৩ সেপ্টেম্বর, ১৯৯০ তারিখে বেলফাস্টে জন্মগ্রহণকারী ক্রিকেটার। মূলতঃ উদ্বোধনী ব্যাটসম্যান হিসেবে দলে ভূমিকা রাখছেন। ডানহাতে ব্যাটিং করেন। এছাড়াও, ডানহাতে অফ-ব্রেক বোলিংয়ে পারদর্শী। আয়ারল্যান্ডের পক্ষে সকল স্তরের আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে অংশ নিয়েছেন।
ইনিংস উদ্বোধনের সুযোগ পেয়ে বেশ আক্রমণাত্মক ব্যাটিংশৈলী প্রদর্শন করতে সচেষ্ট হন। এছাড়াও, কার্যকর অফ-স্পিন বোলিং করে সতীর্থ জর্জ ডকরেলের সাথে বেশ সাযুজ্য বজায় রাখছেন। বিখ্যাত অস্ট্রেলীয় ক্রিকেট তারকা রিকি পন্টিংকে প্রিয় খেলোয়াড়দের তালিকায় সর্বাগ্রে রেখেছেন। আয়ারল্যান্ডের অনূর্ধ্ব-১৩ ক্রিকেট দলের অন্যতম সদস্য হিসেবে অংশ নিয়ে শুরু থেকেই আন্তর্জাতিক অঙ্গনে বিশ্বস্ততার স্বাক্ষর রেখে চলেছেন। ব্যাট হাতে ইনিংস উদ্বোধনে নেমে বেশ প্রতিশ্রুতিশীলতা প্রদর্শনসহ আক্রমণাত্মক ব্যাটিং করে থাকেন।
দীর্ঘদিন ধরে আয়ারল্যান্ডসহ অন্যান্য দলের অবিস্মরণীয় ক্রিকেটীয় প্রতিভা হিসেবে স্বীকৃতি পেয়ে আসছেন। নিউজিল্যান্ডীয় ক্রিকেটার জেসি রাইডারের সাথে তুলনায় চলে আসেন। বেশ শক্তিধর হলেও দৃশ্যতঃ কম জোর খাটান। সচরাচর সোজাসুজি কিংবা মিড-উইকেট বরাবর বলকে মারতে স্বাচ্ছন্দ্যবোধ করে থাকেন।
২০০৭-০৮ মৌসুম থেকে প্রথম-শ্রেণীর খেলোয়াড়ী জীবন চলমান রাখছেন। ঘরোয়া আসরের প্রথম-শ্রেণীর ইংরেজ কাউন্টি ক্রিকেটে মিডলসেক্স ও নর্দাম্পটনশায়ার এবং দক্ষিণ আফ্রিকান ক্রিকেটে নর্দার্নসের প্রতিনিধিত্ব করেছেন। এছাড়াও, বেঙ্গল টাইগার্স, আবুধাবি নাইট রাইডার্স, গায়ানা আমাজন ওয়ারিয়র্স, সাউদার্ন ব্রেভ, বুস্ট ডিফেন্ডার্স, চিতবন টাইগার্স, ডাম্বুলা ভাইকিং, ইসলামাবাদ ইউনাইটেড, কান্দাহার নাইটস, কেরালা কিংস, খুলনা টাইটান্স, পার্ল রক্স, রয়্যালস, সিলেট রয়্যালসের পক্ষে খেলেছেন। ৬ মার্চ, ২০০৮ তারিখে আবুধাবিতে সংযুক্ত আরব আমিরাত বনাম আয়ারল্যান্ডের মধ্যকার খেলায় অংশ নেয়ার মাধ্যমে প্রথম-শ্রেণীর খেলোয়াড়ী জীবনের সূত্রপাত ঘটান।
