১৯ জানুয়ারি, ২০০৬ তারিখে জন্মগ্রহণকারী ক্রিকেটার। মূলতঃ বোলার হিসেবে দলে ভূমিকা রাখছেন। বামহাতে ফাস্ট-মিডিয়াম বোলিং করেন। পাশাপাশি, নিচেরসারিতে ডানহাতে ব্যাটিংয়ে নেমে থাকেন। জিম্বাবুয়ের পক্ষে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে অংশ নিয়েছেন।
২০২৪-২৫ মৌসুম থেকে প্রথম-শ্রেণীর খেলোয়াড়ী জীবন চলমান রাখছেন। ঘরোয়া আসরের প্রথম-শ্রেণীর জিম্বাবুয়ীয় ক্রিকেটে সাউদার্ন রক্স ও নর্দার্নসের প্রতিনিধিত্ব করেছেন। এছাড়াও, জিম্বাবুয়ে অনূর্ধ্ব-১৯ ও ২৫ দলের পক্ষে খেলেছেন।
২০২৪ সাল থেকে জিম্বাবুয়ের পক্ষে টেস্ট ও ওডিআইয়ে অংশ নিচ্ছেন। ২০২৪-২৫ মৌসুমে নিজ দেশে হাশমতউল্লাহ শাহীদি’র নেতৃত্বাধীন আফগান দলের মুখোমুখি হন। ২৬ ডিসেম্বর, ২০২৪ তারিখে বুলাওয়ের কুইন্স স্পোর্টস ক্লাবে অনুষ্ঠিত সিরিজের উদ্বোধনী টেস্টে অংশ নেন। বেন কারেন ও ট্রেভর গুয়ান্ডো’র সাথে তাঁর একযোগে টেস্ট অভিষেক পর্ব সম্পন্ন হয়। খেলায় তিনি একবার ব্যাটিংয়ে নেমে ২৬ রান সংগ্রহ করেন। এছাড়াও, বল হাতে নিয়ে ১/৮২ বোলিং বিশ্লেষণ দাঁড় করান। প্রতিপক্ষীয় অধিনায়কের অসাধারণ দ্বি-শতকের কল্যাণে খেলাটি ড্রয়ে পরিণত হলে দুই-টেস্ট নিয়ে গড়া সিরিজটি অমিমাংসিত অবস্থায় অগ্রসর হতে থাকে। প্রসঙ্গতঃ, এটিই তাঁর প্রথম-শ্রেণীর ক্রিকেটে প্রথমবারের মতো অংশগ্রহণ ছিল। টেস্ট অভিষেকের পূর্বেই অবশ্য ১৭ ডিসেম্বর, ২০২৪ তারিখে হারারেতে অনুষ্ঠিত সফররত আফগানিস্তানের বিপক্ষে ওডিআইয়ে অংশ নেয়ার মাধ্যমে আন্তর্জাতিক ক্রিকেট অঙ্গনে প্রবেশ করেন।
এরপর, ২ জানুয়ারি, ২০২৫ তারিখে বুলাওয়েতে অনুষ্ঠিত সিরিজের দ্বিতীয় ও চূড়ান্ত টেস্ট খেলেন। খেলায় তিনি ব্যাট হাতে নিয়ে ১১ ও ০ রান সংগ্রহসহ একটি ক্যাচ তালুবন্দী করেছিলেন। এছাড়াও, বল হাতে নিয়ে ৩/৪২ ও ০/৬০ বোলিং বিশ্লেষণ দাঁড় করান। রশীদ খানের অসাধারণ অল-রাউন্ড ক্রীড়া নৈপুণ্যে সফরকারীরা ৭২ রানে জয় তুলে নেয় ও ১-০ ব্যবধানে সিরিজে বিজয়ী হয়।
২০২৬ সালে নিজ দেশে নাজমুল হোসেন শান্ত’র নেতৃত্বাধীন বাংলাদেশী দলের মুখোমুখি হন। ২৮ জুন, ২০২৬ তারিখে হারারেতে অনুষ্ঠিত সফররত বাংলাদেশের বিপক্ষে সিরিজের একমাত্র টেস্টে অংশ নেন। খেলায় তিনি দলের একমাত্র ইনিংসে ব্যাট হাতে নিয়ে তাইজুল ইসলামের বলে শূন্য রানে বিদেয় নিয়েছিলেন। তবে, বল হাতে নিয়ে ৪/৬১ ও /২৮ বোলিং বিশ্লেষণ দাঁড় করান। ইনোসেন্ট কাইয়া’র অসাধারণ শতকের কল্যাণে স্বাগতিকরা ইনিংস ও ৮৫ রানে জয় তুলে নেয়।
