| |

ডেভিড মুতেন্দেরা

২৫ জানুয়ারি, ১৯৭৯ তারিখে সলসবারির হাইফিল্ড এলাকায় জন্মগ্রহণকারী পেশাদার ক্রিকেটার ও প্রশাসক। মূলতঃ বোলার হিসেবে দলে ভূমিকা রেখে গেছেন। ডানহাতে ফাস্ট-মিডিয়াম বোলিং করতেন। এছাড়াও, ডানহাতে নিচেরসারিতে ব্যাটিংয়ে নামতেন। জিম্বাবুয়ের পক্ষে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে অংশ নিয়েছেন।

হারারের কৃষ্ণাঙ্গ শহরতলী থেকে আসা প্রথমদিকের অন্যতম ক্রিকেটার ছিলেন। প্রায় দুই মিটার উচ্চতাসহ শক্ত মজবুত গড়নের অধিকারী। অধিক উচ্চতার কারণে পিচ থেকে অপ্রত্যাশিতভাবে বলকে উঠাতে পারতেন। মূলতঃ অফ-কাটার সহযোগে বোলিং কর্মে অগ্রসর হতেন। আঘাতের সমস্যাসহ বোলিং ত্রুটির কারণে তেমন সফলতা পাননি।

‘ডিভা’, ‘কার্টলি’ কিংবা ‘কোর্টনি’ ডাকনামে পরিচিতি পান। তন্মধ্যে, কার্টলি অ্যামব্রোসের ন্যায় উচ্চতার কারণে ‘কার্টলি’ এবং কোর্টনি ওয়ালসের অনুরক্ত হবার ফলে ‘কোর্টনি’ ডাকনামে ভূষিত হয়েছিলেন। ১৯৯৮-৯৯ মৌসুম থেকে ২০০৩-০৪ মৌসুম পর্যন্ত সময়কালে প্রথম-শ্রেণীর খেলোয়াড়ী জীবন চলমান রাখেন। ঘরোয়া আসরের প্রথম-শ্রেণীর জিম্বাবুয়ীয় ক্রিকেটে ম্যাশোনাল্যান্ড ‘এ’ ও মিডল্যান্ডসের প্রতিনিধিত্ব করেছেন। এছাড়াও, ইউনিভার্সালসের পক্ষে খেলেছেন। মার্চ, ১৯৯৯ তারিখে হারারের আলেকজান্দ্রা স্পোর্টস ক্লাবে অনুষ্ঠিত জিম্বাবুয়ে ক্রিকেট একাডেমি বনাম অস্ট্রেলিয়ান ক্রিকেট একাডেমির মধ্যকার খেলায় অংশ নেয়ার মাধ্যমে প্রথম-শ্রেণীর খেলোয়াড়ী জীবনের সূত্রপাত ঘটান। জিম্বাবুয়ে ক্রিকেট ইউনিয়নের উদ্যোগ উন্নয়ন পরিকল্পনা গ্রহণের ফলে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে অংশগ্রহণের সুযোগ পেয়েছিলেন। ১৯৯৯ সালে জিম্বাবুয়ে ক্রিকেট একাডেমির প্রথম পূর্ণাঙ্গ শিক্ষার্থীদের অন্যতম ছিলেন।

১৯৯৯ থেকে ২০০১ সময়কালে জিম্বাবুয়ের পক্ষে একটিমাত্র টেস্ট ও নয়টিমাত্র ওডিআইয়ে অংশগ্রহণের সুযোগ পেয়েছিলেন। ১৯৯৯-২০০০ মৌসুম থেকে জিম্বাবুয়ে জাতীয় ক্রিকেট দলের সাথে জড়িত ছিলেন। এ পর্যায়ে দলের সফলতায় উল্লেখযোগ্য ভূমিকা রাখেন। ২৫ সেপ্টেম্বর, ১৯৯৯ তারিখে নাইরোবির জিমখানায় অনুষ্ঠিত স্বাগতিক কেনিয়ার বিপক্ষে ওডিআইয়ে অভিষেক ঘটে। পরের মৌসুমে ব্যক্তিগত একমাত্র টেস্টে অংশগ্রহণের সুযোগ লাভ করেন।

