৭ এপ্রিল, ১৯৪৩ তারিখে ওয়ারউইকশায়ারের বার্মিংহামের হারবোর্ন এলাকায় জন্মগ্রহণকারী বিখ্যাত ক্রিকেটার ও প্রশাসক। মূলতঃ ব্যাটসম্যান হিসেবে দলে চমৎকার ভূমিকা রেখে গেছেন। ডানহাতে ব্যাটিং করতেন। ইংল্যান্ডের পক্ষে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে অংশ নিয়েছিলেন।
বেশ নম্রচিত্তের অধিকারী। মূলতঃ সামনের পায়ে ও হাতের সামনের অংশে ভর রেখে খেলতেন। মিড-উইকেট ও ফাইন লেগ অঞ্চল দিয়ে ফ্লিক মেরে রান তুলতে অধিকতর স্বাচ্ছন্দ্যবোধ করতেন। দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ পরবর্তী সময়কালে ইংল্যান্ডের অন্যতম সফলতম ব্যাটসম্যানের মর্যাদা পেয়েছেন। এছাড়াও, প্রথম ব্যাটসম্যান হিসেবে আত্মরক্ষামূলক হেলমেট পরিধান করেছিলেন।
‘স্যাকার’ ডাকনামে পরিচিত ডেনিস অ্যামিস ৫ ফুট ১১ ইঞ্চি উচ্চতার অধিকারী। ১৯৬০ থেকে ১৯৮৭ সময়কালে প্রথম-শ্রেণী খেলোয়াড়ী জীবন চলমান রাখেন। ১৯৬০ সাল থেকে ঘরোয়া প্রথম-শ্রেণীর ইংরেজ কাউন্টি ক্রিকেটে ওয়ারউইকশায়ারের প্রতিনিধিত্ব করেছেন। ২৭ বছরের প্রথম-শ্রেণীর খেলোয়াড়ী জীবনে চল্লিশ হাজারের অধিক রান পেয়েছেন। ১৯৭৬ সালে ওয়ারউইকশায়ারের পক্ষে স্বর্ণালী মৌসুম অতিবাহিত করেন। ৬৫.৯৩ গড়ে ২১১০ রান সংগ্রহ করেছিলেন। ১৯৭৮ সালে ওরচেস্টারশায়ার ও ১৯৮১ সালে ডার্বিশায়ারের বিপক্ষে উভয় ইনিংস শতরান করেন। ১৯৮৩ সালের জুলাই মাসে এম. জে. কে. স্মিথের সর্বমোট সংগৃহীত ২৭৬৭২ রানকে টপকে যান ও কাউন্টি দলের দ্বিতীয় ব্যক্তিগত সর্বমোট রান সংগ্রাহকের মর্যাদাপ্রাপ্ত হন।
১৯৬৬ থেকে ১৯৭৭ সময়কালে সব মিলিয়ে ইংল্যান্ডের পক্ষে ৫০ টেস্ট ও ১৮টি ওডিআইয়ে অংশ নিয়েছেন। ১৯৬৬ সালে প্রথমবারের মতো ইংল্যান্ডের পক্ষে খেলার সুযোগ পান। ঐ বছর নিজ দেশে গ্যারি সোবার্সের নেতৃত্বাধীন ক্যারিবীয় দলের মুখোমুখি হন। ১৮ আগস্ট, ১৯৬৬ তারিখে লন্ডনের ওভালে অনুষ্ঠিত সফররত ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে সিরিজের পঞ্চম ও চূড়ান্ত টেস্টে তাঁর অভিষেক পর্ব সম্পন্ন হয়। এ পর্যায়ে মাঝারিসারির ব্যাটসম্যান হিসেবে খেলতেন। খেলায় তিনি দলের একমাত্র ইনিংসে ১৭ রান সংগ্রহ করেছিলেন। স্বাগতিকরা ইনিংস ও ৩৪ রানে জয় পেলেও ৩-১ ব্যবধানে সিরিজ খোঁয়ায়।
১৯৭২ সালে ওয়ারউইকশায়ারের পক্ষে ইনিংস উদ্বোধনের জন্যে আমন্ত্রণ পান। ফলশ্রুতিতে, ইংল্যান্ডের পক্ষেও একই অবস্থানে ব্যাটিংয়ে নামার সুযোগ পান। এরপর থেকে দলে স্থায়ীভাবে খেলতে থাকেন।
১৯৭২-৭৩ মৌসুমে পাকিস্তান সফরে উপর্যুপরী টেস্টে শতক হাঁকানোর পর ৯৯ রানে বিদেয় নিয়েছিলেন।
