৯ মার্চ, ১৯০৪ তারিখে ত্রিনিদাদের পোর্ট অব স্পেনে জন্মগ্রহণকারী ক্রিকেটার ছিলেন। মূলতঃ বোলার হিসেবে দলে ভূমিকা রেখে গেছেন। ডানহাতে মিডিয়াম বোলিং করতেন। এছাড়াও, ডানহাতে নিচেরসারিতে কার্যকরী ব্যাটিংশৈলী প্রদর্শন করেছেন। ১৯৩০-এর দশকে ওয়েস্ট ইন্ডিজের পক্ষে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে অংশ নিয়েছেন।
ঘরোয়া আসরের প্রথম-শ্রেণীর ওয়েস্ট ইন্ডিয়ান ক্রিকেটে ত্রিনিদাদ ও টোবাগোর প্রতিনিধিত্ব করেছেন। ১৯২৩-২৪ মৌসুম থেকে ১৯৩০-৩১ মৌসুম পর্যন্ত সময়কালে প্রথম-শ্রেণীর খেলোয়াড়ী জীবন অতিবাহিত করেছেন। তন্মধ্যে, আন্তঃ-ঔপনিবেশিক প্রতিযোগিতার চূড়ান্ত খেলায় ৬৭ ও ৬/১১৭ লাভ করে স্বীয় শক্তিমত্তার পরিচয় দেন। পরবর্তীতে, এগুলোই তাঁর ব্যক্তিগত সেরা সংগ্রহ ও সেরা বোলিংয়ে পরিণত হয়। এরফলে, ইংল্যান্ডের বিপক্ষে খেলার জন্যে ওয়েস্ট ইন্ডিজের সদস্যরূপে অন্তর্ভুক্ত হন।
১৯৩০ সালে ওয়েস্ট ইন্ডিজের পক্ষে দুইটিমাত্র টেস্টে অংশগ্রহণের সুযোগ পেয়েছিলেন। উভয়ক্ষেত্রেই প্রতিপক্ষ ছিল ইংল্যান্ড দল। তবে, কোন খেলাতেই সুবিধে করতে পারেননি। ১৯২৯-৩০ মৌসুমে নিজ দেশে ফ্রেডি ক্যালথর্পের নেতৃত্বাধীন এমসিসি দলের মুখোমুখি হন। ১১ জানুয়ারি, ১৯৩০ তারিখে ব্রিজটাউনে অনুষ্ঠিত সফররত ইংল্যান্ডের বিপক্ষে সিরিজের উদ্বোধনী টেস্টে অংশ নেন। এরল হান্ট, ফ্রাঙ্ক ডি কেয়ার্স, জর্জ হ্যাডলি, ডেরেক সিলি ও লেসলি ওয়ালকটের সাথে তাঁর একযোগে টেস্ট অভিষেক পর্ব সম্পন্ন হয়। খেলায় তিনি বল হাতে নিয়ে ২/১১০ ও ০/২৪ বোলিং বিশ্লেষণ দাঁড় করান। এছাড়াও, ০ ও ১২ রান সংগ্রহ করে উভয় ইনিংসে গ্রেভিল স্টিভেন্সের শিকারে পরিণত হয়েছিলেন। খেলাটি ড্রয়ের দিকে গড়ালে চার-টেস্ট নিয়ে গড়া সিরিজটি অমিমাংসিত অবস্থায় অগ্রসর হতে থাকে।
একই সফরের ২১ ফেব্রুয়ারি, ১৯৩০ তারিখে জর্জটাউনে অনুষ্ঠিত সিরিজের তৃতীয় টেস্ট খেলেন। এ টেস্টের প্রথম ইনিংসে এগারো নম্বর অবস্থানে ও দ্বিতীয় ইনিংসে পাঁচ নম্বর অবস্থানে ব্যাটিংয়ে নেমেছিলেন। খেলায় তিনি উভয় ইনিংসে ৩ রান করে সংগ্রহ করেছিলেন। এছাড়াও, বল হাতে নিয়ে ০/২৬ ও ১/৬১ বোলিং বিশ্লেষণ দাঁড় করান। ২৮৯ রানে জয় পেয়ে স্বাগতিকরা চার-টেস্ট নিয়ে গড়া সিরিজে সমতা আনয়ণে সক্ষমতা দেখায়। পরবর্তীকালে, এটিই তাঁর সর্বশেষ টেস্টে পরিণত হয়।
১৯৩০-৩১ মৌসুমে অস্ট্রেলিয়া গমনার্থে তাঁকে দলে ঠাঁই দেয়া হয়। এ সফরের চারটি প্রস্তুতিমূলক খেলায় অংশ নিয়ে ২৯.৮১ গড়ে ১৬ উইকেট পান। তবে, ব্যাট হাতে ৩.২০ গড়ে মাত্র ১৬ রান সংগ্রহ করতে পেরেছিলেন। এ সফর শেষে ক্যারিবীয় দ্বীপপুঞ্জে ফিরে আর কোন খেলায় অংশগ্রহণ করেননি। সব মিলিয়ে তিনি সাধারণমানের নিচেরসারির ব্যাটসম্যান ও কার্যকর মিডিয়াম-পেসার হিসেবে ভূমিকা রেখেছিলেন। লোয়ারহাউজ ক্রিকেট ক্লাবের পক্ষে ১৯৩১ থেকে ১৯৩৩ সময়কালে খেলেছিলেন।
২১ মে, ১৯৫৭ তারিখে ইংল্যান্ডের উইদিংটন এলাকায় ৫৩ বছর ৭৩ দিন বয়সে তাঁর দেহাবসান ঘটে।
