|

আলফ্রেড মার

২৮ মার্চ, ১৮৬২ তারিখে নিউ সাউথ ওয়েলসের পিরমন্ট এলাকায় জন্মগ্রহণকারী ক্রিকেটার ছিলেন। মূলতঃ বোলার হিসেবে দলে ভূমিকা রাখতেন। ডানহাতে মিডিয়াম বোলিংয়ের পাশাপাশি ডানহাতে নিচেরসারিতে কার্যকর ব্যাটিংশৈলী প্রদর্শন করতেন। ১৮৮০-এর দশকে অস্ট্রেলিয়ার পক্ষে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে অংশ নিয়েছেন।

ঘরোয়া আসরের প্রথম-শ্রেণীর অস্ট্রেলীয় ক্রিকেটে নিউ সাউথ ওয়েলসের প্রতিনিধিত্ব করেছেন। ১৮৮২-৮৩ মৌসুম থেকে ১৮৯০-৯১ মৌসুম পর্যন্ত সময়কালে প্রথম-শ্রেণীর খেলোয়াড়ী জীবন অতিবাহিত করেছেন। দলের কার্যকর ব্যাটসম্যান ও বোলার হিসেবে তাঁর সুনাম ছিল। ইংল্যান্ড গমনার্থে তাঁকে তিনবার আমন্ত্রণ জানানো হলেও কোনবারই তিনি এ আমন্ত্রণ রক্ষা করতে পারেননি। ৬৮ বছর বয়সে এসেও সিডনিতে গ্রেড প্রতিযোগিতায় ১০১ রানের ইনিংস খেলেছিলেন।

১৮৮৫ সালে অস্ট্রেলিয়ার পক্ষে একটিমাত্র টেস্টে অংশগ্রহণের সুযোগ পেয়েছিলেন। ১৮৮০-এর দশকে অধিকাংশ খেলোয়াড়ই মাত্র এক টেস্টে অংশগ্রহণ করেছিলেন। দশ বছরে ২৭ টেস্ট অনুষ্ঠিত হয় ও দূর্ভাগ্যজনকভাবে ১৩জন খেলোয়াড়ের অন্যতম হিসেবে একটিমাত্র টেস্ট খেলার সুযোগ পান। ১৮৮৪-৮৫ মৌসুমে আর্থার শ্রিউসবারি’র নেতৃত্বাধীন দলের বিপক্ষে অস্ট্রেলিয়ার সম্মিলিত একাদশের সদস্যরূপে চারটি খেলার একটিতে অংশ নেন। ১ জানুয়ারি, ১৮৮৫ তারিখে মেলবোর্নে অনুষ্ঠিত সফররত ইংল্যান্ডের বিপক্ষে সিরিজের দ্বিতীয় টেস্টে অংশ নেন। অ্যাফি জার্ভিস, হ্যারি মাসগ্রোভ, জ্যাক ওরেল, জন ট্রাম্বল, রোল্যান্ড পোপ, স্যাম মরিস, উইলিয়াম ব্রুস ও ডিগার রবার্টসনের সাথে তাঁর একযোগে টেস্ট অভিষেক পর্ব সম্পন্ন হয়। খেলায় তিনি ০/১১ ও ০/৩ বোলিং বিশ্লেষণ দাঁড় করান। এছাড়াও, ব্যাট হাতে নিয়ে ০ ও ৫ রান সংগ্রহ করে উভয় ইনিংসে বিলি বার্নসের শিকারে পরিণত হয়েছিলেন। সফরকারীরা ১০ উইকেটে জয় পেলে পাঁচ-টেস্ট নিয়ে গড়া সিরিজে ২-০ ব্যবধানে এগিয়ে যায়। পরবর্তীতে, এটিই তাঁর সর্বশেষ টেস্টে পরিণত হয়।

১৫ মার্চ, ১৯৪০ তারিখে নিউ সাউথ ওয়েলসের আর্নক্লিফ এলাকায় ৭৭ বছর ৩৫৩ দিন বয়সে তাঁর দেহাবসান ঘটে।

সম্পৃক্ত পোস্ট