| |

ড্যামিয়েন মার্টিন

২১ অক্টোবর, ১৯৭১ তারিখে নর্দার্ন টেরিটরির ডারউইনে জন্মগ্রহণকারী ক্রিকেটার ও ধারাভাষ্যকার। মূলতঃ শীর্ষসারির ব্যাটসম্যান হিসেবে খেলতেন। ডানহাতে ব্যাটিংয়ের পাশাপাশি ডানহাতে মিডিয়াম বোলিংয়ে পারদর্শী ছিলেন। অস্ট্রেলিয়ার পক্ষে সকল স্তরের আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে অংশ নিয়েছেন।

‘মার্টো’ ডাকনামে ভূষিত ড্যামিয়েন মার্টিন ১.৮১ মিটার উচ্চতার অধিকারী। অস্ট্রেলিয়ান ক্রিকেট একাডেমির প্রতিনিধিত্ব করেছেন। এছাড়াও, অস্ট্রেলিয়ার অনূর্ধ্ব-১৯ দলের অধিনায়কের দায়িত্বে ছিলেন। ১৯৯০-৯১ মৌসুম থেকে ২০০৬-০৭ মৌসুম পর্যন্ত সময়কালে প্রথম-শ্রেণীর খেলোয়াড়ী জীবনে সরব ছিলেন। ঘরোয়া আসরের প্রথম-শ্রেণীর অস্ট্রেলীয় ক্রিকেটে ওয়েস্টার্ন অস্ট্রেলিয়া এবং ইংরেজ কাউন্টি ক্রিকেটে লিচেস্টারশায়ার ও ইয়র্কশায়ারের প্রতিনিধিত্ব করেছেন। এছাড়াও, আইসিএল বিশ্ব একাদশ, আহমেদাবাদ রকেটস ও রাজস্থান রয়্যালসের পক্ষে খেলেছেন।

১৯৯২ থেকে ২০০৬ সাল পর্যন্ত সময়কালে অস্ট্রেলিয়ার পক্ষে সর্বমোট ৬৭ টেস্ট, ২০৮টি ওডিআই ও চারটিমাত্র টি২০আইয়ে অংশ নিয়েছেন। ১৯৯২-৯৩ মৌসুমে নিজ দেশে রিচি রিচার্ডসনের নেতৃত্বাধীন ক্যারিবীয় দলের মুখোমুখি হন। ২৭ নভেম্বর, ১৯৯২ তারিখে ব্রিসবেনে অনুষ্ঠিত সফররত ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে সিরিজের উদ্বোধনী টেস্টে তাঁর অভিষেক পর্ব সম্পন্ন হয়। ডিন জোন্সের অনুপস্থিতির কারণে খেলার সুযোগ পান। খেলায় তিনি ব্যাট হাতে নিয়ে ৩৬ ও ১৫ রান সংগ্রহ করে উভয় ক্ষেত্রে কার্টলি অ্যামব্রোসের শিকারে পরিণত হয়েছিলেন। ডেভিড বুনের দূর্দান্ত ব্যাটিং সত্ত্বেও খেলাটি ড্রয়ের দিকে গড়ালে পাঁচ-টেস্ট নিয়ে গড়া সিরিজটি অমিমাংসিত অবস্থায় অগ্রসর হতে থাকে। একই সফরের ৮ ডিসেম্বর, ১৯৯২ তারিখে সিডনিতে প্রথমবারের মতো ওডিআইয়ে অংশ নেন।

১৯৯৯-২০০০ মৌসুমে স্টিভ ওয়াহ’র নেতৃত্বাধীন অজি দলের সদস্যরূপে নিউজিল্যান্ড গমন করেন। ২৪ মার্চ, ২০০০ তারিখে ওয়েলিংটনে অনুষ্ঠিত স্বাগতিক নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে সিরিজের দ্বিতীয় টেস্টে অংশ নেন। ব্যক্তিগত সাফল্যের ছাঁপ রাখেন। প্রথম ইনিংসে ব্যক্তিগত পূর্বতন সর্বোচ্চ ৭৪ রান অতিক্রম করেন। খেলায় তিনি ৭৮ ও ১৭* রান সংগ্রহ করেছিলেন। মাইকেল স্ল্যাটারের অনবদ্য ব্যাটিংশৈলীর কল্যাণে স্বাগতিকরা ৬ উইকেটে পরাজিত হলে তিন-টেস্ট নিয়ে গড়া সিরিজে ২-০ ব্যবধানে পিছিয়ে পড়ে।

