|

মার্চেন্ট ডি ল্যাঞ্জ

১৩ অক্টোবর, ১৯৯০ তারিখে লিম্পোপো এলাকার জানিনে জন্মগ্রহণকারী ক্রিকেটার। মূলতঃ বোলার হিসেবে দলে ভূমিকা রাখছেন। ডানহাতে ফাস্ট বোলিং করে থাকেন। এছাড়াও, ডানহাতে নিচেরসারিতে ব্যাটিং করেন। ২০১০-এর দশকে দক্ষিণ আফ্রিকার পক্ষে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটের সকল স্তরে অংশগ্রহণ করেছেন।

বিধ্বংসী বোলার হিসেবে বলকে সুইং করানোয় সক্ষমতা দেখিয়েছেন। ২০১০-১১ মৌসুম থেকে প্রথম-শ্রেণীর খেলোয়াড়ী জীবন চলমান রাখছেন। ঘরোয়া আসরের প্রথম-শ্রেণীর দক্ষিণ আফ্রিকান ক্রিকেটে ইস্টার্নস, ফ্রি স্টেট ও টাইটান্স এবং ইংরেজ কাউন্টি ক্রিকেটে গ্ল্যামারগনের প্রতিনিধিত্ব করেছেন। এছাড়াও, বার্বাডোস ট্রাইডেন্টস, বেঙ্গল টাইগার্স, ডারবান হিট, গায়ানা আমাজন ওয়ারিয়র্স, নাইটস, কলকাতা নাইট রাইডার্স, মুম্বই ইন্ডিয়ান্স, টিম আবুধাবির পক্ষে খেলেছেন। ৩০ সেপ্টেম্বর, ২০১০ তারিখে বেনোনিতে অনুষ্ঠিত ইস্টার্নস বনাম ফ্রি স্টেটের মধ্যকার খেলায় অংশ নেয়ার মাধ্যমে প্রথম-শ্রেণীর খেলোয়াড়ী জীবনের সূত্রপাত ঘটান।

২৭ অক্টোবর, ২০২০ তারিখে গ্ল্যামারগন থেকে সড়ে আসেন ও দুই বছরের চুক্তিতে সমারসেটে যোগ দেন। ২৪ আগস্ট, ২০২০ তারিখে ওয়ান্টেজ রোডে অনুষ্ঠিত বব উইলিস ট্রফিতে নর্দাম্পটনশায়ার বনাম গ্ল্যামারগনের মধ্যকার প্রথম-শ্রেণীর ক্রিকেট খেলায় নিজস্ব প্রথম শতক হাঁকান। আগস্ট, ২০১৪ সালে দক্ষিণ আফ্রিকার পক্ষে আবারও খেলার সুযোগ পান। জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে ৩/৩১ লাভ করেন।

২০১১ থেকে ২০১৬ পর্যন্ত সময়কালে দক্ষিণ আফ্রিকার পক্ষে দুইটিমাত্র টেস্ট, চারটিমাত্র ওডিআই ও ছয়টিমাত্র টি২০আইয়ে অংশগ্রহণের সুযোগ পেয়েছেন। ২০১১-১২ মৌসুমে নিজ দেশে তিলকরত্নে দিলশানের নেতৃত্বাধীন শ্রীলঙ্কান দলের মুখোমুখি হন। ভার্নন ফিল্যান্ডারের আঘাতের কারণে তাঁকে স্থলাভিষিক্ত করা হয়। ২৬ ডিসেম্বর, ২০১১ তারিখে ডারবানে অনুষ্ঠিত সফররত শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে সিরিজের দ্বিতীয় টেস্টে তাঁর অভিষেক পর্ব সম্পন্ন হয়। ব্যক্তিগতভাবে সাফল্যের ছাঁপ রাখেন। দূর্দান্ত বোলিং করে অভিষেক পর্বকে স্মরণীয় করে রাখেন। শ্রীলঙ্কার প্রথম ইনিংসে টেস্টে নিজস্ব প্রথম পাঁচ-উইকেট লাভ করেন। এ পর্যায়ে ৭/৮১ লাভ করেন। এরফলে, ঐ সময়ে অভিষেকে দক্ষিণ আফ্রিকার তৃতীয় সেরা বোলিংয়ে নিজেকে অন্তর্ভুক্ত করেন। দ্বিতীয় ইনিংসে অবশ্য ১/৪৫ পান। এছাড়াও, ব্যাট হাতে নিয়ে ৯ ও ০ রান সংগ্রহ করেছিলেন। তবে, রঙ্গনা হেরাথের অসাধারণ অল-রাউন্ড ক্রীড়াশৈলীর কল্যাণে সফরকারীরা ২০৮ রানে জয় পেলে তিন-টেস্ট নিয়ে গড়া সিরিজটি অমিমাংসিত অবস্থায় অগ্রসর হতে থাকে।