১৯৭৩ সালে নিজ দেশে বেভান কংডনের নেতৃত্বাধীন কিউই দলের মুখোমুখি হন। ৭ জুন, ১৯৭৩ তারিখে নটিংহামে অনুষ্ঠিত সফররত নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে সিরিজের উদ্বোধনী টেস্টে অংশ নেন। খেলায় তিনি ৪২ ও ১৩৮* রান সংগ্রহ করেছিলেন। স্বাগতিকরা ৩৮ রানে জয় পেলে তিন-টেস্ট নিয়ে গড়া সিরিজে এগিয়ে যায়।
একই সফরের ৫ জুলাই, ১৯৭৩ তারিখে লিডসে অনুষ্ঠিত সিরিজের তৃতীয় ও চূড়ান্ত টেস্টে অংশ নেন। ব্যক্তিগত সাফল্যের ছাঁপ রাখেন। প্রথম ইনিংসে ৪ রানে পৌঁছানোকালে ১০০০ রানের মাইলফলক স্পর্শ করেন। খেলায় তিনি দলের একমাত্র ইনিংসে ৮ রান সংগ্রহ করেছিলেন। খেলায় সফরকারী ইনিংস ও ১ রানে পরাজিত হলে ২-০ ব্যবধানে সিরিজ খোঁয়ায়।
পরের শীতে ১৯৭৩-৭৪ মৌসুমে ক্যারিবীয় দ্বীপপুঞ্জ গমন করেন। কিংস্টনে অনুষ্ঠিত টেস্টে স্বাগতিক ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে ব্যক্তিগত সর্বোচ্চ অপরাজিত ২৬২ রান তুলেছিলেন। ফেব্রুয়ারি, ১৯৭৪ সালের ঐ টেস্টে দীর্ঘ সাড়ে নয় ঘণ্টা ক্রিজে অবস্থান করে তাঁর এ শতরানের কল্যাণে ইংল্যান্ড দল ৫৬৩ রান তুলতে সক্ষম হয়। দলের সঙ্কটকালীন এ সংগ্রহের ফলে টেস্টটি ড্রয়ে পরিণত হয় ও সমূহ পরাজয় এড়ায়। পরবর্তীতে এ সংগ্রহটিই তাঁর প্রথম-শ্রেণীর ক্রিকেট খেলোয়াড়ী জীবনে সর্বোচ্চ ছিল। ঐ সিরিজে ওয়েস্ট ইন্ডিয়ান বোলিং আক্রমণ প্রতিহত করে ৬৬৩ রান সংগ্রহ করেছিলেন।
১৯৭৪ সালে নিজ দেশে অজিত ওয়াড়েকরের নেতৃত্বাধীন ভারতীয় দলের মুখোমুখি হন। ৬ জুন, ১৯৭৪ তারিখে ম্যানচেস্টারে অনুষ্ঠিত সফররত ভারতের বিপক্ষে সিরিজের প্রথম টেস্টে অংশ নেন। খেলায় তিনি ৫৬ ও ৪৭ রান সংগ্রহ করেছিলেন। স্বাগতিকরা ১১৩ রানে জয় পেয়ে তিন-টেস্ট নিয়ে গড়া সিরিজে ১-০ ব্যবধানে এগিয়ে যায়।
১৯৭৪-৭৫ মৌসুমে মাইক ডেনিসের নেতৃত্বাধীন এমসিসি দলের সদস্যরূপে প্রথমবারের মতো নিউজিল্যান্ড গমন করেন। ২০ ফেব্রুয়ারি, ১৯৭৫ তারিখে অকল্যান্ডে অনুষ্ঠিত স্বাগতিক নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে সিরিজের উদ্বোধনী টেস্টে অংশ নেন। খেলায় তিনি দলের একমাত্র ইনিংসে ১৯ রান সংগ্রহসহ তিনটি ক্যাচ তালুবন্দী করেছিলেন। সফরকারীরা ইনিংস ও ৮৩ রানে জয় পেলে দুই-টেস্ট নিয়ে গড়া সিরিজে এগিয়ে যায়।
সকল দেশের বিপক্ষেই সফল হয়েছিলেন। তবে, ফাস্ট বোলিংয়ের বিপক্ষে ও ১৯৭৪-৭৫ মৌসুমে অজিদের বিপক্ষে তেমন সুবিধে করতে পারেননি। নিজ নামের পার্শ্বে খুব কমই রান যুক্ত করতে পেরেছিলেন। এ পর্যায়ে বিখ্যাত অস্ট্রেলীয় ক্রিকেট তারকা বোলার ডেনিস লিলি তাঁর চেয়ে শ্রেয়তর ব্যবধানে এগিয়েছিলেন।
