১৩ ফেব্রুয়ারি, ১৯৫৭ তারিখে বার্বাডোসের ফোল বে এলাকায় জন্মগ্রহণকারী ক্রিকেটার ছিলেন। মূলতঃ উইকেট-রক্ষক হিসেবে দলে ভূমিকা রেখে গেছেন। উইকেট-রক্ষণের পাশাপাশি বামহাতে ব্যাটিং করতেন। ১৯৮০-এর দশকে ওয়েস্ট ইন্ডিজের পক্ষে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে অংশ নিয়েছেন।
কার্যকর উইকেট-রক্ষক হিসেবে সুনাম কুড়িয়েছিলেন। সর্বদাই সৌর টুপি পরিধান করতেন। তবে, খেলোয়াড়ী জীবনের অধিকাংশ সময়ই জেফ ডুজনের সহকারী হিসেবে দলে ঠাঁই পেয়েছিলেন। ঘরোয়া আসরের প্রথম-শ্রেণীর ওয়েস্ট ইন্ডিয়ান ক্রিকেটে বার্বাডোসের প্রতিনিধিত্ব করেছেন। ১৯৭৮-৭৯ মৌসুম থেকে ১৯৮৯-৯০ মৌসুম পর্যন্ত সময়কালে প্রথম-শ্রেণীর খেলোয়াড়ী জীবনে সরব ছিলেন। ১৯৮৩ সালে উপর্যুপরী তিনটি শতক হাঁকিয়েছিলেন।
১৯৮৪ থেকে ১৯৮৭ সাল পর্যন্ত সময়কালে ওয়েস্ট ইন্ডিজের পক্ষে একটিমাত্র টেস্ট ও সাতটিমাত্র ওডিআইয়ে অংশগ্রহণের সুযোগ পেয়েছিলেন। ১৯ এপ্রিল, ১৯৮৪ তারিখে কাস্ট্রিজে অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে ওডিআইয়ে অংশ নেয়ার মাধ্যমে আন্তর্জাতিক ক্রিকেট অঙ্গনে প্রবেশ করেন। ১৯৮৪ সালে দলের দ্বিতীয় পছন্দের উইকেট-রক্ষক হিসেবে ইংল্যান্ড ও ১৯৮৪-৮৫ মৌসুমে অস্ট্রেলিয়া গমন করেছিলেন। এছাড়াও, পরবর্তীতে নিউজিল্যান্ড, পাকিস্তান ও শারজা সফরে যান।
১৯৮৬ সালে নিয়মিত উইকেট-রক্ষক জেফ ডুজনের অনুপস্থিতিতে পোর্ট অব স্পেনে সফরকারী ইংল্যান্ডের বিপক্ষে সিরিজের দ্বিতীয় টেস্ট খেলার সুযোগ পান। ঐ বছর ডেভিড গাওয়ারের নেতৃত্বাধীন ইংরেজ দলের মুখোমুখি হন। ৭ মার্চ, ১৯৮৬ তারিখে তাঁর টেস্ট অভিষেক পর্ব সম্পন্ন হয়। খেলায় তিনি একবার ব্যাটিংয়ে নেমে ৫ রান সংগ্রহ করেছিলেন। এছাড়াও, আঘাত অবস্থায় স্ট্যাম্পের পিছনে অবস্থান করে পাঁচটি ক্যাচ তালুবন্দী করে দলের সহজ বিজয়ে অবদান রাখেন। তবে, জেফ ডুজন সুস্থ হলে তাঁকে দল থেকে বাদ দেয়া হয়। ম্যালকম মার্শালের অসাধারণ অল-রাউন্ড নৈপুণ্যে স্বাগতিকরা ৭ উইকেটে জয় পেলে পাঁচ-টেস্ট নিয়ে গড়া সিরিজে ২-০ ব্যবধানে এগিয়ে যায়। পরবর্তীকালে, এটিই তাঁর সর্বশেষ টেস্টে পরিণত হয়।
১০ মে, ২০২৩ তারিখে ৬৬ বছর ৮৬ দিন বয়সে তাঁর দেহাবসান ঘটে।
