|

ব্রাইটন ওয়াতাম্বা

৯ জুন, ১৯৭৭ তারিখে সলসবারিতে জন্মগ্রহণকারী পেশাদার ক্রিকেটার। মূলতঃ বোলার হিসেবে দলে ভূমিকা রেখে গেছেন। ডানহাতে ফাস্ট-মিডিয়াম বোলিং করতেন। এছাড়াও, ডানহাতে নিচেরসারিতে ব্যাটিংয়ে নামতেন। ২০০০-এর দশকে জিম্বাবুয়ের পক্ষে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে অংশ নিয়েছেন।

জিম্বাবুয়ের অন্যতম কৃষ্ণাঙ্গ তরুণ পেস বোলার হিসেবে আবির্ভুত হয়েছিলেন। ২০০১-০২ মৌসুমে টেস্ট দলে যুক্ত হবার পর ক্রমাগত উত্তরণ ঘটাতে সচেষ্ট ছিলেন। মূলতঃ দীর্ঘদেহী ও লিকলিকে গড়নের ফাস্ট বোলার হিসেবে খেলেছেন। ক্ষীপ্রময়তা ও প্রতিশ্রুতিশীলতার স্বাক্ষর বহন করেছেন। বলে বেশ ভালোমানের পেস আনয়ণে দক্ষতার স্বাক্ষর রাখেন। প্রায়শঃই শীর্ষসারির ব্যাটসম্যানদের কাছে সমীহের পাত্রে পরিণত হয়েছিলেন।

অন্যান্য উদীয়মান কৃষ্ণাঙ্গ খেলোয়াড়ের ন্যায় তাঁর পরিবারেও ক্রিকেটের প্রতি আসক্তি ছিল না। প্রাথমিক বিদ্যালয়ে থাকাকালীন আগ্রহ সৃষ্টি হয়। টেস্ট খেলোয়াড় অ্যালিস্টার ক্যাম্পবেলের পিতা ও প্রধানশিক্ষক ইয়ান ক্যাম্পবেলের নেতৃত্বে হারারের পশ্চিমাংশে স্বল্প দূরত্বে অবস্থিত লিলফোর্ডিয়া প্রাইমারি স্কুলে খেলা দেখে উৎসাহী হন। তৃতীয় গ্রেডে থাকাকালীন খেলতে শুরু করেন। বিদ্যালয় জীবনের শুরুতে বোলারের তুলনায় ব্যাটসম্যান হিসেবেই পরিচিতি পান। তবে, এ সময়ে অবশ্য নিয়মিতভাবে দ্রুতগতিতে বোলিং করতে পারতেন।

ক্লাব ক্রিকেটে অংশ নেয়ার পূর্বে সীমিত-ওভারের খেলার বাঁধাধরা নিয়ম ও উদীয়মান খেলোয়াড়দেরকে প্রায়শঃই মাঝারিসারিতে নিচেরদিকে খেলানোর প্রবণতায় খুব কম সময়ই ব্যাটিংয়ের সুযোগ পেতেন। ফলশ্রুতিতে, বোলিংয়ের উপর অধিক মনোনিবেশ ঘটাতে থাকেন। লিলফোর্ডিয়ায় তিন বছর বিদ্যালয়ের কোল্টস দলে খেলেন ও পরবর্তী দুই বছর বড়দের সাথে ছিলেন। পঞ্চম গ্রেডে থাকাকালীন ব্যক্তিগত সর্বোচ্চ অর্ধ-শতরান সংগ্রহ করেন। এক খেলায় খুব সহজেই নয় উইকেট দখল করেছিলেন। জাতীয় পর্যায়ের প্রাথমিক বিদ্যালয় দলের পক্ষে খেলার সুযোগ পান ও পূর্ববর্তী বছরের দলের বিপক্ষে খেলেন।

