| |

উইলিয়াম পোর্টারফিল্ড

৬ সেপ্টেম্বর, ১৯৮৪ তারিখে লন্ডনডেরি এলাকায় জন্মগ্রহণকারী ক্রিকেটার। মূলতঃ ব্যাটসম্যান হিসেবে খেলেছেন। বামহাতে ব্যাটিং করতেন। এছাড়াও, ডানহাতে অফ-ব্রেক বোলিংয়ে পারদর্শী ছিলেন। আয়ারল্যান্ডের পক্ষে সকল স্তরের আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে অংশ নিয়েছেন। আয়ারল্যান্ড দলের অধিনায়কের দায়িত্ব পালন করেছেন।

‘পোর্টি’ ডাকনামে ভূষিত হয়েছেন। ২০০৬-০৭ মৌসুম থেকে ২০১৯-২০ মৌসুম পর্যন্ত সময়কালে প্রথম-শ্রেণীর খেলোয়াড়ী জীবন চলমান রাখেন। ঘরোয়া আসরের প্রথম-শ্রেণীর আইরিশ ক্রিকেটে নর্থ-ওয়েস্ট ওয়ারিয়র্সের পক্ষে খেলেছেন। দলের ৬৫৪ নম্বর ক্যাপধারী তিনি। ইংরেজ কাউন্টি ক্রিকেটে গ্লুচেস্টারশায়ার ও ওয়ারউইকশায়ারের প্রতিনিধিত্ব করেছেন। আয়ারল্যান্ডের ক্লাব ক্রিকেটে ডোনেমানা ও রাশের পক্ষে খেলেছেন। এছাড়াও, ব্রাডফোর্ড লিডস ইউসিসিই, লিডস/ব্রাডফোর্ড এমসিসিইউ ও মেরিলেবোন ক্রিকেট ক্লাবের পক্ষে খেলেছেন। এমসিসি’র পরিচালনায় কাউন্টি ক্রিকেটে কিংবা আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে খেলার উদ্দেশ্যে কেভিন ও’ব্রায়ানের ন্যায় তিনিও এমসিসি ইয়ং ক্রিকেটার্স থেকে প্রশিক্ষণ গ্রহণ করেছেন। এরপর, গ্লুচেস্টারশায়ারের পক্ষে প্রথম-শ্রেণীর ক্রিকেট খেলেন। ২০১০ সালে চমৎকার মৌসুম অতিবাহিত করেন। এরফলে, ওয়ারউইকশায়ারের পক্ষে খেলার জন্যে প্রস্তাবনা পান ও খেলতে থাকেন।

২০১২ সালে সহযোগী ও অনুমোদনপ্রাপ্ত দলসমূহের সেরা কয়েকজন খেলোয়াড় নিয়ে গড়া দলের সদস্য হন। জানুয়ারি, ২০১২ সালে দুবাইয়ে ইংল্যান্ডের বিপক্ষে ঐ দলের সদস্যরূপে খেলেন। পরের মাসে পাকিস্তানের বিপক্ষে তিনদিনের খেলা নিয়ে গঠিত সিরিজে দলের অধিনায়কত্ব করেন ও আয়ারল্যান্ডের চারজন খেলোয়াড়ের অন্যতম ছিলেন।

ইয়ন মর্গ্যান, এড জয়েস ও বয়েড র‍্যাঙ্কিনের ন্যায় তারকা খেলোয়াড়েরা যখন ইংল্যান্ড ইংল্যান্ড দলের পক্ষে খেলতে উৎসুক, তখনো তিনি আয়ারল্যান্ড দলকে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে তুলে ধরতে সদা সচেষ্ট ছিলেন। ওডিআই ও টি২০আইয়ে দেশের সর্বোচ্চ রান সংগ্রহকারী হন। এছাড়াও, আয়ারল্যান্ডের ইতিহাসের উদ্বোধনী টেস্টে দলের অধিনায়কত্ব করার গৌরব অর্জন করেন। তবে, এ উত্তরণের জন্যে যথেষ্ট ত্যাগ স্বীকার করেন ও পথ মসৃণ ছিল না।

