২২ অক্টোবর, ১৯৭৩ তারিখে অকল্যান্ডে জন্মগ্রহণকারী ক্রিকেটার। মূলতঃ ব্যাটসম্যান হিসেবে দলে ভূমিকা রেখেছিলেন। ডানহাতে ব্যাটিং করতেন। ২০০০-এর দশকে নিউজিল্যান্ডের পক্ষে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে অংশ নিয়েছেন।
ঘরোয়া পর্যায়ের ক্রিকেটেই অধিক সফলতার স্বাক্ষর রেখেছেন। ঘরোয়া আসরের নিউজিল্যান্ডীয় ক্রিকেটে অকল্যান্ড ও ওয়েলিংটনের পক্ষে খেলেছেন। অকল্যান্ড থেকে ওয়েলিংটনে চলে আসার পরপরই নিজেকে মেলে ধরেন। নিয়মিতভাবে ব্যাটিং করার সুযোগ পান ও শীর্ষসারির ব্যাটসম্যান হিসেবে নিজের পরিচিতি ঘটান। তবে, ২০০৪ সাল শেষে পুণরায় অকল্যান্ড দলে ফিরে যান। প্রথম-শ্রেণীর ক্রিকেটে ১৯ শতক সহযোগে ৭২৫৪ রান ও লিস্ট-এ ক্রিকেটে ৩২১২ রান পেয়েছেন।
সব মিলিয়ে মাত্র এক টেস্ট ও ৫টি ওডিআইয়ে অংশ নেয়ার সুযোগ পেয়েছেন। আন্তর্জাতিক খেলাগুলোর সবকটিই ২০০৩ খেলেন ও পর্দার অন্তরালে চলে যান। ঐ বছর শ্রীলঙ্কা গমনার্থে নিউজিল্যান্ডের সদস্যরূপে অন্তর্ভুক্ত হন। তবে, ঐ সফরে কোন প্রথম-শ্রেণীর খেলায় অংশ নেয়ার সুযোগ পাননি। পূর্ববর্তী তিন মৌসুম ঘরোয়া আসরের ক্রিকেটে দারুণ খেলে সাড়া জাগান ও দল নির্বাচকমণ্ডলীর দৃষ্টি আকর্ষণে সক্ষম হন।
২০০৩-০৪ মৌসুমে নিজ দেশে ইনজামাম-উল-হকের নেতৃত্বাধীন পাকিস্তানী দলের মুখোমুখি হন। ২৬ ডিসেম্বর, ২০০৩ তারিখে ওয়েলিংটনে অনুষ্ঠিত সফররত পাকিস্তানের বিপক্ষে সিরিজের দ্বিতীয় ও চূড়ান্ত টেস্টে তাঁর অভিষেক পর্ব সম্পন্ন হয়। খেলায় তিনি ১৬ ও ৭ রান সংগ্রহ করেছিলেন। শোয়েব আখতারের অসাধারণ বোলিং নৈপুণ্যের কল্যাণে সফরকারীরা ৭ উইকেটে জয়লাভ করলে ১-০ ব্যবধানে সিরিজে বিজয়ী হয়। পরবর্তীকালে, এটিই তাঁর সর্বশেষ টেস্টে পরিণত হয়।