‘বাল্ব’, ‘স্পাইকি’ কিংবা ‘স্লিম’ ডাকনামে ভূষিত হয়েছিলেন। ১৯৯৭-৯৮ মৌসুম থেকে ২০০১-০২ মৌসুম পর্যন্ত সময়কালে প্রথম-শ্রেণীর খেলোয়াড়ী জীবন চলমান রাখেন। ঘরোয়া আসরের প্রথম-শ্রেণীর জিম্বাবুয়ীয় ক্রিকেটে ম্যাশোনাল্যান্ড ‘এ’ ও ম্যাশোনাল্যান্ডের প্রতিনিধিত্ব করেছেন। তন্মধ্যে, ১৯৯৭-৯৮ মৌসুমে ম্যাশোনাল্যান্ড ‘এ’ ও ১৯৯৯-২০০০ মৌসুম থেকে ম্যাশোনাল্যান্ডের পক্ষে খেলেছেন। এছাড়াও, হারারে স্পোর্টস ক্লাবের সদস্য ছিলেন। ২৮ আগস্ট, ১৯৯৭ তারিখে হারারে সাউথ কান্ট্রি ক্লাবে অনুষ্ঠিত ম্যাশোনাল্যান্ড ‘এ’ বনাম ম্যাশোনাল্যান্ডের মধ্যকার খেলায় অংশ নেয়ার মাধ্যমে প্রথম-শ্রেণীর খেলোয়াড়ী জীবনের সূত্রপাত ঘটান।

১৯৯৬ সালে হারারেভিত্তিক সেন্ট জোন্স কলেজ থেকে বিদ্যালয় জীবন শেষ করেন। ম্যাশোনাল্যান্ডের পক্ষে অনূর্ধ্ব-১৯ পর্যায়ের ক্রিকেটে অংশ নেন ও জাতীয় পর্যায়ে বয়সভিত্তিক দলে ঠাঁই পান। মূলতঃ উদ্বোধনী ব্যাটসম্যান হিসেবে মাঠে নামতেন। বেশ কয়েকটি অর্ধ-শতক হাঁকান ও ত্রিশের গড়ে রান পেয়েছিলেন। এছাড়াও ভালোমানের বোলিং করার সুবাদে বিদ্যালয়ের বর্ষসেরা অল-রাউন্ডারের পুরস্কার লাভ করেন। এছাড়াও, ঐ বছর নিজ দেশে অনুষ্ঠিত আফ্রিকার জোন সিক্স ক্রিকেট প্রতিযোগিতায় অংশ নেন।

ফ্যালকনে শেষ দুই বছরে বুলাওয়ে অ্যাথলেটিক ক্লাবের পক্ষে খেলেন। তবে, উল্লেখ করার মতো তেমন ক্রীড়াশৈলী প্রদর্শন করেননি। কিন্তু, সেন্ট জোন্সে চলে যাবার পর হারারে স্পোর্টস ক্লাবে যোগ দেন। তাৎক্ষণিক ফলাফল এনে দেন। কিছু সুন্দর ক্রীড়া নৈপুণ্যের স্বাক্ষর রাখেন। এমনকি একটি খেলায় অর্ধ-শতরান পেয়েছিলেন। এরপর থেকে ক্লাবের সাথে চিরবন্ধন গড়ে তুলেন। দুই বছরের মধ্যে ছয়-উইকেট লাভ করেছেন।

সেন্ট জোন্স ত্যাগ করার পর এক বছর বিরতি নিয়ে ১৯৯৭ সালে চিগুতুর ব্রাইডেন স্কুলে প্রশিক্ষণ নেন। এছাড়াও, লোগান কাপে ম্যাশোনাল্যান্ড ‘এ’ দলের পক্ষে অভিষেক ঘটে। পরের বছর দক্ষিণ আফ্রিকার রোডস বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি হন। অনেক ক্রিকেট খেলায় অংশ নেন। বিশ্ববিদ্যালয়ের সপ্তাহে যৌথভাবে সর্বোচ্চ উইকেট-শিকারীর স্বীকৃতিস্বরূপ দক্ষিণ আফ্রিকার বিশ্ববিদ্যালয় দলের সদস্য হিসেবে অন্তর্ভুক্তিতে সর্বাধিক আনন্দদায়ক মুহূর্ত অতিবাহিত করেন। প্রথম বর্ষে বাণিজ্যে স্নাতক শ্রেণীতে ছিলেন। তবে, ক্রিকেটে মনোনিবেশ ঘটানোয় পড়াশুনো ছেড়ে দেন। পিতা-মাতা ঐ বছরেই বিশ্ববিদ্যালয়ে ফেরৎ পাঠাতে উদ্যত হলে জেডসিইউ চুক্তিতে আসে ও পরিবার থেকে বাঁধা দূর হয়ে যায়। এছাড়াও, বিশ্ববিদ্যালয় পর্যায়ে ফুটবল খেলায় অংশ নিতেন। বিদ্যালয়ে অধ্যয়নকালীন হকি খেলতেন। সর্বোপরী সকল ধরনের বলক্রীড়ার সাথে জড়িত ছিলেন। রাগবি খেলেছেন ও পরবর্তী ছোট বল হিসেবে ক্রিকেটের দিকে ধাবিত হন। সাঁতার পছন্দ করেন না। টেনিস ও স্কোয়াশ খেলেছেন। শখ হিসেবে পড়াশুনো, চলচ্চিত্র, সঙ্গীত পছন্দ করেন।

