১৪ এপ্রিল, ১৯০৫ তারিখে বার্বাডোসের স্টাদক্লাইড এলাকায় জন্মগ্রহণকারী ক্রিকেটার ছিলেন। মূলতঃ উদ্বোধনী ব্যাটসম্যান হিসেবে খেলতেন। ডানহাতে ব্যাটিংয়ের পাশাপাশি ডানহাতে মিডিয়াম বোলিং করতেন। ১৯৩০-এর দশকে ওয়েস্ট ইন্ডিজের পক্ষে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে অংশ নিয়েছিলেন।

হ্যারিসন কলেজে অধ্যয়নকালে ব্যাটিংয়ে পারদর্শী হয়ে উঠেন ও সর্বদাই দৃষ্টিনন্দন ছিল। ঘরোয়া আসরের প্রথম-শ্রেণীর ওয়েস্ট ইন্ডিয়ান ক্রিকেটে ত্রিনিদাদ ও বার্বাডোস দলের শীর্ষসারির ব্যাটসম্যান হিসেবে প্রতিনিধিত্ব করেছেন। এছাড়াও, ব্রিটিশ গায়ানার পক্ষে খেলেছেন। ১৯২৪-২৫ মৌসুম থেকে ১৯৪৪-৪৫ মৌসুম পর্যন্ত প্রথম-শ্রেণীর খেলোয়াড়ী জীবন অতিবাহিত করেছেন। ১৯২৯ সালে ত্রিনিদাদের সদস্যরূপে ব্রিটিশ গায়ানার বিপক্ষে ২৫৩ রান তুলে সকলের নজর কাড়েন।

১৯৩০-৩১ মৌসুমে ওয়েস্ট ইন্ডিজের পক্ষে চারটিমাত্র টেস্টে অংশগ্রহণ করেছিলেন। সবগুলোই অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে খেলেছিলেন। এ মৌসুমে ওয়েস্ট ইন্ডিজ দল প্রথমবারের মতো অস্ট্রেলিয়া সফর করে। জ্যাকি গ্র্যান্টের নেতৃত্বাধীন ক্যারিবীয় দলে তিনি সহঃঅধিনায়কের দায়িত্বপ্রাপ্ত হয়েছিলেন। ১২ ডিসেম্বর, ১৯৩০ তারিখে অ্যাডিলেডে অনুষ্ঠিত স্বাগতিক অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে সিরিজের উদ্বোধনী টেস্টে অংশ নেন। দলীয় অধিনায়ক জ্যাকি গ্র্যান্টের সাথে তাঁর একযোগে টেস্ট অভিষেক পর্ব সম্পন্ন হয়। অভিষেক টেস্ট ইনিংসে ৯১ রান তুলে নেন। তন্মধ্যে, দ্বিতীয় ইনিংসে ব্যক্তিগত সেরা ৬৪ রানের ইনিংস খেলেন। ১০ উইকেটে পরাজিত হলে সফরকারীরা পাঁচ-টেস্ট নিয়ে গড়া সিরিজে পিছিয়ে পড়ে। তবে, পরের তিন টেস্টে তাঁর খেলার মান ক্রমশঃ নিচেরদিকে চলে যেতে থাকে।

একই সফরের ১৩ ফেব্রুয়ারি, ১৯৩১ তারিখে মেলবোর্নে অনুষ্ঠিত সিরিজের চতুর্থ টেস্ট খেলেন। খেলায় তিনি ০ ও ১৩ রান সংগ্রহ করে উভয় ইনিংসে বার্ট আয়রনমোঙ্গারের শিকারে পরিণত হয়েছিলেন। পাশাপাশি, দুইটি ক্যাচ তালুবন্দী করেছিলেন। এছাড়াও, বল হাতে নিয়ে ০/১২ বোলিং বিশ্লেষণ দাঁড় করান। সফরকারীরা ইনিংস ও ১২২ রানে পরাজিত হলে ৪-০ ব্যবধানে সিরিজে পিছিয়ে পড়ে। পরবর্তীকালে, এটিই তাঁর সর্বশেষ টেস্টে পরিণত হয়। বিস্ময়করভাবে সিরিজের পঞ্চম ও চূড়ান্ত টেস্টে বাদ পড়লেও ওয়েস্ট ইন্ডিজ দল জয়লাভ করেছিল।

অস্ট্রেলিয়া সফরের পর ১৯৩৭ সালের পূর্ব পর্যন্ত আর খেলেননি। ২০ বছরের অধিক সময় নিয়ে ২৬টি প্রথম-শ্রেণীর খেলায় অংশ নিয়েছিলেন। ক্রিকেটের পাশাপাশি চিনির ব্যবসায় জড়িত ছিলেন।

১৬ জানুয়ারি, ১৯৯৮ তারিখে বার্বাডোসের সেন্ট জেমস এলাকায় ৯২ বছর ২৭৭ দিন বয়সে তাঁর দেহাবসান ঘটে। মৃত্যু পূর্ব পর্যন্ত তিনি বয়োজ্যেষ্ঠ জীবিত টেস্ট ক্রিকেটারের সম্মাননাপ্রাপ্ত হন। পরবর্তীতে, ইংল্যান্ডের আল্ফ গোভার এ সম্মাননার অধিকারী হন।

সম্পৃক্ত পোস্ট