১৫ জুন, ১৯২৪ তারিখে তৎকালীন ব্রিটিশ ভারতের মহারাষ্ট্রের বোম্বেতে জন্মগ্রহণকারী ক্রিকেটার ও প্রশাসক ছিলেন। মূলতঃ অল-রাউন্ডার ছিলেন। ডানহাতে অফ-ব্রেক বোলিং করতেন। এছাড়াও, ডানহাতে কার্যকর ব্যাটিংশৈলী প্রদর্শন করতেন। ১৯৫০-এর দশকে পাকিস্তানের পক্ষে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে অংশ নিয়েছিলেন।

পাকিস্তানের ক্রিকেটের ইতিহাসের শুরুরদিকের টেস্ট খেলোয়াড় ছিলেন। ১৯৪২-৪৩ মৌসুম থেকে ১৯৫৪-৫৫ মৌসুম পর্যন্ত সময়কালে প্রথম-শ্রেণীর খেলোয়াড়ী জীবন অতিবাহিত করেছেন। মহারাষ্ট্র, মুসলিম ও সার্ভিসেসের প্রতিনিধিত্ব করেছেন। ভারত বিভাজনের পূর্বে মহারাষ্ট্রের পক্ষে খেলেছিলেন। ১৯৫৩-৫৪ মৌসুমে করাচীতে সার্ভিসেস দলের সদস্যরূপে প্রথম-শ্রেণীর ক্রিকেটে ব্যক্তিগত সর্বোচ্চ ১৬০ রান তুলেন। পরের মৌসুমে লাহোরে অনুষ্ঠিত খেলায় পাঞ্জাবের বিপক্ষে ব্যক্তিগত সেরা ৫/২৮ বোলিং পরিসংখ্যান দাঁড় করান।

১৯৫৪ সালে পাকিস্তানের পক্ষে দুইটিমাত্র টেস্টে অংশগ্রহণের সুযোগ পেয়েছিলেন। ঐ বছর আব্দুল কারদারের নেতৃত্বাধীন পাকিস্তানের প্রথম ইংল্যান্ডে পূর্ণাঙ্গ সফরে ঐ টেস্টগুলোয় অংশ নেয়ার সুযোগ পান। ১ জুলাই, ১৯৫৪ তারিখে নটিংহামের ট্রেন্ট ব্রিজে অনুষ্ঠিত সিরিজের দ্বিতীয় টেস্টে অংশ নেন। আসলাম খোখরখালিদ হাসানের সাথে তাঁর একযোগে টেস্ট অভিষেক পর্ব সম্পন্ন হয়। অভিষেক ঘটা টেস্টে ১৮ ও ১৪ রান তুলতে সমর্থ হন। স্বাগতিকরা ইনিংস ও ১২৯ রানে জয় পেলে চার-টেস্ট নিয়ে গড়া সিরিজে ১-০ ব্যবধানে এগিয়ে যায়।

তবে, ২২ জুলাই, ১৯৫৪ তারিখে ম্যানচেস্টারের ওল্ড ট্রাফোর্ডে অনুষ্ঠিত সিরিজের তৃতীয় টেস্টে ক্রিকেটের ইতিহাসে দ্রুততম জোড়া শূন্য লাভ করেন। দুই ঘণ্টার ব্যবধানে অগৌরবজনক রেকর্ডের অধিকারী হন। খেলাটি ড্রয়ের দিকে গড়ালে স্বাগতিকরা ১-০ ব্যবধানে এগিয়ে যায়। সব মিলিয়ে ঐ সফরে ২৮.৬১ গড়ে ৬০১ রান ও ৩৯.৬৪ গড়ে ১৭ উইকেট দখল করেছিলেন। এছাড়াও, পূর্ববর্তী বছরে শক্তিশালী পাকিস্তান ঈগলেটস দলের সদস্যরূপে ইংল্যান্ড সফর করেছিলেন। এরপর, আর তাঁকে পাকিস্তানের পক্ষে খেলতে দেখা যায়নি।

ক্রিকেট থেকে অবসর গ্রহণের পর প্রশাসকের দায়িত্বে ছিলেন। ১৯৭২-৭৩ মৌসুমে অস্ট্রেলিয়া সফরে পাকিস্তান দলের ব্যবস্থাপকের দায়িত্ব পালন করেন। এ সময়ে পাকিস্তান বিমান বাহিনীর উইং কমান্ডার হিসেবে নিযুক্ত ছিলেন। ২৬ এপ্রিল, ২০০৩ তারিখে করাচীতে ৭৮ বছর ৩১৫ দিন বয়সে তাঁর দেহাবসান ঘটে।

সম্পৃক্ত পোস্ট