২০১১-১২ মৌসুমে দলের সাথে অস্ট্রেলিয়া সফরে যান। এরপর, ১৯ ফেব্রুয়ারি, ২০১২ তারিখে হ্যামিল্টনে অনুষ্ঠিত স্বাগতিক নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে টি২০আইয়ে প্রথমবারের মতো অংশ নেন। তবে, প্রথম ওডিআইয়ে অংশ নেয়ার জন্যে তাঁকে আরও এক বছর অপেক্ষার প্রহর গুণতে হয়। ৩ মার্চ, ২০১২ তারিখে অকল্যান্ডে স্বাগতিক নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে প্রথম ওডিআই খেলেন।

একই মৌসুমে প্রথমবারের মতো নিউজিল্যান্ডে মাটিতে টেস্ট খেলেন। গ্রায়েম স্মিথের নেতৃত্বাধীন স্প্রিংবকের সদস্যরূপে নিউজিল্যান্ড গমন করেন। ২৩ মার্চ, ২০১২ তারিখে ওয়েলিংটনে অনুষ্ঠিত সিরিজের তৃতীয় ও চূড়ান্ত টেস্টে অংশ নেন। খেলায় তিনি ১/৭৪ ও ০/৭৭ বোলিং বিশ্লেষণ দাঁড় করান। তবে, কোন ইনিংসেই তাঁকে ব্যাটিং করতে হয়নি। খেলাটি ড্রয়ে পরিণত হলেও সফরকারীরা ১-০ ব্যবধানে সিরিজে জয়লাভ করে। পরবর্তীতে, এটিই তাঁর সর্বশেষ টেস্টে পরিণত হয়।

খুবই সীমিত পরিসরে আন্তর্জাতিক ক্রিকেট খেলার সুযোগ পেয়েছিলেন। অনেকাংশেই উদীয়মান ফাস্ট বোলারদের প্রাচুর্য্যতার কারণে তাঁকে নিরাশ হতে হয়। তাসত্ত্বেও কিছু স্মরণীয় মুহূর্ত অতিবাহিত করেছেন।

Similar Posts

  • |

    নেড গ্রিগরি

    ২৯ মে, ১৮৩৯ তারিখে নিউ সাউথ ওয়েলসের ওয়াভার্লিতে জন্মগ্রহণকারী ক্রিকেটার ছিলেন। মূলতঃ মাঝারিসারির ব্যাটসম্যান হিসেবে দলে ভূমিকা রেখেছিলেন। ডানহাতে ব্যাটিং করতেন। ১৮৭০-এর দশকে অস্ট্রেলিয়ার পক্ষে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে অংশ নিয়েছেন। আক্রমণাত্মক ভঙ্গীমার অধিকারী ব্যাটসম্যান ছিলেন। ‘লায়ন-হার্টেড নেড’ ডাকনামে ভূষিত হয়েছিলেন। অস্ট্রেলীয় ক্রিকেটের শুরুরদিকে বড় ধরনের ব্যক্তিত্ব ছিলেন। ন্যাশনাল, ইস্ট সিডনি ও বাথহার্স্ট ক্রিকেট ক্লাবে খেলেছেন। ১৮৬২-৬৩…

  • |

    বিজয় ভরদ্বাজ

    ১৫ আগস্ট, ১৯৭৫ তারিখে কর্ণাটকের ব্যাঙ্গালোরে জন্মগ্রহণকারী ক্রিকেটার। মূলতঃ মাঝারিসারিতে ব্যাটিং করতেন। ডানহাতে ব্যাটিং করতেন। এছাড়াও, অফ-ব্রেক বোলিংয়ে পারদর্শী ছিলেন। ভারতের পক্ষে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে অংশ নিয়েছেন। ‘আর বিজয়’ নামে পরিচিত বিজয় ভরদ্বাজ পরিচ্ছন্ন মাঝারিসারির ব্যাটসম্যান ও অফ-স্পিনার ছিলেন। চশমা পরিধান করে খেলায় নামতেন। ঘরোয়া ক্রিকেটে দূর্দান্ত অল-রাউন্ড ক্রীড়া নৈপুণ্য প্রদর্শন করলেও আন্তর্জাতিক অঙ্গনে এ ধারা…