২০০৬ সাল থেকে আয়ারল্যান্ডের পক্ষে তিনটিমাত্র টেস্ট, ১৪৮টি ওডিআই ও ৬১টি টি২০আইয়ে অংশ নিচ্ছেন। ২০১২ সালে শ্রীলঙ্কায় অনুষ্ঠিত বিশ্ব টি২০ প্রতিযোগিতায় আয়ারল্যান্ডের উভয় খেলার প্রথম বলেই বিদেয় নিতে হয়। তাসত্ত্বেও, দলের কিছু স্মরণীয় সাফল্যে নিজের স্বর্ণালী মুহূর্ত উদযাপন করেন। তন্মধ্যে, ২০০৭ সালের বিশ্বকাপ ক্রিকেট প্রতিযোগিতায় পাকিস্তান ও বাংলাদেশের বিপক্ষে জয়ের সুবাদে সুপার এইট পর্বে দলের অংশগ্রহণ, ২০০৯ সালে বিশ্ব টি২০ প্রতিযোগিতার বাছাইপর্বে বিজয় এবং ২০০৮ ও ২০১১ সালের আন্তঃমহাদেশীয় কাপে দলের ক্রমাগত সাফল্য অন্যতম। এছাড়াও, ব্যাঙ্গালোরে অনুষ্ঠিত ২০১১ সালের বিশ্বকাপ ক্রিকেট প্রতিযোগিতায় ইংল্যান্ডের বিপক্ষে জয়ে দলকে নেতৃত্ব করেছিলেন।

বামহাতে শীর্ষসারির ব্যাটসম্যান হিসেবে খেলছেন ও সীমানা এলাকায় অসাধারণ ফিল্ডার হিসেবে ভূমিকা রাখছেন। সহজাত প্রকৃতির নেতৃত্ব গুণে গুণান্বিত। ২০০৮ সালে ট্রেন্ট জনস্টনের পরিবর্তে দলের নেতৃত্ব গ্রহণের সুযোগ পান। অধিনায়কের দায়িত্ব পালনের পর থেকে শতাধিক খেলায় আয়ারল্যান্ড দলকে পরিচালনা করেন। আয়ারল্যান্ডের ইতিহাসের সর্বাধিক সফল অধিনায়কের মর্যাদা লাভ করছেন।

অনূর্ধ্ব-১৩ দল থেকে শুরু করে আয়ারল্যান্ডের প্রত্যেক স্তরের খেলাতেই অধিনায়কত্ব করেছেন। মে, ২০০৬ সালে নামিবিয়ার বিপক্ষে প্রথমবারের মতো আন্তর্জাতিক ক্যাপ পড়েন। তবে, কয়েকমাস পর ৫ আগস্ট, ২০০৬ তারিখে আয়ারে অনুষ্ঠিত প্রথম আনুষ্ঠানিক একদিনের আন্তর্জাতিকে স্কটল্যান্ডের বিপক্ষে খেলেন। ২০০৭ সালে ক্যাসল অ্যাভিনিউতে অনুষ্ঠিত আইসিসি আন্তঃমহাদেশীয় কাপে নিজস্ব চতুর্থ ওডিআইয়ে বারমুডার বিপক্ষে ১৬৬ রানের শতক হাঁকান। পরের খেলাতেই আরেকটি শতক করে এ সংখ্যা বৃদ্ধি করেন। বিশ্ব ক্রিকেট লীগে ১১০ গড়ে রান পেয়েছেন। এরপর, ২০০৭ সালের বিশ্বকাপ ক্রিকেট প্রতিযোগিতায় গুরুত্বপূর্ণ ৮৫ রান তুলে বাংলাদেশের বিপক্ষে খেলায় টেস্টভূক্ত দলের বিপক্ষে দলের দ্বিতীয় জয়ে বিরাট ভূমিকা রাখেন। এ সাফল্যের স্বীকৃতিস্বরূপ ম্যান অব দ্য ম্যাচের পুরস্কার লাভ করেন। পরবর্তীতে, স্কটল্যান্ড, বাংলাদেশ ও ইংল্যান্ডের বিপক্ষে আরও কয়েকটি শতরান হাঁকিয়ে আইসিসি’র পূর্ণাঙ্গ সদস্য হিসেবে আয়ারল্যান্ডের অন্তর্ভুক্তিতে যথেষ্ট প্রভাব ফেলেন।

