|

মিরন বক্স

২০ এপ্রিল, ১৯০৭ তারিখে তৎকালীন ব্রিটিশ ভারতের রাওয়ালপিন্ডিতে জন্মগ্রহণকারী ক্রিকেটার ছিলেন। মূলতঃ বোলার হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন। ডানহাতে অফ-ব্রেক বোলিং করতেন। এছাড়াও, ডানহাতে নিচেরসারিতে ব্যাটিংয়ে নামতেন। ১৯৫০-এর দশকে পাকিস্তানের পক্ষে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে অংশ নিয়েছেন।

১৯৪৯-৫০ মৌসুম থেকে ১৯৫৮-৫৯ মৌসুম পর্যন্ত সময়কালে প্রথম-শ্রেণীর খেলোয়াড়ী জীবন অতিবাহিত করেছিলেন। ঘরোয়া আসরের প্রথম-শ্রেণীর পাকিস্তানী ক্রিকেটে পাঞ্জাব, রাওয়ালপিন্ডি ও সার্ভিসেসের প্রতিনিধিত্ব করেছেন।

১৯৫৫ সালে স্বল্পকালীন টেস্ট খেলোয়াড়ী জীবনে পাকিস্তানের পক্ষে মাত্র দুই টেস্টে অংশ নেয়ার সুযোগ পেয়েছিলেন। পাকিস্তানের শুরুরদিকের অন্যতম টেস্ট ক্রিকেটার ছিলেন। ১৯৫৪-৫৫ মৌসুমে নিজ দেশে বিনু মানকড়ের নেতৃত্বাধীন ভারতীয় দলের মুখোমুখি হন। টেস্ট ক্রিকেটের ইতিহাসে বয়সের কারণে স্বীয় স্থান দখল করে নিয়েছেন। দ্বিতীয় বয়োজ্যেষ্ঠ অভিষেকধারীর মর্যাদা পান। ৪৭ বছর ২৭৫ দিন বয়স নিয়ে ২৯ জানুয়ারি, ১৯৫৫ তারিখে লাহোরে অনুষ্ঠিত সফরকারী ভারতের বিপক্ষে সিরিজের তৃতীয় টেস্টে খেলেছিলেন। ২/৮২ লাভ করেছিলেন। খেলাটি ড্রয়ের দিক গড়ালে পাঁচ-টেস্ট নিয়ে গড়া সিরিজটি অমিমাংসিত অবস্থায় অগ্রসর হতে থাকে।

এরপর, একই সফরের ১২ ফেব্রুয়ারি, ১৯৫৫ তারিখে পেশাওয়ারে একই দলের বিপক্ষে সিরিজের চতুর্থ টেস্টে অংশ নেন। ০/৩০ ও ০/৩ বোলিং বিশ্লেষণ দাঁড় করান। এ খেলাটিও ড্রয়ের দিক গড়ায়। পরবর্তীতে, এটিই তাঁর সর্বশেষ টেস্টে পরিণত হয়েছিল।

১৯৫৪-৫৫ মৌসুমে প্রথম-শ্রেণীর ক্রিকেটে সর্বশেষ অংশ নিয়েছিলেন। সবমিলিয়ে টেস্টে দুই উইকেট পেলেও প্রথম-শ্রেণীর ক্রিকেটে ১৯ গড়ে বোলিং করেছিলেন। ৮ ফেব্রুয়ারি, ১৯৯১ তারিখে রাওয়ালপিন্ডির ঢোক রাতা এলাকায় ৮৩ বছর ২৯৪ দিন বয়সে তাঁর দেহাবসান ঘটে।

Similar Posts

  • |

    টেড ম্যাকডোনাল্ড

    ৬ জানুয়ারি, ১৮৯১ তারিখে তাসমানিয়ার লঞ্চেস্টন এলাকায় জন্মগ্রহণকারী পেশাদার ক্রিকেটার ছিলেন। মূলতঃ বোলার হিসেবে দলে ভূমিকা রেখেছিলেন। ডানহাতে ফাস্ট বোলিংয়ের পাশাপাশি ডানহাতে নিচেরসারিতে ব্যাটিংয়ে নামতেন। ১৯২০-এর দশকের শুরুতে অস্ট্রেলিয়ার পক্ষে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে অংশগ্রহণ করেছিলেন। আর্থার ম্যাকডোনাল্ড ও জেন দম্পতির সন্তান ছিলেন। চার্লস স্ট্রিট স্কুলে অধ্যয়ন করেছেন। ব্যতিক্রমধর্মী পেস ও যোগ্যতাসম্পন্ন ফাস্ট বোলার ছিলেন। চাকচিক্যভাব, সৌন্দর্য্যতা…