একই সফরের ৩১ মার্চ, ২০০০ তারিখে হ্যামিল্টনে অনুষ্ঠিত সিরিজের তৃতীয় ও চূড়ান্ত টেস্টে অংশ নেন। কয়েকটি ব্যক্তিগত সাফল্যের সাথে নিজেকে জড়ান। প্রথম ইনিংসে ব্যক্তিগত পূর্বতন সর্বোচ্চ ৭৮ রান সংগ্রহ করেন। এ পর্যায়ে ৩৫ রানে পৌঁছানোকালে ৫০০ রানের মাইলফলক স্পর্শ করেন। খেলায় তিনি ৮৯* ও ৪ রান সংগ্রহ করেছিলেন। এছাড়াও, বল হাতে নিয়ে ০/১২ বোলিং বিশ্লেষণ দাঁড় করানোসহ একটি ক্যাচ তালুবন্দী করেছিলেন। অ্যাডাম গিলক্রিস্টের অসাধারণ অল-রাউন্ড ক্রীড়াশৈলীর কল্যাণে সফরকারীরা ৬ উইকেটে জয় পেলে ৩-০ ব্যবধানে সিরিজ জয় করে নেয়।

২০০১-০২ মৌসুমে নিজ দেশে শন পোলকের নেতৃত্বাধীন স্প্রিংবকের মুখোমুখি হন। ২ জানুয়ারি, ২০০২ তারিখে সিডনিতে অনুষ্ঠিত সফররত দক্ষিণ আফ্রিকার বিপক্ষে সিরিজের তৃতীয় ও চূড়ান্ত টেস্টে অংশ নেন। খেলায় তিনি একবার ব্যাটিংয়ে নেমে ১১৭ রান সংগ্রহসহ একটি ক্যাচ তালুবন্দী করেছিলেন। তবে, জাস্টিন ল্যাঙ্গার ও ম্যাথু হেইডেনের অসাধারণ ব্যাটিংয়ের কল্যাণে স্বাগতিকরা ১০ উইকেটে জয়লাভ করলে ৩-০ ব্যবধানে সিরিজে বিজয়ী হয়।

এরপর, একই মৌসুমে ফিরতি সফরে প্রথমবারের মতো দক্ষিণ আফ্রিকার মাটিতে টেস্ট খেলেন। ঐ মৌসুমে স্টিভ ওয়াহ’র নেতৃত্বাধীন অজি দলের সদস্যরূপে দক্ষিণ আফ্রিকা সফরে যান। ২২ ফেব্রুয়ারি, ২০০২ তারিখে জোহানেসবার্গে অনুষ্ঠিত স্বাগতিক দক্ষিণ আফ্রিকার বিপক্ষে সিরিজের উদ্বোধনী টেস্টে অংশ নেন। কয়েকবার ব্যক্তিগত সাফল্যের সাথে নিজেকে জড়ান। প্রথম ইনিংসে ৮৭ রানে পৌঁছানোকালে টেস্টে ১৫০০ রানের মাইলফলক স্পর্শ করেন। এ পর্যায়ে ব্যক্তিগত পূর্বতন সর্বোচ্চ ১২৪ রান অতিক্রম করেন। খেলায় তিনি ১৩৩ রান সংগ্রহের পাশাপাশি একটি ক্যাচ তালুবন্দী করেছিলেন। তবে, অ্যাডাম গিলক্রিস্টের অসাধারণ দ্বি-শতকের কল্যাণে স্বাগতিকরা ইনিংস ও ৩৬০ রানের বিশাল ব্যবধানে পরাজিত হলে তিন-টেস্ট নিয়ে গড়া সিরিজে পিছিয়ে পড়ে।