১৯৯৯ সালে জিম্বাবুয়ে প্রত্যাবর্তন করেন। ডেনিস লিলি’র তত্ত্বাবধানে চেন্নাইভিত্তিক এমআরএফ পেস ফাউন্ডেশনে ভর্তি হন। সফররত ইংল্যান্ড ‘এ’ দলের বিপক্ষে খেলেন। অল্প কিছুদিন পরই ইউসিবিএসএ বোল প্রতিযোগিতায় বোর্ড একাদশের পক্ষে খেলার জন্যে মনোনীত হন। খেলাগুলোয় অংশ নিয়ে প্রকৃত প্রভাব ফেলেছিলেন। নিয়মিতভাবে দলে খেলতেন ও ২০০০-০১ মৌসুমে স্বর্ণালী সময় অতিবাহিত করেন। এর পূর্বের মৌসুমে হারারে সাউথে বেশ ভালো খেলেন। তবে, নর্দার্নসের বিপক্ষে সেরা বোলিং করলেও মাত্র তিন উইকেট পান। এ পর্যায়ে কেবলমাত্র আঘাত থেকে আরোগ্য লাভ করে দূরত্ব কমিয়ে ফেলেন ও বোলিং ভঙ্গীমায় অল্প পরিবর্তন আনেন। কয়েক বছর পূর্বে জিম্বাবুয়ে অবস্থানকালে প্রথমে রবিন জ্যাকম্যান, পরবর্তীতে চেন্নাইয়ে ডেনিস লিলি ও অপর কোচ শ্রীলঙ্কান তারকা বোলার রুমেশ রত্নায়েকে’র পরামর্শক্রমে এ পরিবর্তন ঘটান। ২০০০-০১ মৌসুমে জিম্বাবুয়ে ‘এ’ দলের সদস্যরূপে শ্রীলঙ্কা সফরে এর প্রয়োগ ঘটান।

২০০০ সালে ইংল্যান্ডের হার্টফোর্ডশায়ারে অবস্থান করেন। ল্যাংবারি ক্লাবের পক্ষে খেলেন। দুইবার পাঁচ-উইকেট নিয়ে ক্লাবের সর্বোচ্চ উইকেট শিকারীতে পরিণত হন। এ পর্যায়ে আঘাতে জর্জড়িত হন। অধিকাংশ সময়ই কুঁচকি ও উরুর মাংসপেশীর টানে ভুগেন। পাশাপাশি, জিম্বাবুয়ে ক্রিকেট ইউনিয়নের পূর্ণাঙ্গকালীন পেশাদার ক্রিকেটার হন।