২০০৭-০৮ মৌসুমের আন্তঃমহাদেশীয় কাপে বারমুডার বিপক্ষে প্রথম-শ্রেণীর ক্রিকেটে নিজস্ব প্রথম শতরানের ইনিংস খেলেন। ২০০৮ সাল থেকে বড়দের সাদা-বলের উভয় স্তরের ক্রিকেটে নেতৃত্ব দিচ্ছেন। ২০০৮ সালে এনবিসি ডেনিস কম্পটন পুরস্কার লাভ করেন। পরের বছর ২০০৯ সালে আইসিসি বর্ষসেরা সহযোগী খেলোয়াড়ের সম্মাননায় ভূষিত হন।

২০০৪ থেকে ২০০৬ সালের মধ্যে কেন্ট, ডারহাম, নর্দাম্পটনশায়ার ও ডার্বিশায়ারের পক্ষে খেলেছেন। বিশ্বকাপ ক্রিকেট প্রতিযোগিতার পর গ্লুচেস্টারশায়ারের সাথে চুক্তিবদ্ধ হন। তবে, দল ত্যাগ করে ২০১০ সালের শেষদিকে ওয়ারউইকশায়ারের পক্ষে খেলার জন্যে চুক্তিবদ্ধ হন। এ পর্যায়ে খেলার মান বেশ সাধারণ পর্যায়ের ছিল। চ্যাম্পিয়নশীপে প্রথম শতরানের জন্যে চার বছর অপেক্ষা করতে হয়। ২০১৫ সাল পর্যন্ত প্রথম-শ্রেণীর ক্রিকেট ৩০-এর কম গড়ে রান পেলেও দলের অমূল্য সম্পদ হিসেবে বিবেচিত ছিলেন। ২০১২ সালে কাউন্টি চ্যাম্পিয়নশীপ ও ২০১৪ সালের ন্যাটওয়েস্ট টি২০ ব্ল্যাস্টের শিরোপা বিজয়ী দলের সদস্য ছিলেন। এছাড়াও, একই মৌসুমে রয়্যাল লন্ডন ওয়ান-ডে কাপে চূড়ান্ত খেলায় অংশ নিয়েছিলেন।

কাউন্টি ক্রিকেটে খেলার মান দূর্বলতর হতে থাকলে ২০১৭ সাল শেষে ওয়ারউইকশায়ার কর্তৃপক্ষ অবমুক্তি দেয়। এরপর থেকে আয়ারল্যান্ডের পক্ষে ব্যাটিং উদ্বোধন করে আসছেন। ৮ নভেম্বর, ২০১৯ তারিখে আয়ারল্যান্ডের অধিনায়কত্ব করা থেকে বিরত রাখা হয় ও অ্যান্ড্রু বালবির্নিকে স্থলাভিষিক্ত করা হয়। এছাড়াও, ১০ ডিসেম্বর, ২০২০ তারিখে সংযুক্ত আরব আমিরাতে আফগানিস্তানের বিপক্ষে অনুষ্ঠিত ওডিআই সিরিজে জর্জ ডকরেল ও বয়েড র‍্যাঙ্কিনের সাথে একযোগে দল থেকে বাদ পড়েন।