২০০৩-০৪ মৌসুমে রিকি পন্টিংয়ের নেতৃত্বাধীন অজি দলের সদস্যরূপে শ্রীলঙ্কা গমন করেন। ৮ মার্চ, ২০০৪ তারিখে গলেতে অনুষ্ঠিত স্বাগতিক শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে সিরিজের উদ্বোধনী টেস্টে অংশ নেন। ৪২ ও ১১০ রান সংগ্রহ করেন। তবে, ম্যাথু হেইডেনের অসাধারণ ক্রীড়াশৈলীর কল্যাণে সফরকারীরা ১৯৭ রানে জয় পেলে তিন-টেস্ট নিয়ে গড়া সিরিজে এগিয়ে যায়।

এরপর, একই সফরের ১৬ মার্চ, ২০০৪ তারিখে ক্যান্ডিতে অনুষ্ঠিত সিরিজের দ্বিতীয় টেস্টে অংশ নেন। ব্যাট হাতে নিয়ে ১ ও ১৬১ রান সংগ্রহ করেন। তবে, শেন ওয়ার্নের অসাধারণ বোলিং সাফল্যে সফরকারীরা ২৭ রানে জয় পেলে ২-০ ব্যবধানে সিরিজে এগিয়ে যায়।

২০০৪-০৫ মৌসুমে নিজ দেশে মোহাম্মদ ইউসুফের নেতৃত্বাধীন পাকিস্তানী দলের মুখোমুখি হন। পুরো সিরিজে দূর্দান্ত খেলেন। ২৬ ডিসেম্বর, ২০০৪ তারিখে মেলবোর্নে অনুষ্ঠিত সফররত পাকিস্তানের বিপক্ষে সিরিজের দ্বিতীয় টেস্টে অংশ নেন। খেলায় তিনি একবার ব্যাটিংয়ে নেমে ১৪২ রান সংগ্রহসহ একটি ক্যাচ তালুবন্দী করেছিলেন। তাঁর অসাধারণ শতকের কল্যাণে স্বাগতিকরা ৯ উইকেটে জয় পেলে তিন-টেস্ট নিয়ে গড়া সিরিজে ২-০ ব্যবধানে এগিয়ে যায়। খেলায় তিনি ম্যান অব দ্য ম্যাচের পুরস্কার লাভ করেন।

এরপর, ২ জানুয়ারি, ২০০৫ তারিখে সিডনিতে অনুষ্ঠিত সিরিজের তৃতীয় ও চূড়ান্ত টেস্টে অংশ নেন। ঐ খেলায় একবার ব্যাটিংয়ে নেমে ৬৭ রান সংগ্রহ করেন। এছাড়াও, একটি ক্যাচ ও সমসংখ্যক রান-আউটের সাথে নিজেকে জড়ান। তবে, স্টুয়ার্ট ম্যাকগিলের অসামান্য বোলিংশৈলীর কল্যাণে ঐ খেলায় সফরকারীরা নয় উইকেটে পরাভূত হয় ও ৩-০ ব্যবধানে সিরিজে পরাজয়বরণ করে। ৩১০ রান সংগ্রহ করে ম্যান অব দ্য সিরিজের পুরস্কার লাভ করেন।

২০০৪-০৫ মৌসুমে রিকি পন্টিংয়ের নেতৃত্বাধীন অজি দলের অন্যতম সদস্যরূপে নিউজিল্যান্ড গমন করেন। ১৮ মার্চ, ২০০৫ তারিখে ওয়েলিংটনে অনুষ্ঠিত স্বাগতিক নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে সিরিজের দ্বিতীয় টেস্টে অংশ নেন। ব্যক্তিগত সফলতার সন্ধান পান। প্রথম ইনিংসে ব্যক্তিগত পূর্বতন সর্বোচ্চ ১৬১ রান অতিক্রম করেন। দলের একমাত্র ইনিংসে ১৬৫ রান সংগ্রহসহ একটি ক্যাচ তালুবন্দী করেছিলেন। তবে, অ্যাডাম গিলক্রিস্টের অসাধারণ শতকের কল্যাণে খেলাটি ড্রয়ের দিকে গড়ালে তিন-টেস্ট নিয়ে গড়া সিরিজে সফরকারীরা ১-০ ব্যবধানে এগিয়ে যায়।