২০০১ থেকে ২০০২ সময়কালে জিম্বাবুয়ের পক্ষে ছয়টিমাত্র টেস্টে অংশগ্রহণের সুযোগ পেয়েছিলেন। ২০০০-০১ মৌসুমে নিজ দেশে নাইমুর রহমানের নেতৃত্বাধীন বাংলাদেশী দলের বিপক্ষে টেস্ট খেলার জন্যে মনোনীত হন। হেনরি ওলোঙ্গা’র স্থলাভিষিক্ত হন। ১৯ এপ্রিল, ২০০১ তারিখে বুলাওয়েতে অনুষ্ঠিত সফররত বাংলাদেশের বিপক্ষে সিরিজের প্রথম টেস্টে অ্যান্ডি ব্লিগনট ও ডিওন ইব্রাহীমের সাথে তাঁর একযোগে অভিষেক হয়। শুরুতে বেশ কম্পমান অবস্থায় বোলিং করেন। তবে, স্লিপ অঞ্চলে প্রতিপক্ষীয় অধিনায়ককে কট আউটে বিদেয় করে নিজস্ব প্রথম উইকেটের সন্ধান পান। ১/৩৮ ও ২/৪৪ বোলিং বিশ্লেষণ দাঁড় করান। এছাড়াও, ৪ রানের অপরাজিত ইনিংস খেলেছিলেন। ঐ খেলায় তাঁর দল ইনিংস ও ৩২ রানে জয় পেয়েছিল। দুই টেস্ট থেকে নয় উইকেট দখল করেন।

এছাড়াও, জুন, ২০০১ সালে ভারতের বিপক্ষে প্রথম টেস্টে আরও তিনটি উইকেট পাবার ফলে দৃশ্যতঃ টেস্ট দলে পাকাপোক্ত আসন গড়েন। এরপর, ব্যক্তিগত দূর্দশার কবলে পড়েন। হারারে স্পোর্টস ক্লাবে ভারতের বিপক্ষে সিরিজের দ্বিতীয় টেস্টে ঠিকই গুরুত্বপূর্ণ উইকেট পান। কিন্তু, মাংসপেশীতে টান পড়লে মাঠ ত্যাগ করতে হয় ও ঐ মৌসুম শেষ হয়ে যায়। নতুন মৌসুমকে ঘিরে পুরোদমে সুস্থতা আনয়ণে প্রয়াস চালান। কিন্তু হাঁটুসহ ডান পায়ের উরুতে টান পড়ে।

অবশেষে অক্টোবরে ক্লাব ক্রিকেটে ফিরে আসেন। দল নির্বাচকমণ্ডলী টেস্ট ক্রিকেটে অন্তর্ভুক্তির লক্ষ্যে দ্রুততার সাথে বোর্ড একাদশে যুক্ত করে। পরবর্তী ফেব্রুয়ারিতে ভারত সফরে তাঁকে রাখা হয়। তবে, বোলিং অনুপযোগী পিচে খুব কমই সফল হন। ২৮ ফেব্রুয়ারি, ২০০২ তারিখে দিল্লিতে অনুষ্ঠিত স্বাগতিক ভারতের বিপক্ষে সিরিজের দ্বিতীয় টেস্টে অংশ নেন। ০/৪৭ বোলিং বিশ্লেষণ দাঁড় করান। ঐ টেস্টে স্বাগতিক দল ৪ উইকেটে জয় পায় ও দুই-টেস্ট নিয়ে গড়া সিরিজে ২-০ ব্যবধানে জয়লাভ করে। পরবর্তীতে, এটিই তাঁর সর্বশেষ টেস্টে পরিণত হয়।

এরপর, নামিবিয়ায় অনুষ্ঠিত ত্রি-দেশীয় প্রতিযোগিতায় জিম্বাবুয়ে ‘এ’ দলের সদস্যরূপে গমন করেন। এ পর্যায়ে ক্ষাণিকটা পিচ থেকে সহায়তা পান। লোগান কাপ প্রতিযোগিতায় স্বল্প কয়েকটি উইকেট দখল করেন। তবে, ঐ মৌসুম শেষ হবার পূর্ব-পর্যন্ত নিজের সুস্থতা ধরে রেখেছিলেন। এরপর থেকে দীর্ঘদিন শারীরিক সক্ষমতা নিয়ে খেলেন।

ফিল্ডিংকালে কভার অঞ্চলে অবস্থান করতেই অধিক পছন্দ করেন। তবে, সীমানা এলাকাতেই সচরাচর তাঁকে দেখা যায়। ডেনিস লিলি, কোর্টনি ওয়ালশকার্টলি অ্যামব্রোসকে পছন্দের তালিকার শীর্ষে রেখেছেন। এছাড়াও, ক্রিকেট বিশ্বের অন্যতম দ্রুতগতিসম্পন্ন বোলার শোয়েব আখতারব্রেট লি’র ভক্ত। অ্যান্ডি ফ্লাওয়ারমার্ক ভার্মুলেনকে শক্ত প্রতিপক্ষ হিসেবে বিবেচনায় আনেন।