২০১০ থেকে ২০১৯ সময়কালে মিডলসেক্সের পক্ষে খেলেছেন। ক্লাবের ৬৬২ নম্বর ক্যাপধারী তিনি। কাউন্টি ক্রিকেটে মিডলসেক্সের পক্ষে বেশ ভালোমানের খেলা প্রদর্শন করে চলেছেন। মিডলসেক্সের পক্ষে সীমিত-ওভারের খেলাগুলোয় দূর্দান্ত ভূমিকা রাখেন। চ্যাম্পিয়নশীপে দ্বিতীয় একাদশে ছিলেন। তবে, ২০১৪ সালে ছয় খেলায় অংশগ্রহণের সুযোগ পেয়ে ৪৩.৮৭ গড়ে রান পেয়েছেন। এরফলে, সাদা ও লাল-বলের খেলায় অপূর্ব সমন্বয় ঘটাতে তৎপর হন। তবে, পিঠের আঘাতের কারণে সমস্যায় পড়েন ও বোলিংয়ে সীমাবদ্ধতা চলে আসে। তাসত্ত্বেও বিকল্প অফ-স্পিনার হিসেবে অংশ নিতেন।
২০০৮ সাল থেকে আয়ারল্যান্ডের পক্ষে টেস্ট, ওডিআই ও টি২০আইয়ে অংশ নিচ্ছেন। ১ জুলাই, ২০০৮ তারিখে আবেরডিনে অনুষ্ঠিত সফররত নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে ওডিআইয়ে অংশ নেয়ার মাধ্যমে আন্তর্জাতিক ক্রিকেট অঙ্গনে প্রবেশ করেন।
২০০৯ সালে ইংল্যান্ডে অনুষ্ঠিত বিশ্ব টি২০ প্রতিযোগিতায় আয়ারল্যান্ডের পক্ষে অংশ নেন। এরপর, ডিসেম্বর, ২০০৯ সালে দলীয় সঙ্গী ইয়ন মর্গ্যানের পদাঙ্ক অনুসরণ করে তিন বছরের চুক্তিতে মিডলসেক্সের পক্ষে খেলেন। ইয়ন মর্গ্যান নিরাশ করলেও আইরিশ জনগোষ্ঠীর প্রতি সম্মান জানিয়ে জাতীয় দলের সাথে যুক্ত থেকেছেন। পরের বছর নিজেকে আরও উচ্চতায় নিয়ে যান। ২০১০ সালে টরন্টোয় অনুষ্ঠিত কানাডার বিপক্ষে ১৩৪ বলে ১৭৭ রান তুলে আইরিশ রেকর্ড বহিতে ঠাঁই করে নেন। এ পর্যায়ে যে-কোন আইরিশ খেলোয়াড়ের মধ্যে ওডিআইয়ে ব্যক্তিগত সর্বোচ্চ রান সংগ্রহকারী হন।
২০০৭ সালে ক্যারিবীয় দ্বীপপুঞ্জে অনুষ্ঠিত আইসিসি বিশ্বকাপ ক্রিকেট প্রতিযোগিতাকে ঘিরে আয়ারল্যান্ডের খসড়া তালিকায় ছিলেন। ঐ প্রতিযোগিতায় চার খেলার দুইটিতে দলের জয়ে সবিশেষ ভূমিকা রাখেন। প্রতিভাবান অল-রাউন্ডার হিসেবে ওলন্দাজদের বিপক্ষে দূর্দান্ত শতক হাঁকান। ২০০৮ সালে ১৭ বছর বয়সে নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে প্রথমবারের মতো ওডিআইয়ে অভিষেক ঘটে। নিজের ২৩তম জন্মদিন উদযাপনের পূর্বেই পাঁচটি ওডিআই শতক হাঁকিয়েছেন। তন্মধ্যে, দুইটি করেছিলেন পাকিস্তানের বিপক্ষে।
আয়ারল্যান্ডের পক্ষে ওডিআইগুলোয় নিয়মিতভাবে বোলিং করার সুযোগ পেয়েছিলেন। ২০১১ সালের বিশ্বকাপ ক্রিকেট প্রতিযোগিতায় তেমন ভালোমানের খেলা প্রদর্শন করতে পারেননি। তাসত্ত্বেও ব্যাঙ্গালোরে অনুষ্ঠিত খেলায় ইংল্যান্ডের বিপক্ষে নির্ধারিত দশ ওভারের ১/৪৫ বোলিং করে দলের সর্বাপেক্ষা মিতব্যয়ী বোলার ছিলেন ও দলের ৩ উইকেটের বিজয়ে সহায়তা করেন। এরপর, কলকাতায় নেদারল্যান্ডসের বিপক্ষে ১০১ রান তুলে দলের শেষ খেলায় ৬ উইকেটের বিজয়ে সবিশেষ ভূমিকা রাখেন।
