১৪ সেপ্টেম্বর, ১৯৫৯ তারিখে কলম্বোয় জন্মগ্রহণকারী ক্রিকেটার ও ধারাভাষ্যকার। মূলতঃ বোলার হিসেবে দলে ভূমিকা রেখেছিলেন। ডানহাতে মিডিয়াম-পেস বোলিং করতেন। এছাড়াও, বামহাতে নিচেরসারিতে ব্যাটিংয়ে নামতেন। ১৯৮০-এর দশকে শ্রীলঙ্কার পক্ষে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে অংশ নিয়েছেন।

১৯৮৫-৮৬ মৌসুম থেকে ১৯৯৫-৯৬ মৌসুম পর্যন্ত সময়কালে প্রথম-শ্রেণীর খেলোয়াড়ী জীবন চলমান রাখেন। ঘরোয়া আসরের প্রথম-শ্রেণীর শ্রীলঙ্কান ক্রিকেটে সিংহলীজ স্পোর্টস ক্লাবের প্রতিনিধিত্ব করেছেন। শ্রীলঙ্কার টেস্ট দলে হঠাৎ আলোর ঝলকানির ন্যায় আবির্ভূত হয়েছিলেন। ১৯৮৫-৮৬ মৌসুমে প্রথম-শ্রেণীর ক্রিকেটে শ্রীলঙ্কান কোল্টস দলের পক্ষে অভিষেক ঘটার দুই সপ্তাহ পরই ভারতের বিপক্ষে টেস্ট খেলার জন্যে দলে নেয়া হয়।

১৯৮৫ সালে শ্রীলঙ্কার পক্ষে তিনটিমাত্র টেস্ট ও একটিমাত্র ওডিআইয়ে অংশ নিয়েছিলেন। সবগুলো টেস্টই ভারতের বিপক্ষে খেলেছেন। ১৯৮৫-৮৬ মৌসুমে নিজ দেশে কপিল দেবের নেতৃত্বাধীন ভারতীয় দলের মুখোমুখি হন। ৩০ আগস্ট, ১৯৮৫ তারিখে কলম্বোর এসএসসিতে অনুষ্ঠিত সফররত ভারতের বিপক্ষে সিরিজের উদ্বোধনী টেস্টে অংশ নেন। অশোকা ডি সিলভা’র সাথে তাঁর একযোগে টেস্ট অভিষেক পর্ব সম্পন্ন হয়। নিজস্ব চতুর্থ বলেই মোহাম্মদ আজহারউদ্দীনকে বিদেয় করে প্রথম উইকেটের সন্ধান পান। ঐ খেলায় ১০৯ রান খরচায় ৫ উইকেট লাভ করেছিলেন। ২/৬০ ও ৩/৪৯ বোলিং বিশ্লেষণ দাঁড় করান। এছাড়াও, একবার ব্যাটিংয়ে নামার সুযোগ পেয়ে কপিল দেবের বলে সদানন্দ বিশ্বনাথের কটে শূন্য রানে বিদেয় নিয়েছিলেন। খেলাটি ড্রয়ের দিকে গড়ালে তিন-টেস্ট নিয়ে গড়া সিরিজটি অমিমাংসিত অবস্থায় অগ্রসর হতে থাকে।

১৪ সেপ্টেম্বর, ১৯৮৫ তারিখে ক্যান্ডিতে অনুষ্ঠিত একই সিরিজের তৃতীয় টেস্টে অংশ নেন। ব্যক্তিগত সেরা ৫/৫২ বোলিং পরিসংখ্যান দাঁড় করান। এছাড়াও, দ্বিতীয় ইনিংসে ৩/৭৪ লাভ করেন। এ খেলাটিও ড্রয়ের দিকে গড়ালে স্বাগতিকরা ১-০ ব্যবধানে সিরিজ জয় করে নেয়। পরবর্তীতে, এটিই তাঁর সর্বশেষ টেস্টে পরিণত হয়। সবমিলিয়ে তিন-টেস্ট নিয়ে গড়া ঐ সিরিজে ১৯.৩৩ গড়ে ১৮ উইকেট দখল করেছিলেন। একই বছর দলের সাথে পাকিস্তান গমন করেন। ২৫ অক্টোবর, ১৯৮৫ তারিখে লাহোরে অনুষ্ঠিত স্বাগতিক পাকিস্তানের বিপক্ষে একমাত্র ওডিআইয়ে অংশ নেন।

টেস্ট ক্রিকেটে শ্রীলঙ্কা দলের সীমিত অংশগ্রহণসহ ক্রমাগত আঘাত প্রাপ্তিতে বাঁধার প্রাচীর গড়ে তুলে। তাসত্ত্বেও, ১৯৮৮ ও ১৯৯১ সালে ইংল্যান্ড গমনার্থে শ্রীলঙ্কা দলে ঠাঁই দেয়া হয়। তবে, আর কোন টেস্টে অংশগ্রহণের সুযোগ পাননি। অবসর গ্রহণের পর টেলিভিশনে ধারাভাষ্যকারের ভূমিকায় অবতীর্ণ হন।

সম্পৃক্ত পোস্ট