১৯৭৪ সালে লর্ডসে সফরকারী ভারতের বিপক্ষে ইংল্যান্ড দল টেস্টে তাদের সর্বোচ্চ দলীয় সংগ্রহ ৬২৯ করাকালীন তিনি ১৮৮ রান সংগ্রহ করেছিলেন। এ পর্যায়ে জন এডরিচের সাথে দ্বিতীয় উইকেট জুটি সর্বোচ্চ ও রেকর্ডসংখ্যক ২২১ রান তুলেন। কভার ড্রাইভেই বেশ স্বাচ্ছন্দ্যে রান তুলেন। শতরানের জন্যে তিন ঘণ্টা বিশ মিনিট সময় ব্যয় করেন। প্রথম দিনশেষে দলের সংগ্রহ ৩৩৪/১ থাকাকালীন তিনি ১৮৭ রানে অপরাজিত ছিলেন। পরদিন তিনি মাত্র এক রান যুক্ত করে বিদেয় নিলেও মাইক ডেনিস ও টনি গ্রেগের শতকের উপর ভর করে ইংল্যান্ড দল বিরাট রান তুলে। একচেটিয়া ঐ খেলায় স্বাগতিক দল ইনিংস ও ২৮৫ রানের ব্যবধানে জয়লাভ করে।
১৯৭৫ সালেও একই মাঠে ও একই প্রতিপক্ষের বিপক্ষে ১৩৭ রান তুলেছিলেন। তবে, খেলার ধরনটি ভিন্নতর ছিল। ১৯৭৫ সালের প্রুডেন্সিয়াল বিশ্বকাপ ক্রিকেট প্রতিযোগিতায় ভারতের বিপক্ষে নিজস্ব প্রথম শতরান সংগ্রহ করেন। বিশ্বকাপ ক্রিকেট প্রতিযোগিতার উদ্বোধনী আসরের প্রথম খেলায় উদ্বোধনী ব্যাটসম্যান হিসেবে তিনি এ রান ১৪৭ বল মোকাবেলা করে ১৮টি বাউন্ডারি সহযোগে নির্ধারিত ৬০ ওভারে দলকে ৩৩৩/৪ তুলতে সহায়তা করেন। ইংল্যান্ড দল জয়লাভ করে ও তিনি ম্যান অব দ্য ম্যাচের পুরস্কার লাভ করেন। শতক হাঁকানোর ফলে লর্ডসে অনুষ্ঠিত ওডিআইয়ে যৌথভাবে ব্যক্তিগত সর্বোচ্চ রানের কৃতিত্ব গড়েছিলেন। তবে, ১৯৭৯ সালের বিশ্বকাপ ক্রিকেট প্রতিযোগিতার চূড়ান্ত খেলায় স্যার ভিভ রিচার্ডস অপরাজিত ১৩৮ রানের দূরন্ত শতক হাঁকিয়ে রেকর্ডটি নিজের করে নেন। উভয় ক্ষেত্রে ‘ক্রিকেটের স্বর্গভূমিতে’ শতরানের ইনিংস খেলার কৃতিত্বস্বরূপ ‘লর্ডস অনার্স বোর্ডে’ জায়গা করে নেন।
১৯৭৫ সালে নিজ দেশে ইয়ান চ্যাপেলের নেতৃত্বাধীন অজি দলের মুখোমুখি হন। ১০ জুলাই, ১৯৭৫ তারিখে বার্মিংহামের এজবাস্টনে অনুষ্ঠিত সফররত অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে সিরিজের উদ্বোধনী টেস্টে অংশ নেন। খেলায় তিনি ব্যাট হাতে নিয়ে ৪ ও ৫ রান সংগ্রহ করেছিলেন। সফরকারীরা ইনিংস ও ৮৫ রানের ব্যবধানে জয়লাভ করে চার-টেস্ট নিয়ে গড়া সিরিজে এগিয়ে যায়।
এরপর, ৩১ জুলাই, ১৯৭৫ তারিখে লন্ডনের লর্ডসে অনুষ্ঠিত সিরিজের দ্বিতীয় টেস্টে অংশ নেন। খেলায় তিনি ০ ও ১০ রান সংগ্রহ করে উভয় ইনিংসে ডেনিস লিলি’র শিকারে পরিণত হয়েছিলেন। এছাড়াও, একটি ক্যাচ তালুবন্দী করেছিলেন। খেলাটি ড্রয়ে পরিণত হলে স্বাগতিকরা চার-টেস্ট নিয়ে গড়া সিরিজে ১-০ ব্যবধানে পিছিয়ে পড়ে।
আত্মরক্ষামূলক হেলমেটের প্রবর্তনের ফলে ১৯৭৬ সালে তাঁর টেস্ট খেলোয়াড়ী জীবন চলমান থাকে। ওভালে ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে ২০৩ রান তুলেছিলেন। মাইকেল হোল্ডিংয়ের দূর্দান্ত বোলিং আক্রমণ প্রতিহত করে এ সফলতা পান ও ঐ খেলায় মাইকেল হোল্ডিং ১৪ উইকেট দখল করেছিলেন। তবে, ১৯৭৭ সালে ইংল্যান্ড দলে জিওফ বয়কটের প্রত্যাবর্তনের ফলে তাঁকে বাদ দেয়া হয়। একই সালে টেস্টের এক পঞ্জিকাবর্ষে ১৩৭৯ রান তুলেন।