এক পর্যায়ে তাঁর ব্যাটিংয়ের অবস্থান অনির্ধারিত ছিল। পরবর্তীতে, সচরাচর এগারো নম্বরে ব্যাট হাতে নামতেন। যে-কোন স্তরের ক্রিকেটে ব্যক্তিগত সর্বোচ্চ ৮৯ রান সংগ্রহ করেছেন। শীতকালীন ক্রিকেটে কান্ট্রি ডিস্ট্রিক্টসের খেলায় সেলোসের সদস্যরূপে চিগুতুর বিপক্ষে এ সাফল্য পান। দুইবার ইনিংসে আট উইকেট পেয়েছেন। তবে, বিদ্যালয়ের ক্রিকেটে সংগৃহীত নয়-উইকেটের সাথে আর যুক্ত হতে পারেননি।

টেস্টগুলোয় অংশ নিয়ে সংশ্লিষ্টদের কাছে নিজেকে চিত্রিত করেন ও জিম্বাবুয়ের অন্যতম উদীয়মান তারকা হিসেবে বিবেচিত হন। কিন্তু, মাঠের বাইরে থেকে ক্রমবর্ধমান রাজনীতিকরণের প্রতিবাদে কর্তৃপক্ষের সাথে বিবাদে জড়িয়ে পড়েন। পুণরায় চুক্তির জন্যে আমন্ত্রিত হন। কিন্তু বিশ্বাসঘাতকতার শামিল বিবেচনায় এনে তা প্রত্যাখ্যান করেন।

২০০২ সালে জিম্বাবুয়ে থেকে চলে যান ও মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে গমন করেন। মিয়ামি বিশ্ববিদ্যালয়ের সাথে যুক্ত হন। ফ্লোরিডায় ক্রিকেট খেলা চালিয়ে যেতে থাকেন। চার বছর অবস্থানের শর্ত প্রতিপালনপূর্বক মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র দলের পক্ষে খেলার জন্যে উন্মুখ ছিলেন।

Similar Posts

  • | |

    ক্লাইভ ফন রাইনেভেল্ড

    ১৯ মার্চ, ১৯২৮ তারিখে কেপ প্রভিন্সের সেন্ট জেমস এলাকায় জন্মগ্রহণকারী ক্রিকেটার ছিলেন। মূলতঃ ব্যাটসম্যান হিসেবে দলে ভূমিকা রেখে গেছেন। ডানহাতে ব্যাটিং করতেন। এছাড়াও, লেগ-ব্রেক গুগলি বোলিংয়ে পারদর্শীতা দেখিয়েছেন। ১৯৫০-এর দশকে দক্ষিণ আফ্রিকার পক্ষে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে অংশ নিয়েছিলেন। এছাড়াও, দক্ষিণ আফ্রিকা দলের অধিনায়কের দায়িত্ব পালন করেছেন। দীর্ঘকায় গড়নের অধিকারী ছিলেন। কেপটাউনের ডিওসিসান কলেজে অধ্যয়ন করেন। দ্বিতীয়…

  • |

    ওয়েন পার্নেল

    ৩০ জুলাই, ১৯৮৯ তারিখে কেপ প্রভিন্সের পোর্ট এলিজাবেথে জন্মগ্রহণকারী ক্রিকেটার। মূলতঃ বোলার হিসেবে দলে ভূমিকা রাখছেন। বামহাতে মিডিয়াম-ফাস্ট বোলিং করতেন। এছাড়াও, বামহাতে নিচেরসারিতে ব্যাটিংয়ে নামতেন। দক্ষিণ আফ্রিকার পক্ষে সকল স্তরের আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে অংশ নিয়েছিলেন। ৬ ফুট ২ ইঞ্চি (১.৮৮ মিটার) উচ্চতার অধিকারী। ‘পিজিয়ন’ কিংবা ‘পার্নি’ ডাকনামে ভূষিত ওয়েন পারনেল গ্রে হাই স্কুলে অধ্যয়ন করেছেন। ১২…