২০১৭-১৮ মৌসুমে নিজ দেশে সরফরাজ আহমদের নেতৃত্বাধীন পাকিস্তানী দলের মুখোমুখি হন। আয়ারল্যান্ডের ইতিহাসের উদ্বোধনী টেস্টে বয়েড র‌্যাঙ্কিন বাদে অন্য সকলের সাথে তাঁর একযোগে অভিষেক পর্ব সম্পন্ন হয়। ১১ মে, ২০১৮ তারিখে ডাবলিনের মালাহাইডে অনুষ্ঠিত সফররত পাকিস্তানের বিপক্ষে সিরিজের একমাত্র টেস্টে ০ ও ১৮ রান সংগ্রহ করতে পেরেছিলেন। ঐ টেস্টে তাঁর দল ৫ উইকেটের ব্যবধানে পরাজিত হয়েছিল।

২০১৯ সালে সিরিজের একমাত্র টেস্ট খেলতে দলকে নেতৃত্ব দিয়ে ইংল্যান্ড গমন করেন। ২৪ জুলাই, ২০১৯ তারিখে লন্ডনের লর্ডসে অনুষ্ঠিত স্বাগতিক ইংল্যান্ডের বিপক্ষে অধিনায়কের দায়িত্বে থেকে খেলায় তিনি ১৪ ও ২ রান সংগ্রহ করেছিলেন। জ্যাক লিচের অনবদ্য ব্যাটিংশৈলীর কল্যাণে ঐ টেস্টে তাঁর দল ১৪৩ রানে পরাজয়বরণ করেছিল। পরবর্তীকালে, এটিই তাঁর সর্বশেষ টেস্টে পরিণত হয়।

Similar Posts

  • |

    কানবর রাই সিং

    ২৪ ফেব্রুয়ারি, ১৯২২ তারিখে তৎকালীন ব্রিটিশ ভারতের পাঞ্জাবের দ্বারকাটি এলাকায় জন্মগ্রহণকারী ক্রিকেটার ছিলেন। মূলতঃ ব্যাটসম্যান হিসেবে দলে ভূমিকা রেখেছিলেন। ডানহাতে ব্যাটিং করতেন। ১৯৪০-এর দশকে ভারতের পক্ষে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে অংশ নিয়েছিলেন। শিখ পরিবারের সন্তান ছিলেন। লাহোরের এইচিসন কলেজে অধ্যয়ন করেছেন। জন্মগতভাবেই প্রবল শক্তিমত্তার অধিকারী ছিলেন। ভীতিহীন, আক্রমণাত্মক ব্যাটসম্যান হিসেবে খেলতেন। প্রায়শঃই বোলিং আক্রমণে অংশ নিতেন। ৩৩.৩৩…

  • | |

    মাহমুদ হোসেন

    ২ এপ্রিল, ১৯৩২ তারিখে তৎকালীন ব্রিটিশ ভারতের পাঞ্জাবের লাহোরে জন্মগ্রহণকারী ক্রিকেটার ও প্রশাসক ছিলেন। মূলতঃ বোলার হিসেবে দলে অবদান রেখেছিলেন। ডানহাতে ফাস্ট-মিডিয়াম বোলিং করতেন। পাশাপাশি, ডানহাতে নিচেরসারিতে কার্যকর ব্যাটিংশৈলী প্রদর্শনে অগ্রসর হতেন। পাকিস্তানের পক্ষে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে অংশ নিয়েছেন। পাকিস্তানের ক্রিকেটের সূচনালগ্নে অন্যতম তারকা বোলার ছিলেন। খেলোয়াড়ী জীবনে হার না মানার মানসিকতার কারণে সবিশেষ পরিচিতি লাভ…

