|

মার্ক প্রিস্ট

১২ আগস্ট, ১৯৬১ তারিখে ওয়েস্ট কোস্টের গ্রেমাউথ এলাকায় জন্মগ্রহণকারী ক্রিকেটার। মূলতঃ বোলার হিসেবে দলে ভূমিকা রেখেছিলেন। স্লো লেফট-আর্ম অর্থোডক্স বোলিং করতেন। এছাড়াও, বামহাতে নিচেরসারিতে ব্যাটিংয়ে নামতেন। ১৯৯০-এর দশকে নিউজিল্যান্ডের পক্ষে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে অংশ নিয়েছেন।

‘পোপে’ ডাকনামে পরিচিতি লাভ করেন। ১৯৮৪-৮৫ মৌসুম থেকে ১৯৯৮-৯৯ মৌসুম পর্যন্ত প্রথম-শ্রেণীর খেলোয়াড়ী জীবন চলমান রাখেন। ঘরোয়া আসরের নিউজিল্যান্ডীয় ক্রিকেটে ক্যান্টারবারির প্রতিনিধিত্ব করেছেন। এ রাজ্যের অপর বিখ্যাত বোলার স্যার রিচার্ড হ্যাডলি’র তুলনায় অধিকসংখ্যক উইকেট সংগ্রহ করেছিলেন। কিন্তু, আন্তর্জাতিক অঙ্গনে এ ধারার পুণরাবৃত্তি ঘটাতে পারেননি। নিউজিল্যান্ডের পক্ষে তিন টেস্টে অংশ নিয়ে সাধারণমানের সফলতা পান। কিন্তু, প্রথম-শ্রেণীর ক্রিকেটে ৩১.৮৪ গড়ে ৩২৯ উইকেট দখল করেছিলেন। তন্মধ্যে, ব্যক্তিগত সেরা করেন ৯/৯৫। এছাড়াও, কার্যকরী ব্যাটসম্যান হিসেবে চারটি প্রথম-শ্রেণীর শতরান হাঁকান ও ৩০.৫৮ গড়ে রান পেয়েছেন।

১৯৯০ থেকে ১৯৯৮ সময়কালে নিউজিল্যান্ডের পক্ষে তিনটিমাত্র টেস্ট ও আঠারোটি ওডিআইয়ে অংশগ্রহণ করেছিলেন। দীর্ঘ আট সময় নিয়ে খেলোয়াড়ী জীবনে এ টেস্টগুলো খেলেছিলেন। ১৯৯০ সালে জন রাইটের নেতৃত্বাধীন কিউই দলের সদস্যরূপে ইংল্যান্ড সফরে যান। ৭ জুন, ১৯৯০ তারিখে নটিংহামে অনুষ্ঠিত স্বাগতিক ইংল্যান্ডের বিপক্ষে সিরিজের উদ্বোধনী টেস্টে তাঁর অভিষেক পর্ব সম্পন্ন হয়। খেলায় তিনি একবার ব্যাটিংয়ে নেমে ২৬ রান সংগ্রহ করেছিলেন। এছাড়াও, বল হাতে নিয়ে ১/২৬ বোলিং বিশ্লেষণ দাঁড় করান। মাইক অ্যাথার্টনের অসাধারণ ব্যাটিংশৈলীর কল্যাণে খেলাটি ড্রয়ের দিকে গড়ালে তিন-টেস্ট নিয়ে গড়া সিরিজটি অমিমাংসিত অবস্থায় অগ্রসর হতে থাকে।

১৯৯৮ সালে স্টিফেন ফ্লেমিংয়ের নেতৃত্বাধীন কিউই দলের সদস্যরূপে শ্রীলঙ্কা গমন করেন। ১০ জুন, ১৯৯৮ তারিখে কলম্বোর এসএসসিতে অনুষ্ঠিত সিরিজের তৃতীয় ও চূড়ান্ত টেস্টে অংশ নেন। খেলায় তিনি ০/৩৫ ও ২/৪২ বোলিং বিশ্লেষণ দাঁড় করান। এছাড়াও, ব্যাট হাতে নিয়ে ১২ ও ২ রান সংগ্রহ করেছিলেন। রমেশ কালুবিতরানা’র ব্যাটিং নৈপুণ্যে স্বাগতিকরা ১৬৪ রানে জয় পেলে ২-১ ব্যবধানে সিরিজে বিজয়ী হয়। প্রসঙ্গতঃ টেস্টের ইতিহাসে পঞ্চম ঘটনা হিসেবে কোন দল প্রথম টেস্টে পরাজিত হলেও তিন-টেস্ট নিয়ে গড়া সিরিজ জয় করে নেয়। পূর্ববর্তী চার মৌসুমে এটি চতুর্থ ঘটনা ছিল ও প্রথম দল হিসেবে শ্রীলঙ্কা দুইবার এ কৃতিত্ব প্রদর্শন করে। এছাড়াও, নিউজিল্যান্ড প্রথম দল হিসেবে প্রথম টেস্ট জয়ের পর তিন-টেস্ট নিয়ে গড়া সিরিজে দুইবার পরাজয়বরণ করে। পরবর্তীতে, এটিই তাঁর সর্বশেষ টেস্টে পরিণত হয়।

সম্পৃক্ত পোস্ট