বিশ্বকাপের পর পাকিস্তানের বিপক্ষে ওডিআই সিরিজে অংশ নেন। মে, ২০১১ সালে বিখ্যাত ক্রিকেটার ওয়াকার ইউনুসসমৃদ্ধ দলের বিপক্ষে ১০৭ বলে ১০৯ রানের ঝকঝকে ইনিংস উপহার দেন। এর দুই বছর পর একই দলের বিপক্ষে ১০৭ বলে ১০৩ রানের মনোমুগ্ধকর শতরানের ইনিংস খেলেছিলেন। খেলাটি টাইয়ে পরিণত হয়েছিল।
বড় ধরনের খেলায় নিজেকে উন্মোচিত করার আপ্রাণ প্রয়াস চালিয়েছেন। ২০১২ ও ২০১৩ সালে বিশ্ব টি২০ বাছাইপর্বের চূড়ান্ত খেলায় আফগানিস্তানের বিপক্ষে ৩৮ বলে ৭৯ ও ৪৩ বলে ৭৬ রানের ন্যায় বিধ্বংসী ইনিংস খেলেছিলেন। ৫৭০০ রান তুলে ওডিআইয়ে আয়ারল্যান্ডের সর্বোচ্চ রান সংগ্রাহকের অধিকারী।
দীর্ঘদিন ধরে প্রথম-শ্রেণীর ক্রিকেটে অদ্ভূত পরিসংখ্যানের সাথে নিজেকে যুক্ত করে রেখেছেন। মিডলসেক্সের পক্ষে প্রথম-শ্রেণীর ক্রিকেট ও সীমিত-ওভারের ক্রিকেটে অংশ নিয়ে ভারসাম্যহীন খেলছেন। চ্যাম্পিয়নশীপে নিজস্ব প্রথম শতক হাঁকানোর পূর্বে কাউন্টি দলের পক্ষে লাল-বলের খেলায় অংশ নিয়ে ২৭.৭৭ গড়ে রান পেয়েছেন। অথচ, একদিনের ক্রিকেট ৪১.৪৬ গড়ে রান তুলেছেন। ২০১৭ সালে লর্ডসে ইয়র্কশায়ারের বিপক্ষে ঐ শতরানে পেয়েছিলেন। এর অল্প কিছুদিন বাদেই টেমসের অপর প্রান্তে ওভাল থেকে আয়ারল্যান্ড দলের টেস্ট মর্যাদাপ্রাপ্তির সংবাদ আসে। এ প্রসঙ্গে মন্তব্য করেন যে, ‘এটি সময়ের ব্যাপার ছিল ও এ সময় থেকেই আমি আরও ধারাবাহিকতার সাথে রান তুলতে শুরু করি। এক সময় বলা হতো যে, আমি স্বাভাবিক খেলা থেকে দূরে রয়েছি ও আক্রমণাত্মক খেলা উপহার দিচ্ছি না। এ শতকের মাধ্যমে আমি ভারসাম্য রক্ষায় অগ্রসর হয়েছি।’
২০১৭-১৮ মৌসুমে নিজ দেশে সরফরাজ আহমদের নেতৃত্বাধীন পাকিস্তানী দলের মুখোমুখি হন। আয়ারল্যান্ডের ইতিহাসের উদ্বোধনী টেস্টে বয়েড র্যাঙ্কিন বাদে অন্য সকলের সাথে তাঁর একযোগে অভিষেক পর্ব সম্পন্ন হয়। ১১ মে, ২০১৮ তারিখে ডাবলিনের মালাহাইডে অনুষ্ঠিত সফররত পাকিস্তানের বিপক্ষে সিরিজের একমাত্র টেস্টে ০/১১ বোলিং বিশ্লেষণ দাঁড় করান। এছাড়াও, ব্যাট হাতে ১৭ ও ১১ রান সংগ্রহ করতে পেরেছিলেন। পাশাপাশি, তিনটি ক্যাচ তালুবন্দী করেছিলেন। ঐ টেস্টে তাঁর দল ৫ উইকেটের ব্যবধানে পরাজিত হয়েছিল।
আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে মর্যাদা বৃদ্ধি পাবার ফলে ক্লাবের মানের প্রশ্নে আইরিশ কর্তৃপক্ষ অগ্রসর হয়। তবে, কৈশোরকালীন ক্লাব দল ক্লিফটনভিলের সদস্যরূপে আরও একটি শতক হাঁকানোর ফলে কিছুটা অসন্তোষের কবলে পড়েন। ঐ গ্রীষ্মে সাম্প্রতিক সময়ে প্রথম-শ্রেণীর ক্রিকেট খেলায় অভিজ্ঞদেরকে এ স্তরের খেলায় অংশগ্রহণের উপর নিষেধাজ্ঞা প্রদান করা হয়। বোলিং আক্রমণকে তুচ্ছজ্ঞানে স্টার্লিংয়ের ভূমিকায় আরমাগ থেকে বিদ্রুপাত্মক টুইট লেখা হয়। ২০১৮ সালে হংকং সিক্সেস প্রতিযোগিতায় প্রথমবারের মতো আয়ারল্যান্ড দলের অধিনায়কের দায়িত্ব পালন করেন। এছাড়াও, নিয়মিত অধিনায়কের অনুপস্থিতিতে শূন্যতা পূরণে অগ্রসর হন।
আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে সাদা-বলের খেলায় নিয়মিতভাবে খেলতে থাকেন। তাসত্ত্বেও, আয়ারল্যান্ডের টেস্ট মর্যাদাপ্রাপ্তির পর ২০১৯ সালে অপ্রত্যাশিতভাবে খেলার জন্যে আমন্ত্রণ পান। আয়ারল্যান্ড দলে খেলতে থাকলে কাউন্টি ক্রিকেটে বিদেশী খেলোয়াড় হিসেবে পরিগণিত হন। মিডলসেক্সের সাথে চুক্তি নবায়ণ করতে পারতেন তবে, আন্তর্জাতিক ক্রিকেট খেলোয়াড়ী জীবন চলমান রাখার প্রশ্নে হতবিহ্বল হয়ে পড়েন। শেষ পর্যন্ত আন্তর্জাতিক খেলোয়াড়ী জীবন চালিয়ে যাবার দিকেই মনোনিবেশ ঘটান। বেলফাস্টে জন্ম ও ব্রিটিশ পাসপোর্টধারী হওয়া সত্ত্বেও ২০২০ সালের টি২০ ব্ল্যাস্ট প্রতিযোগিতায় নর্দান্টসের দ্বিতীয় বিদেশী খেলোয়াড় হিসেবে স্বল্পমেয়াদী চুক্তিতে স্বাক্ষর করেন।
২০১৯ সালে উইলিয়াম পোর্টারফিল্ডের নেতৃত্বাধীন আইরিশ দলের সদস্যরূপে ইংল্যান্ড গমন করেন। ২৪ জুলাই, ২০১৯ তারিখে লন্ডনের লর্ডসে অনুষ্ঠিত স্বাগতিক ইংল্যান্ডের বিপক্ষে আয়ারল্যান্ডের ইতিহাসের প্রথম ও সিরিজের একমাত্র টেস্টে অংশ নেন। খেলায় তিনি ৩৬ ও ০ রান সংগ্রহসহ একটি ক্যাচ তালুবন্দী করেছিলেন। জ্যাক লিচের অনবদ্য ব্যাটিংশৈলীর কল্যাণে ঐ টেস্টে তাঁর দল ১৪৩ রানে পরাজয়বরণ করেছিল।