১৯৭৬-৭৭ মৌসুমে টনি গ্রেগের নেতৃত্বাধীন এমসিসি দলের সাথে ভারত গমন করেন। ১১ ফেব্রুয়ারি, ১৯৭৭ তারিখে বোম্বের ওয়াংখেড়ে স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত স্বাগতিক ভারতের বিপক্ষে সিরিজের পঞ্চম ও চূড়ান্ত টেস্ট খেলেন। খেলায় তিনি একবার ব্যাট হাতে নিয়ে ৫০ ও ১৪ রান সংগ্রহ করে উভয় ক্ষেত্রে বিষেন বেদী’র বলে বিদেয় নিয়েছিলেন। খেলাটি ড্রয়ে পরিণত হলে সফরকারীরা ৩-১ ব্যবধানে সিরিজে বিজয়ী হয়।
অংশগ্রহণকৃত টেস্টগুলো থেকে ৪৬.৩০ গড়ে ৩৬১২ রান পেয়েছেন। তবে, টেস্টের তুলনায় ওডিআইয়ে অধিক সফলতা পেয়েছেন। ৪৭.৭২ গড়ে ৮৫৯ রান তুলেন। বিস্ময়করভাবে ওডিআই ক্রিকেটের ইতিহাসের প্রথম ও দুইজন ব্যাটসম্যানের অন্যতম হিসেবে অভিষেক ও সর্বশেষ খেলায় শতক হাঁকিয়েছিলেন। দ্বাবিংশতিতম টেস্টে নিজস্ব প্রথম শতরানের সন্ধান পেয়েছেন। এরপর থেকে আরও দশটি শতক হাঁকিয়েছিলেন।
১৯৭৭ সালে নিজ দেশে গ্রেগ চ্যাপেলের নেতৃত্বাধীন অজি দলের মুখোমুখি হন। ৭ জুলাই, ১৯৭৭ তারিখে ম্যানচেস্টারে অনুষ্ঠিত সফররত অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে সিরিজের দ্বিতীয় টেস্টে অংশ নেন। খেলায় তিনি ব্যাট হাতে নিয়ে ১১ ও ২৮* রান সংগ্রহসহ একটি ক্যাচ তালুবন্দী করেছিলেন। সফরকারীরা ৯ উইকেটে পরাজয়বরণ করলে পাঁচ-টেস্ট নিয়ে গড়া সিরিজে পিছিয়ে পড়ে। পরবর্তীকালে, এটিই তাঁর সর্বশেষ টেস্টে পরিণত হয়।
দল থেকে প্রত্যাখ্যাত হবার ফলে অস্ট্রেলীয় ধনকুবের ক্যারি প্যাকারের ব্যবস্থাপনায় বিশ্ব সিরিজ ক্রিকেটের প্রথম আসরে অংশ নেন। এরপর, ১৯৮২ সালে অনানুষ্ঠানিকভাবে তৎকালীন নিষিদ্ধঘোষিত দক্ষিণ আফ্রিকায় বিদ্রোহী দল নিয়ে গমন করেন। ফলশ্রুতিতে, তিন বছরের জন্যে ইংল্যান্ডের পক্ষে খেলায় অংশগ্রহণের যোগ্যতা হারান।
এরপর, ওয়ারউইকশায়ারের পক্ষে নিয়মিতভাবে খেলতে থাকেন। ১৯৮৩ সালে ব্যাটিংয়ের অবস্থান পরিবর্তন করে নিচেরদিকে নিয়ে যান। তাসত্ত্বেও, ১৭২১ রান সংগ্রহ করতে পেরেছিলেন।
১৯৭৫ সালে উইজডেন কর্তৃক অন্যতম বর্ষসেরা ক্রিকেটারের সম্মাননাপ্রাপ্ত হন। ১৯৮৭ সালে এমবিই উপাধিতে ভূষিত হন। সকল স্তরের ক্রিকেট থেকে অবসর গ্রহণের পর ১৯৯৪ থেকে ২০০৬ সময়কালে ওয়ারউইকশায়ারের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তার ভূমিকায় অবতীর্ণ হন। ক্রিকেট কমিটির সভাপতির দায়িত্ব পালন করেছেন। এরপর, ১৯৯২ সালে ইসিবি’র দল নির্বাচকমণ্ডলীর সদস্য হন। দুই মেয়াদে ইসিবি’র সহঃসভাপতি মনোনীত হন। ২০২১ সালে ‘নট আউট এট ক্লোজ অব প্লে’ শীর্ষক গ্রন্থ প্রকাশ করেন।
