৫ জুন, ১৯০৬ তারিখে কেপ প্রভিন্সের ওয়েনবার্গ এলাকায় জন্মগ্রহণকারী ক্রিকেটার ছিলেন। মূলতঃ বোলার হিসেবে দলে ভূমিকা রেখে গেছেন। ডানহাতে স্লো বোলিং করতেন। এছাড়াও, ডানহাতে নিচেরসারিতে ব্যাটিংয়ে নামতেন। ১৯৩০-এর দশকে দক্ষিণ আফ্রিকার পক্ষে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে অংশ নিয়েছিলেন।
ঘরোয়া আসরের প্রথম-শ্রেণীর দক্ষিণ আফ্রিকান ক্রিকেটে ওয়েস্টার্ন প্রভিন্সের প্রতিনিধিত্ব করেছেন। ১৯৩১-৩২ মৌসুম থেকে ১৯৩৬-৩৭ মৌসুম পর্যন্ত সময়কালে প্রথম-শ্রেণীর খেলোয়াড়ী জীবন অতিবাহিত করেছেন। ১৯৩৫-৩৬ মৌসুমে সফররত অস্ট্রেলীয় একাদশের বিপক্ষে ওয়েস্টার্ন প্রভিন্সের সদস্যরূপে ৮/৯৬ লাভ করেন। ফলশ্রুতিতে, টেস্ট দলে তাঁকে ঠাঁই দেয়া হয়। সবগুলো প্রথম-শ্রেণীর খেলা থেকে ২৪.২০ গড়ে ৬৫ উইকেট দখল করেন।
১৯৩৫ থেকে ১৯৩৬ সাল পর্যন্ত সময়কালে দক্ষিণ আফ্রিকার পক্ষে তিনটিমাত্র টেস্টে অংশগ্রহণের সুযোগ পেয়েছিলেন। সবগুলো টেস্টই অস্ট্রেলিয়া দলের বিপক্ষে খেলেছিলেন। ১৯৩৫-৩৬ মৌসুমে নিজ দেশে ভিক রিচার্ডসনের নেতৃত্বাধীন অজি দলের মুখোমুখি হন। ১৪ ডিসেম্বর, ১৯৩৫ তারিখে ডারবানে অনুষ্ঠিত সফররত অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে সিরিজের উদ্বোধনী টেস্টে অংশ নেন। নিপার নিকোলসনের সাথে তাঁর একযোগে টেস্ট অভিষেক পর্ব সম্পন্ন হয়। খেলায় তিনি উভয় ইনিংসে ৯ রান করে উভয় ক্ষেত্রে বিল ও’রিলি’র শিকারে পরিণত হয়েছিলেন। এছাড়াও, বল হাতে নিয়ে ৩/১৪৩ ও ০/২৪ বোলিং বিশ্লেষণ দাঁড় করান। ৯ উইকেটে পরাজয়বরণ করলে স্বাগতিকরা পাঁচ-টেস্ট নিয়ে গড়া সিরিজে পিছিয়ে পড়ে।
এরপর, ২৪ ডিসেম্বর, ১৯৩৫ তারিখে কেপটাউনে অনুষ্ঠিত সিরিজের দ্বিতীয় টেস্ট খেলেন। খেলায় তিনি ১৭ ও ৩ রান সংগ্রহ করেছিলেন। পাশাপাশি, একটি ক্যাচ তালুবন্দীকরণে অগ্রসর হন। এছাড়াও, বল হাতে নিয়ে ১/৩৮ ও ০/৪১ বোলিং বিশ্লেষণ দাঁড় করান। ইনিংস ও ৭৮ রানে জয় পেলে সফরকারীরা ২-০ ব্যবধানে এগিয়ে যায়। খেলাটি ড্রয়ে পরিণত হলে সফরকারীরা পাঁচ-টেস্ট নিয়ে গড়া সিরিজে ১-০ ব্যবধানে এগিয়ে যায়।
একই সফরের ১ জানুয়ারি, ১৯৩৬ তারিখে কেপটাউনে অনুষ্ঠিত সিরিজের তৃতীয় টেস্ট খেলেন। খেলায় তিনি ১ ও ১২* রান সংগ্রহ করেছিলেন। এছাড়াও, বল হাতে নিয়ে ২/৭৫ বোলিং বিশ্লেষণ দাঁড় করান। ইনিংস ও ৭৮ রানে জয় পেলে সফরকারীরা ২-০ ব্যবধানে এগিয়ে যায়। পরবর্তীকালে, এটিই তাঁর সর্বশেষ টেস্টে পরিণত হয়। সবমিলিয়ে টেস্টগুলোয় ৫৩.৫০ গড়ে ছয় উইকেট দখল করেছিলেন।
৫ জুলাই, ১৯৮৫ তারিখে কেপ প্রভিন্সের কেপটাউনে ৭৯ বছর ৩০ দিন বয়সে তাঁর দেহাবসান ঘটে।
