২৮ ফেব্রুয়ারি, ১৯৪৬ তারিখে অকল্যান্ডে জন্মগ্রহণকারী ক্রিকেটার। মূলতঃ ব্যাটসম্যান হিসেবে খেলতেন। বামহাতে ব্যাটিং করতেন। পাশাপাশি, লেগ-ব্রেক বোলিংয়ে পারদর্শী ছিলেন। নিউজিল্যান্ডের পক্ষে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে অংশ নিয়েছেন।
বামহাতে ব্যাট করে শট খেলতেন, লেগ-স্পিন বোলিংয়ে সফলতাপ্রাপ্তির পাশাপাশি বৈচিত্র্যময় বোলিংয়ে উপর পরীক্ষা-নিরীক্ষা চালাতেন। এছাড়াও, সীমানা ঘেষা এলাকায় ফিল্ডিংয়ে দক্ষতার বহিঃপ্রকাশ ঘটিয়েছেন। তবে, নিজেকে কখনো কোন খেলায় প্রভূত্ব দেখাতে পারেননি। উচ্চ স্তরের ক্রিকেটেও এর ব্যতিক্রম ছিল না। ১৯৬৪-৬৫ মৌসুম থেকে ১৯৭৮-৭৯ মৌসুম পর্যন্ত প্রথম-শ্রেণীর খেলোয়াড়ী জীবন চলমান রাখেন। ঘরোয়া আসরের প্রথম-শ্রেণীর নিউজিল্যান্ডীয় ক্রিকেটে অকল্যান্ড দলের প্রতিনিধিত্ব করেছেন।
১৯৬৫ থেকে ১৯৭৩ সময়কালে নিউজিল্যান্ডের পক্ষে পাঁচটিমাত্র টেস্ট ও একটিমাত্র ওডিআইয়ে অংশগ্রহণের সুযোগ পেয়েছিলেন। ১৯৬৪-৬৫ মৌসুমে জন রিডের নেতৃত্বাধীন কিউই দলের সাথে ভারত অভিমুখে যাত্রা করেন। ৫ মার্চ, ১৯৬৫ তারিখে কলকাতার ইডেন গার্ডেন্সে অনুষ্ঠিত সিরিজের দ্বিতীয় টেস্টে অংশ নেন। ব্রুস টেলরের সাথে তাঁর একযোগে টেস্ট অভিষেক পর্ব সম্পন্ন হয়। স্মর্তব্য যে, এটিই প্রথম-শ্রেণীর ক্রিকেটে তাঁর প্রথম অংশগ্রহণ ছিল। এ সফরের পূর্বে যাচাই-বাছাইয়ের খেলায় দারুণ খেলে দলের সদস্যরূপে অন্তর্ভুক্ত হয়েছিলেন। দ্বিতীয় ইনিংসে ৪৩ রান তুলে নিউজিল্যান্ডের সর্বোচ্চ রান সংগ্রাহকে পরিণত হন। পরবর্তীতে এটিই তাঁর সর্বোচ্চ টেস্ট রানে পরিণত হয়। অবশ্য, প্রথম ইনিংসে ১ রান সংগ্রহ করতে পেরেছিলেন। এছাড়াও, ঐ খেলা থেকে সেলিম দুরানি’র উইকেট পান। খেলায় তিনি ০/৩৭ ও ১/১৪ বোলিং বিশ্লেষণ দাঁড় করান। অংশগ্রহণকৃত পাঁচ টেস্টে এটিই তাঁর একমাত্র উইকেট লাভ ছিল। খেলাটি ড্রয়ে পরিণত হলে চার-টেস্ট নিয়ে গড়া সিরিজটি অমিমাংসিত অবস্থায় অগ্রসর হতে থাকে।
১৯৬৫ সালে ইংল্যান্ড গমন করেন। তবে, পিচে বেশ হিমশিম খান। ১৯৭১-৭২ মৌসুমে গ্রাহাম ডাউলিংয়ের নেতৃত্বাধীন কিউই দলের অন্যতম সদস্যরূপে ক্যারিবীয় দ্বীপপুঞ্জ সফরে যান। এ সফরে তাঁর ফিল্ডিং ভূয়সী প্রশংসা পেয়েছিল। কিন্তু, এবারও ব্যাট কিংবা বল হাতে ব্যর্থতার পরিচয় দেন। ২০ এপ্রিল, ১৯৭২ তারিখে পোর্ট অব স্পেনে অনুষ্ঠিত সিরিজের চূড়ান্ত ও পঞ্চম টেস্টে অংশ নেন। ২৪ ও ৪ রান সংগ্রহসহ একটি ক্যাচ তালুবন্দী করেছিলেন। অবশ্য, খেলাটি ড্রয়ের দিকে গড়ালে সিরিজটি ফলাফলবিহীন অবস্থায় শেষ হয়। পরবর্তীতে, এটিই তাঁর সর্বশেষ টেস্টে পরিণত হয়।
১৯৭৯ সালে ক্রিকেট খেলা থেকে অবসর গ্রহণ করেন। চোখের সমস্যার কারণে এ সিদ্ধান্ত নিতে বাধ্য হন। পরবর্তীকালে নিউজিল্যান্ডে শীর্ষস্থানীয় কৃত্রিম টার্ফ সরবরাহকারীর ভূমিকায় অবতীর্ণ হন। পিতা গিফ ভিভিয়ান ১৯৩০-এর দশকে নিউজিল্যান্ডের পক্ষে সাত টেস্টে অংশ নিয়েছিলেন।