  • |

    ডেরিক প্যারি

    ২২ ডিসেম্বর, ১৯৫৪ তারিখে নেভিসের কটন গ্রাউন্ড এলাকায় জন্মগ্রহণকারী ক্রিকেটার। মূলতঃ অল-রাউন্ডারের ভূমিকায় অবতীর্ণ হয়েছিলেন। ডানহাতে ব্যাটিংয়ের পাশাপাশি ডানহাতে অফ-ব্রেক বোলিংয়ে সবিশেষ পারদর্শী ছিলেন। ওয়েস্ট ইন্ডিজের পক্ষে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে অংশ নিয়েছেন। দৃশ্যতঃ অফ-স্পিনার হিসেবে খেললেও তাঁর ব্যাটিংয়ের মান উন্নততর থাকায় তাঁকে অল-রাউন্ডার হিসেবে চিত্রিত করা হয়ে থাকে। ঘরোয়া আসরের প্রথম-শ্রেণীর ওয়েস্ট ইন্ডিয়ান ক্রিকেটে কম্বাইন্ড আইল্যান্ডস…

  • |

    আড্রিয়ান কুইপার

    ২৪ আগস্ট, ১৯৫৯ তারিখে ট্রান্সভালের জোহানেসবার্গে জন্মগ্রহণকারী ক্রিকেটার। মূলতঃ অল-রাউন্ডার হিসেবে দলে ভূমিকা রেখেছিলেন। ডানহাতে ব্যাটিং করতেন। এছাড়াও, ডানহাতে মিডিয়াম কিংবা অফ-ব্রেক বোলিংয়ে পারদর্শী ছিলেন। ১৯৯০-এর দশকে দক্ষিণ আফ্রিকার পক্ষে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে অংশ নিয়েছিলেন। ওয়েস্টার্ন কেপের এলগিনে তাঁদের ফলমূল ও পোল্ট্রি খামার রয়েছে। ক্রিকেটপ্রিয় পরিবারের সন্তান তিনি। জ্যেষ্ঠ ভ্রাতা জেন কুইপার প্রথম-শ্রেণীর ক্রিকেটার ও ভ্রাতৃষ্পুত্র…

  • |

    নিপার নিকোলসন

    ১৭ সেপ্টেম্বর, ১৯০৯ তারিখে ইংল্যান্ডের মিলম এলাকায় জন্মগ্রহণকারী ক্রিকেটার ছিলেন। মূলতঃ উইকেট-রক্ষকের ভূমিকায় অবতীর্ণ হয়েছিলেন। উইকেট-রক্ষণের দায়িত্ব পালনের পাশাপাশি ডানহাতে ব্যাটিং কর্মে মনোনিবেশ ঘটিয়েছিলেন। ১৯৩০-এর দশকে দক্ষিণ আফ্রিকার পক্ষে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে অংশ নিয়েছেন। ঘরোয়া আসরের প্রথম-শ্রেণীর দক্ষিণ আফ্রিকান ক্রিকেটে অরেঞ্জ ফ্রি স্টেটের প্রতিনিধিত্ব করেছেন। ১৯২৭-২৮ মৌসুম থেকে ১৯৪৬-৪৭ মৌসুম পর্যন্ত সময়কালে প্রথম-শ্রেণীর খেলোয়াড়ী জীবন অতিবাহিত…

  • |

    সুজীবা ডি সিলভা

    ৭ অক্টোবর, ১৯৭৯ তারিখে বেরুওয়ালায় জন্মগ্রহণকারী ক্রিকেটার। মূলতঃ বোলার হিসেবে দলে ভূমিকা রাখছেন। বামহাতে মিডিয়াম-ফাস্ট বোলিং করে থাকেন। এছাড়াও, ডানহাতে নিচেরসারিতে ব্যাটিংয়ে নামেন। ২০০০-এর দশকে শ্রীলঙ্কার পক্ষে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে অংশ নিয়েছেন। বামহাতে সুইং বোলিং করে থাকেন। ২০০০ সালে অনূর্ধ্ব-২৩ প্রিমিয়ার ট্রফি প্রতিযোগিতায় সকলের সমক্ষে তাঁর প্রতিভা উন্মোচিত হয়। এক মৌসুমে সর্বাধিক উইকেট লাভের নতুন লীগ…

  • | |

    ডেনিস লিন্ডসে

    ৪ সেপ্টেম্বর, ১৯৩৯ তারিখে ট্রান্সভালের বেনোনি এলাকায় জন্মগ্রহণকারী ক্রিকেটার ও রেফারি ছিলেন। মূলতঃ উইকেট-রক্ষক হিসেবে ভূমিকা রেখেছিলেন। উইকেট-রক্ষণের পাশাপাশি মাঝারিসারিতে ডানহাতে ব্যাটিং কর্মে অগ্রসর হতেন। দক্ষিণ আফ্রিকার পক্ষে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে অংশ নিয়েছেন। দক্ষিণ আফ্রিকার ক্রিকেট কিংবদন্তী ছিলেন। মাঠ ও মাঠের বাইরে বর্ণাঢ্যময় ভূমিকা রেখেছিলেন। মাঝারিসারির ব্যাটসম্যান হিসেবে খেলতেন। তাঁর পিতা জন লিন্ডসে ও জ্যেঠা নেভিল…