  • |

    রন হামেন্স

    ২৫ নভেম্বর, ১৯১৫ তারিখে সাউথ অস্ট্রেলিয়ার হিন্ডমার্শ এলাকায় জন্মগ্রহণকারী ক্রিকেটার ছিলেন। মূলতঃ ব্যাটসম্যান হিসেবে দলে ভূমিকা রাখতেন। ডানহাতে ব্যাটিংয়ের পাশাপাশি ডানহাতে মিডিয়াম বোলিংয়ে পারদর্শী ছিলেন। ১৯৪০-এর দশকে অস্ট্রেলিয়ার পক্ষে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে অংশ নিয়েছিলেন। ছাত্রাবস্থাতেই তাঁর মাঝে ক্রিকেটারের গুণাবলী লক্ষ্য করা যায়। জানুয়ারি, ১৯৩১ সালে অ্যাডিলেডে এ-স্তরের ক্রিকেটে অংশ নেন। এরফলে, ১৫ বছর ৬৭ দিন বয়সে…

  • |

    ফিশ মার্কহাম

    ১২ সেপ্টেম্বর, ১৯২৪ তারিখে সোয়াজিল্যান্ডের এমবাবানে এলাকায় জন্মগ্রহণকারী ক্রিকেটার ছিলেন। মূলতঃ বোলার হিসেবে দলে ভূমিকা রেখে গেছেন। লেগ-ব্রেক বোলিং করতেন। এছাড়াও, ডানহাতে নিচেরসারিতে কার্যকর ব্যাটিংশৈলী প্রদর্শন করেছেন। ১৯৪০-এর দশকে দক্ষিণ আফ্রিকার পক্ষে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে অংশ নিয়েছিলেন। ‘ফিশ’ ডাকনামে ভূষিত হয়েছিলেন। ঘরোয়া আসরের প্রথম-শ্রেণীর দক্ষিণ আফ্রিকান ক্রিকেটে নাটালের প্রতিনিধিত্ব করেছেন। ১৯৪৬-৪৭ মৌসুম থেকে ১৯৫০-৫১ মৌসুম পর্যন্ত…

  • | |

    হেনরি উড

    ১৪ ডিসেম্বর, ১৮৫৩ তারিখে কেন্টের ডার্টফোর্ড এলাকায় জন্মগ্রহণকারী বিখ্যাত ক্রিকেটার ও আম্পায়ার ছিলেন। মূলতঃ উইকেট-রক্ষক হিসেবে খেলতেন। এছাড়াও, ডানহাতে ব্যাটিংয়ের পাশাপাশি ডানহাতে ফাস্ট বোলিং করতে পারতেন। ইংল্যান্ডের পক্ষে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে অংশ নিয়েছেন। ঘরোয়া আসরের প্রথম-শ্রেণীর ইংরেজ কাউন্টি ক্রিকেটে কেন্ট ও সারে দলের প্রতিনিধিত্ব করেছেন। ১৮৭৬ থেকে ১৯০০ সময়কালে প্রথম-শ্রেণীর খেলোয়াড়ী জীবন অতিবাহিত করেছেন। তন্মধ্যে, সারে…

  • | | |

    বব উইলিস

    ৩০ মে, ১৯৪৯ তারিখে কো ডারহামের সান্ডারল্যান্ড এলাকায় জন্মগ্রহণকারী ক্রিকেটার ও ধারাভাষ্যকার ছিলেন। মূলতঃ বোলার হিসেবে দলে ভূমিকা রেখেছিলেন। ডানহাতে ফাস্ট বোলিংয়ের পাশাপাশি ডানহাতে নিচেরসারিতে ব্যাটিংয়ে নামতেন। ইংল্যান্ড দলের অধিনায়কের দায়িত্ব পালন করেছেন। জন্মসনদে তাঁকে রবার্ট জর্জ উইলিস নামে পরিচিতি ঘটানো হয়েছেন। ‘গুস’, ‘ডাইল্যান’, ‘হ্যারল্ড’ কিংবা ‘সোর্ডফিশ’ ডাকনামে ভূষিত বব উইলিস ৬ ফুট ৬ ইঞ্চি…