২০০০-০১ মৌসুমে নিজ দেশে স্টিফেন ফ্লেমিংয়ের নেতৃত্বাধীন কিউই দলের মুখোমুখি হন। ১২ সেপ্টেম্বর, ২০০০ তারিখে বুলাওয়ের কুইন্স স্পোর্টস ক্লাবে অনুষ্ঠিত সফররত নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে সিরিজের উদ্বোধনী টেস্টে তাঁর অভিষেক পর্ব সম্পন্ন হয়। ১০ ও ০ রান সংগ্রহ করেছিলেন। এছাড়াও, ২৯ রান খরচায় কোন উইকেটের সন্ধান পাননি। পল ওয়াইজম্যানের অসাধারণ বোলিংশৈলীর কল্যাণে সফরকারীরা ৭ উইকেটে জয়লাভ করলে দুই-টেস্ট নিয়ে গড়া সিরিজে এগিয়ে যায়। পরবর্তীতে, এটিই তাঁর সর্বশেষ টেস্টে পরিণত হয়।

একই সফরের ১৯ সেপ্টেম্বর, ২০০০ তারিখে হারারেতে অনুষ্ঠিত সিরিজের দ্বিতীয় ও চূড়ান্ত টেস্টে অংশ নেন। খেলায় তিনি দ্বাদশ খেলোয়াড়ের ভূমিকায় অবতীর্ণ হয়েছিলেন। ক্রিস কেয়ার্নসের অসাধারণ অল-রাউন্ড ক্রীড়াশৈলীর কল্যাণে সফরকারীরা ৮ উইকেটে জয়লাভ করলে ২-০ ব্যবধানে সিরিজে বিজয়ী হয়।

ক্রিকেট থেকে অবসর গ্রহণের পর প্রশাসনের দিকে ধাবিত হন। জিম্বাবুয়ে ক্রিকেটের দল নির্বাচকমণ্ডলীর সদস্য হন। ১ জুলাই, ২০১১ তারিখে জন রেনিসহ তাঁকে অব্যহতি দেয়া হয়। তাঁদের পরিবর্তে যথাক্রমে কেভিন কারেন ও গিভমোর মাকোনিকে যুক্ত করা হয়।

Similar Posts

  • | | |

    স্টিফেন ফ্লেমিং

    ১ এপ্রিল, ১৯৭৩ তারিখে ক্যান্টারবারির ক্রাইস্টচার্চে জন্মগ্রহণকারী ক্রিকেটার ও কোচ। মূলতঃ শীর্ষসারির ব্যাটসম্যান হিসেবে খেলতেন। বামহাতে ব্যাটিং করতেন। এছাড়াও, ডানহাতে অফ-ব্রেক বোলিংয়ে পারদর্শী। নিউজিল্যান্ডের পক্ষে সকল স্তরের আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে অংশ নিয়েছেন। পাশাপাশি, নিউজিল্যান্ড দলকে সকল স্তরের ক্রিকেটে নেতৃত্ব দিয়েছেন। বর্ণাঢ্যময় ও দৃঢ় প্রতিজ্ঞাবদ্ধ চিত্তে খেলায় অংশ নিতেন। নিউজিল্যান্ডের ক্রিকেটের ইতিহাসের সফলতম অধিনায়ক হিসেবে পরিচিতি লাভ…

  • |

    বিল পন্সফোর্ড

    ১৯ অক্টোবর, ১৯০০ তারিখে ভিক্টোরিয়ার নর্থ ফিটজরয় এলাকায় জন্মগ্রহণকারী বিখ্যাত ক্রিকেটার ছিলেন। মূলতঃ ব্যাটসম্যান হিসেবে দলে ভূমিকা রেখে গেছেন। ডানহাতে ব্যাটিংয়ের পাশাপাশি ডানহাতে মিডিয়াম বোলিংয়ে পারদর্শী ছিলেন। অস্ট্রেলিয়ার পক্ষে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে অংশ নিয়েছিলেন। উইলিয়াম পন্সফোর্ড ও এলিজাবেথ দম্পতির চার সন্তানের মধ্যে জ্যেষ্ঠ ছিলেন। নর্থ ফিটজরয়ের আলফ্রেড ক্রিসেন্ট স্টেট স্কুলে অধ্যয়ন। সেখানে ক্রিকেটে দুইবার পদক লাভ…

