীর দক্ষিণ আফ্রিকান ক্রিকেটে বর্ডার ও ওয়েস্টার্ন প্রভিন্সের প্রতিনিধিত্ব করেছেন। ১৯৩৯-৪০ মৌসুম থেকে ১৯৫৩-৫৪ মৌসুম পর্যন্ত সময়কালে প্রথম-শ্রেণীর খেলোয়াড়ী জীবন অতিবাহিত করেছেন। দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের আগে-পিছে ওয়েস্টার্ন প্রভিন্সের অন্যতম তারকা খেলোয়াড়ের মর্যাদা পেয়েছিলেন। অভিষেক মৌসুমে ইস্টার্ন প্রভিন্স ও নর্থ ইস্টার্ন ট্রান্সভালের বিপক্ষে যথাক্রমে ১১ ও ১২ উইকেট দখল করেছিলেন।

১৯৫২-৫৩ মৌসুমে নিজস্ব স্বর্ণালী সময় অতিবাহিত করেন। ২১ বছরের মধ্যে ওয়েস্টার্ন প্রভিন্সের কারি কাপের প্রথম শিরোপা বিজয়ে অপূর্ব ভূমিকা রাখেন। ঐ মৌসুমে ৪৯ উইকেট দখল করেন। নিজ শহরের নিউল্যান্ডস মাঠে অ্যাথল রোয়ানের চেয়েও বলকে বেশ বাঁক খাওয়াতে পারতেন।

১৯৪৯ সালে দক্ষিণ আফ্রিকার পক্ষে একটিমাত্র টেস্টে অংশগ্রহণের সুযোগ পেয়েছিলেন। ১৯৪৮-৪৯ মৌসুমে জর্জ মানের নেতৃত্বাধীন এমসিসি দলের মুখোমুখি হন। ১ জানুয়ারি, ১৯৪৯ তারিখে কেপটাউনে অনুষ্ঠিত সফররত ইংল্যান্ডের বিপক্ষে সিরিজের তৃতীয় টেস্টে তাঁর অভিষেক পর্ব সম্পন্ন হয়। খেলায় তিনি বল হাতে নিয়ে ১/৫৭ ও ০/৩১ বোলিং বিশ্লেষণ দাঁড় করান। এছাড়াও, একবার ব্যাটিংয়ে নেমে শূন্য রানে রান-আউটে বিদেয় নিয়েছিলেন। খেলাটি ড্রয়ের দিকে গড়ালেও পাঁচ-টেস্ট নিয়ে গড়া সিরিজে ১-০ ব্যবধানে এগিয়ে থাকে। পরবর্তীকালে, এটিই তাঁর সর্বশেষ টেস্টে পরিণত হয়।

ব্যক্তিগত জীবনে বিবাহিত ছিলেন। তাঁর তিন পুত্র সন্তান ছিল। ২ জুন, ২০০০ তারিখে কেপ প্রভিন্সের বিশপকোর্ট এলাকায় নিজ গৃহে আকস্মিকভাবে হৃদস্পন্দন থেমে গেলে ৮১ বছর ২০৫ দিন বয়সে তাঁর দেহাবসান ঘটে। মৃত্যুর কিছুদিন পূর্ব থেকে স্মরণশক্তি কমে যায়।

সম্পৃক্ত পোস্ট