২৬ জানুয়ারি, ২০২১ তারিখে আবুধাবিতে অনুষ্ঠিত সিরিজের তৃতীয় ওডিআইয়ে আফগানিস্তানের বিপক্ষে উপর্যুপরী দ্বিতীয় শতক হাঁকান। ২৭ ফেব্রুয়ারি, ২০২১ তারিখে আইরিশ ক্রিকেট পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানে ২০১১ থেকে ২০২০ সময়কালীন প্রমিলা ক্রিকেটার কিম গার্থের সাথে দশকের সেরা খেলোয়াড়ের সম্মাননায় ভূষিত হন। এছাড়াও, ২০২০ সালের বর্ষসেরা খেলোয়াড় হিসেবেও নামাঙ্কিত হন। সংক্ষিপ্ত তালিকায় এড জয়েস, টিম মারতাগ, কেভিন ও’ব্রায়ান ও উইলিয়াম পোর্টারফিল্ডের সাথে তাঁকে রাখা হয়েছিল।
ফেব্রুয়ারি, ২০২৪ সালে অ্যান্ড্রু বালবির্নি’র নেতৃত্বাধীন আয়ারল্যান্ড দলের সদস্যরূপে সংযুক্ত আরব আমিরাত গমন করেন। আফগানিস্তানের বিপক্ষে একমাত্র টেস্টে অংশ নেন। ২৮ ফেব্রুয়ারি, ২০২৪ তারিখে টলারেন্স ওভালে অনুষ্ঠিত ঐ টেস্টে আয়ারল্যান্ডের ইতিহাসের প্রথম টেস্ট জয়ে স্মরণীয় ভূমিকা রাখেন। দুই দলের মধ্যকার সর্বনিম্ন ৭৪৭ রানের খেলায় তিনি ৫২ ও ১৪ রান সংগ্রহ করে দলের ৬ উইকেট বিজয়ে অংশ নেন। তন্মধ্যে, প্রথম ইনিংসে ৬ষ্ঠ উইকেটে লরক্যান টাকারের সাথে ৮০ রানের জুটি গড়ে নতুন রেকর্ড গড়েন। এরফলে, লরক্যান টাকার ও হ্যারি টেক্টরের সংগৃহীত ৭২ রানের জুটি ম্লান হয়ে পড়ে।
২০২৪-২৫ মৌসুমে প্রথমবারের মতো জিম্বাবুয়ের মাটিতে টেস্ট খেলেন। ঐ মৌসুমে অ্যান্ডি বালবির্নি’র নেতৃত্বাধীন আইরিশ দলের সদস্যরূপে জিম্বাবুয়ে সফরে যান। ৬ ফেব্রুয়ারি, ২০২৫ তারিখে বুলাওয়ের কুইন্স স্পোর্টস ওভালে অনুষ্ঠিত স্বাগতিক জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে সিরিজের একমাত্র টেস্টে অংশ নেন। খেলায় তিনি ১০ ও ২১ রান সংগ্রহ করে উভয় ইনিংসে ব্লেসিং মুজারাবানি’র শিকারে পরিণত হন। পাশাপাশি, একটি ক্যাচ তালুবন্দী করেছিলেন। তবে, অ্যান্ডি ম্যাকব্রায়ানের অসাধারণ অল-রাউন্ড ক্রীড়া নৈপুণ্যের কল্যাণে সফরকারীরা ৬৩ রানে জয়লাভ করে।
২০২৫-২৬ মৌসুমে অ্যান্ডি বালবির্নি’র নেতৃত্বাধীন আইরিশ দলের সদস্যরূপে বাংলাদেশ গমন করেন। ১৯ নভেম্বর, ২০২৫ তারিখে ঢাকায় অনুষ্ঠিত স্বাগতিক বাংলাদেশের বিপক্ষে সিরিজের দ্বিতীয় ও চূড়ান্ত টেস্টে অংশ নেন। বাংলাদেশের প্রথম ক্রিকেটার হিসেবে মুশফিকুর রহিমের শততম টেস্টে তিনি ২৭ ও ৯ রান সংগ্রহসহ একটি ক্যাচ তালুবন্দী করেন। মুশফিকুর রহিমের অসাধারণ ব্যাটিংয়ের কল্যাণে খেলায় তাঁর দল ২১৭ রানে জয় পেয়ে ২-০ ব্যবধানে সিরিজে বিজয়ী হয়।
তাঁর পিতা ব্রায়ান আন্তর্জাতিক ক্রীড়াবিদ ছিলেন ও ইন্টারন্যাশনাল রাগবি ফুটবলে রেফারির ভূমিকায় অবতীর্ণ হয়েছিলেন।