  • |

    নাথান স্মিথ

    ১৫ জুলাই, ১৯৯৮ তারিখে ওতাগোর ডুনেডিনে জন্মগ্রহণকারী ক্রিকেটার। মূলতঃ অল-রাউন্ডারের ভূমিকায় অবতীর্ণ হয়েছেন। ডানহাতে ব্যাটিংয়ের পাশাপাশি ডানহাতে মিডিয়াম-ফাস্ট বোলিংয়ে পারদর্শী। নিউজিল্যান্ডের পক্ষে টেস্ট ও ওডিআইয়ে অংশ নিয়েছেন। ২০১৫-১৬ মৌসুম থেকে প্রথম-শ্রেণীর খেলোয়াড়ী জীবন চলমান রাখছেন। ঘরোয়া আসরের প্রথম-শ্রেণীর নিউজিল্যান্ডীয় ক্রিকেটে ওতাগো ও ওয়েলিংটনের প্রতিনিধিত্ব করেছেন। ৩০ মার্চ, ২০১৬ তারিখে হোয়াঙ্গারেইয়ে অনুষ্ঠিত ওতাগো বনাম নর্দার্ন ডিস্ট্রিক্টসের…

  • |

    চার্লস ম্যারিয়ট

    ১৪ সেপ্টেম্বর, ১৮৯৫ তারিখে ল্যাঙ্কাশায়ারের হিটন মুর এলাকায় জন্মগ্রহণকারী ক্রিকেটার ছিলেন। মূলতঃ বোলার হিসেবে খেলতেন। লেগ-ব্রেক গুগলি বোলিংয়ের পাশাপাশি ডানহাতে নিচেরসারিতে ব্যাটিং করতেন। ১৯৩০-এর দশকে ইংল্যান্ডের পক্ষে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে অংশ নিয়েছিলেন। জন্ম নিবন্ধনে তিনি চার্লি স্টোওয়েল ম্যারিয়ট নামে পরিচিত। ‘ফাদার’ ডাকনামে পরিচিতি লাভ করেন। নিজের সময়কালে অন্যতম সেরা লেগ-ব্রেক ও গুগলি বোলার হিসেবে পরিচিতি লাভ…

  • | | |

    ওয়াসিম রাজা

    ৩ জুলাই, ১৯৫২ তারিখে পাঞ্জাবের মুলতানে জন্মগ্রহণকারী ক্রিকেটার, কোচ ও রেফারি ছিলেন। মূলতঃ অল-রাউন্ডারের ভূমিকায় অবতীর্ণ হয়েছিলেন। বামহাতে ব্যাটিং করতেন। এছাড়াও, লেগ-ব্রেক গুগলি বোলিংয়ে পারদর্শী ছিলেন। পাকিস্তানের পক্ষে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে অংশ নিয়েছেন। বর্ণাঢ্যময় বামহাতি স্ট্রোকপ্লের অধিকারী ছিলেন। এছাড়াও, কার্যকর লেগ-স্পিন বোলিং করতেন। মাঝে-মধ্যে বোলিং উদ্বোধনে নেমেছিলেন তিনি। সহজাত অল-রাউন্ডার হিসেবে পাকিস্তানের পক্ষে খেলেছেন। এছাড়াও, কভার…

  • |

    উইলিয়াম চ্যাটারটন

    ২৭ ডিসেম্বর, ১৮৬১ তারিখে ডার্বিশায়ারের থর্নসেট এলাকায় জন্মগ্রহণকারী ক্রিকেটার ছিলেন। মূলতঃ ব্যাটসম্যান হিসেবে খেলতেন। ডানহাতে ব্যাটিং করতেন। ১৮৯০-এর দশকে ইংল্যান্ডের পক্ষে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে অংশ নিয়েছেন। ১৮৮২ থেকে ১৯০২ সময়কালে প্রথম-শ্রেণীর খেলোয়াড়ী জীবন অতিবাহিত করেছেন। ঘরোয়া আসরের প্রথম-শ্রেণীর ইংরেজ কাউন্টি ক্রিকেটে ডার্বিশায়ারের প্রতিনিধিত্ব করেছেন। ডার্বিশায়ারের অন্যতম সেরা তারকা খেলোয়াড় ছিলেন। অনেকগুলো বছর পেশাদারী ব্যাটসম্যানদের মধ্যে শীর্ষ…