  • |

    ম্যাথু নিকোলসন

    ২ অক্টোবর, ১৯৭৪ তারিখে নিউ সাউথ ওয়েলসের সেন্ট লিওনার্ডস এলাকায় জন্মগ্রহণকারী ক্রিকেটার। মূলতঃ বোলার হিসেবে দলে ভূমিকা রাখতেন। ডানহাতে ফাস্ট-মিডিয়াম বোলিংয়ের পাশাপাশি ডানহাতে নিচেরসারির কার্যকর ব্যাটিংশৈলী প্রদর্শন করতেন। ১৯৯০-এর দশকে অস্ট্রেলিয়ার পক্ষে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে অংশ নিয়েছিলেন। ‘নিকো’ ডাকনামে ভূষিত ম্যাথু নিকোলসন ১.৯৭ মিটার উচ্চতার অধিকারী। নিউ সাউথ ওয়েলসে খেলা শিখতে শুরু করেন। বিদ্যালয়ের তারকা খেলোয়াড়…

  • |

    ফ্রেড বেকওয়েল

    ২ নভেম্বর, ১৯০৮ তারিখে স্টাফোর্ডশায়ারের ওয়ালসল এলাকায় জন্মগ্রহণকারী ক্রিকেটার ছিলেন। দলে মূলতঃ ডানহাতে ব্যাটিং কর্মে নিয়োজিত থাকতেন। এছাড়াও, ডানহাতে মিডিয়াম বোলিংয়ে পারদর্শী ছিলেন। ১৯৩০-এর দশকে ইংল্যান্ডের পক্ষে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে অংশ নিয়েছিলেন। ১৯২৮ থেকে ১৯৩৬ সময়কাল পর্যন্ত প্রথম-শ্রেণীর খেলোয়াড়ী জীবন অব্যাহত রাখেন। ঘরোয়া আসরের প্রথম-শ্রেণীর ইংরেজ কাউন্টি ক্রিকেটে নর্দাম্পটনশায়ারের প্রতিনিধিত্ব করেছেন। নিজের সেরা দিনগুলোয় অন্যতম দৃষ্টিনন্দন…

  • |

    মার্কো জানসেন

    ১ মে, ২০০০ তারিখে ক্লার্কসডর্প এলাকায় জন্মগ্রহণকারী ক্রিকেটার। মূলতঃ বোলিংয়ের দিকেই অধিক জোর দিয়ে থাকেন। বামহাতে মিডিয়াম-ফাস্ট বোলিংয়ের পাশাপাশি ডানহাতে কার্যকর ব্যাটিংশৈলী প্রদর্শনে অগ্রসর হন। দক্ষিণ আফ্রিকার পক্ষে সকল স্তরের আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে অংশ নিয়েছেন। লায়েরস্কুল গুডকপে অধ্যয়ন করেছেন। ৬ ফুট ৮ ইঞ্চি (২.০৩ মিটার) উচ্চতার অধিকারী। আন্তর্জাতিক ক্রিকেট জগতে নয় মাসের মধ্যে অবিশ্বাস্যভাবে তাঁর উত্থান…

  • | |

    দিলাবর হোসেন

    ১৯ মার্চ, ১৯০৭ তারিখে তৎকালীন ব্রিটিশ ভারতের লাহোরে জন্মগ্রহণকারী ক্রিকেটার ও প্রশাসক ছিলেন। মূলতঃ উইকেট-রক্ষক-ব্যাটসম্যান হিসেবে দলে ভূমিকা রেখেছিলেন। ডানহাতে ব্যাটিং করতেন। ১৯৩০-এর দশকে ভারতের পক্ষে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে অংশ নিয়েছিলেন। ১৯২৪-২৫ মৌসুম থেকে ১৯৪০-৪১ মৌসুম পর্যন্ত সময়কালে প্রথম-শ্রেণীর খেলোয়াড়ী জীবন অতিবাহিত করেছিলেন। ঘরোয়া আসরের প্রথম-শ্রেণীর ভারতীয় ক্রিকেটে সেন্ট্রাল ইন্ডিয়া, মুসলিম, নর্দার্ন ইন্ডিয়া ও উত্তরপ্রদেশের প্রতিনিধিত্ব…