  • |

    রবিন স্মিথ

    ১৩ সেপ্টেম্বর, ১৯৬৩ তারিখে নাটালের ডারবানে জন্মগ্রহণকারী ক্রিকেটার ছিলেন। মূলতঃ মাঝারিসারির ব্যাটসম্যান হিসেবে খেলতেন। ডানহাতে ব্যাটিংয়ের পাশাপাশি লেগ-ব্রেক বোলিংয়ে পারদর্শী ছিলেন। ইংল্যান্ডের পক্ষে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে অংশ নিয়েছিলেন। ‘জাজ’ ডাকনামে ভূষিত হয়েছেন। সহোদর ক্রিস স্মিথ ইংল্যান্ডের পক্ষে খেলেছেন। খেলোয়াড়ী জীবনের শুরু থেকেই তাঁর মাঝে বেশ প্রতিশ্রুতিশীলতা লক্ষ্য করা যায়। নিজের সময়কালে শীর্ষসারির অন্যতম সেরা ব্যাটসম্যানের মর্যাদাপ্রাপ্ত…

  • | |

    রোহন কানহাই

    ২৬ ডিসেম্বর, ১৯৩৫ তারিখে ব্রিটিশ গায়ানার বারবাইসের পোর্ট মোর‍্যান্ট এলাকায় জন্মগ্রহণকারী বিখ্যাত ক্রিকেটার। মূলতঃ উইকেট-রক্ষকের দায়িত্ব পালন করতেন। এছাড়াও, ডানহাতে ব্যাটিংয়ের পাশাপাশি ডানহাতে মিডিয়াম বোলিংয়ে পারদর্শী ছিলেন। ওয়েস্ট ইন্ডিজ দলের অধিনায়কের দায়িত্ব পালন করেছেন। ভারতীয় বংশোদ্ভূত ছিলেন। গ্যারি সোবার্সের সমসাময়িক ছিলেন। আল্ফ গোভারের আরেক জনপ্রিয় শিক্ষার্থী ছিলেন। গ্যারি সোবার্সকে নিয়ে ক্রিকেটের ইতিহাসের অন্যতম সেরা মাঝারিসারির…

  • |

    কেনেথ হাচিংস

    ৭ ডিসেম্বর, ১৮৮২ তারিখে কেন্টের টানব্রিজ ওয়েলসের কাছাকাছি সাউথবোরা এলাকায় জন্মগ্রহণকারী বিখ্যাত ক্রিকেটার ছিলেন। মূলতঃ ব্যাটিং কর্মে অগ্রসর হতেন। ডানহাতে ব্যাটিংয়ের পাশাপাশি ডানহাতে ফাস্ট বোলিংয়ে পারদর্শী ছিলেন। ১৯০০-এর দশকে ইংল্যান্ডের পক্ষে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে অংশ নিয়েছিলেন। টনব্রিজ স্কুলের প্রাক্তন শিক্ষার্থী চার ভ্রাতার সর্বকনিষ্ঠ ছিলেন। সার্জন পিতার সন্তান হিসেবে তাঁরা সকলেই টনব্রিজ স্কুলের পক্ষে ক্রিকেট খেলেছেন। তন্মধ্যে,…

  • |

    হিথ ডেভিস

    ৩০ নভেম্বর, ১৯৭১ তারিখে ওয়েলিংটনের লোয়ার হাটে জন্মগ্রহণকারী ক্রিকেটার। মূলতঃ বোলার হিসেবে দলে ভূমিকা রেখে গেছেন। ডানহাতে ফাস্ট বোলিং করতেন। এছাড়াও, ডানহাতে নিচেরসারিতে ব্যাটিংয়ে নামতেন। ১৯৯০-এর দশকে নিউজিল্যান্ডের পক্ষে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে অংশ নিয়েছেন। ১৯৯১-৯২ মৌসুম থেকে ২০০৩-০৪ মৌসুম পর্যন্ত প্রথম-শ্রেণীর খেলোয়াড়ী জীবন চলমান রাখেন। প্রথম-শ্রেণীর নিউজিল্যান্ডীয় ক্রিকেটে অকল্যান্ড ও ওয়েলিংটনের প্রতিনিধিত্ব করেছেন। মহৎ হৃদয়ের অধিকারী…