২০০৬-০৭ মৌসুমে নিজ দেশে অ্যান্ড্রু ফ্লিনটফের নেতৃত্বাধীন ইংরেজ দলের মুখোমুখি হন। ১ ডিসেম্বর, ২০০৬ তারিখে অ্যাডিলেডে অনুষ্ঠিত সফররত ইংল্যান্ডের বিপক্ষে সিরিজের দ্বিতীয় টেস্টে অংশ নেন। খেলায় তিনি ১১ ও ৫ রান সংগ্রহসহ দুইটি ক্যাচ তালুবন্দী করেছিলেন। তবে, দলীয় অধিনায়ক রিকি পন্টিংয়ের ব্যাটিং সাফল্যে স্বাগতিকরা ৬ উইকেটে জয় পেলে পাঁচ-টেস্ট নিয়ে গড়া সিরিজে ২-০ ব্যবধানে এগিয়ে যায়। পরবর্তীকালে, এটিই তাঁর সর্বশেষ টেস্টে পরিণত হয়।

নিজের সময়কালে অন্যতম ধ্রুপদীশৈলীর ব্যাটসম্যান হিসেবে পরিচিতি লাভ করেন। তাঁর ব্যাটিংশৈলী অনেকাংশেই সাধারণমানের ছিল। অজিদের পক্ষে প্রতিশ্রুতিশীল প্রতিভাবান হিসেবে বিবেচিত হন। তবে, ঝাকঝমকপূর্ণ জীবন তাঁর খেলোয়াড়ী জীবনে বিরূপ প্রভাব ফেলে। রক্ষণাত্মক ধাঁচে খেলার পর এক পর্যায়ে জাতীয় দল থেকে বাদ পড়েন।

অস্ট্রেলিয়া দলে হতাশাব্যঞ্জক অধ্যায়ের পর ২৩ বছর বয়সে ওয়েস্টার্ন অস্ট্রেলিয়া দলের অধিনায়কের দায়িত্ব লাভ করেন। ঘরোয়া আসরেও ছন্দহীনতার কবলে পড়েন ও এ দায়িত্ব থেকে অব্যহতি নেয়ার পর ক্রিকেট খেলা প্রায় ছেড়েই দিয়েছিলেন। ট্রাভোল কোম্পানি প্রতিষ্ঠা করেন।

টেস্টগুলো থেকে ৪৬.৩৮ গড়ে ৪৪০৬ রান সংগ্রহ করেছিলেন। জাস্টিন ল্যাঙ্গার, গ্লেন মাকগ্রা ও শেন ওয়ার্নের সাথে একযোগে অবসর গ্রহণ করেন। এ পর্যায়ে অস্ট্রেলিয়া দলকে ৫-০ ব্যবধানে অ্যাশেজ সিরিজ বিজয়ে ভূমিকা রাখেন। তাঁর কব্জির কারুকাজ বেশ দর্শনীয় ছিল। ২০০৪ সালে দলীয় সঙ্গীদের তুলনায় নিজেকে অনন্য উচ্চতায় নিয়ে যান। ভারত ও শ্রীলঙ্কা সফরে চারটি টেস্ট শতকসহ দুইবার নব্বুইয়ের কোটা স্পর্শ করেছিলেন। তাসত্ত্বেও অ্যালান বর্ডার পদক লাভ করা থেকে বঞ্চিত হয়েছিলেন।

৫০-ওভারের খেলায় উল্লেখযোগ্য অবদান রাখেন। বিশ্বকাপ ও চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফির শিরোপা বিজয়ের সাথে নিজেকে জড়ান। নর্দার্ন টেরিটরির একমাত্র ক্রিকেটার হিসেবে অস্ট্রেলিয়ার পক্ষে খেলেছেন ও দলের দীর্ঘদিনের একনিষ্ঠ ব্যাটসম্যানের পরিচিতি ঘটিয়েছেন।

ক্রিকেট থেকে অবসর গ্রহণের পর ধারাভাষ্য কর্মের দিকে ঝুঁকে পড়েন।

Similar Posts

  • | |

    অস্টিন ম্যাথুজ

    ৩ মে, ১৯০৪ তারিখে ওয়েলসের পেনার্থ এলাকায় জন্মগ্রহণকারী পেশাদার ক্রিকেটার ও কোচ ছিলেন। মূলতঃ বোলার হিসেবে দলে ভূমিকা রাখতেন। ডানহাতে ফাস্ট-মিডিয়াম বোলিংয়ের পাশাপাশি ডানহাতে নিচেরসারিতে ব্যাটিংয়ে নামতেন। ১৯৩০-এর দশকে ইংল্যান্ডের পক্ষে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে অংশ নিয়েছিলেন। প্রায় অনবদ্য খেলোয়াড়ী জীবন অতিবাহিত করেছেন। ল্যামপিটারভিত্তিক সেন্ট ডেভিডস কলেজে অধ্যয়ন করেছেন। দারুণ ক্রীড়াবিদ হিসেবে সুনাম কুড়িয়েছেন। ক্রিকেটের পাশাপাশি রাগবি…

  • |

    চামিকা করুণারত্নে

    ২৯ মে, ১৯৯৬ তারিখে কলম্বোয় জন্মগ্রহণকারী ক্রিকেটার। দলে তিনি মূলতঃ বোলারের ভূমিকায় অবতীর্ণ হয়েছেন। ডানহাতে মিডিয়াম-ফাস্ট বোলিং করে থাকেন। এছাড়াও, ডানহাতে ব্যাটিংয়ে পারদর্শী। শ্রীলঙ্কার পক্ষে সকল স্তরের আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে অংশ নিয়েছেন। কলম্বোভিত্তিক রয়্যাল কলেজে অধ্যয়ন করেছেন। ক্রিকেটের পাশাপাশি অন্যান্য ক্রীড়ায় দক্ষতার বহিঃপ্রকাশ ঘটিয়েছেন। জাতীয় পর্যায়ে বর্শানিক্ষেপে চ্যাম্পিয়ন ছিলেন ও আন্তর্জাতিক অঙ্গনে ব্যাডমিন্টনে প্রতিনিধিত্ব করেছেন। শ্রীলঙ্কার…

  • | |

    রাজিন সালেহ

    ২০ নভেম্বর, ১৯৮৩ তারিখে সিলেটে জন্মগ্রহণকারী ক্রিকেটার। মূলতঃ ব্যাটসম্যান হিসেবে খেলতেন। ডানহাতে ব্যাটিং করতেন। এছাড়াও, ডানহাতে অফ-ব্রেক বোলিংয়ে পারদর্শী ছিলেন। ২০০০-এর দশকে বাংলাদেশের পক্ষে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে অংশ নিয়েছেন। পাশাপাশি, বাংলাদেশ দলকে নেতৃত্ব দিয়েছেন। সর্বদাই জেলা কিংবা বিভাগীয় দলের ব্যাটিং স্তম্ভ হিসেবে অলোক কাপালী’র স্ট্রোকপ্লের পাশাপাশি নিজেকে সমুজ্জ্বল রাখতে তৎপর ছিলেন। বয়সভিত্তিক প্রতিযোগিতায় তারকা খেলোয়াড়ের মর্যাদাপ্রাপ্ত…

  • |

    সায়মন হারমার

    ১০ ফেব্রুয়ারি, ১৯৮৯ তারিখে ট্রান্সভালের প্রিটোরিয়ায় জন্মগ্রহণকারী বিখ্যাত ক্রিকেটার। মূলতঃ বোলার হিসেবে দলে ভূমিকা রাখছেন। ডানহাতে অফ-ব্রেক বোলিং করে থাকেন। এছাড়াও, ডানহাতে নিচেরসারিতে কার্যকর ব্যাটিং শৈলী প্রদর্শন করেন। দক্ষিণ আফ্রিকার পক্ষে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে অংশ নিয়েছেন। ২০০৯-১০ মৌসুম থেকে প্রথম-শ্রেণীর খেলোয়াড়ী জীবন চলমান রাখেন। ঘরোয়া আসরের প্রথম-শ্রেণীর দক্ষিণ আফ্রিকান ক্রিকেটে ওয়ারিয়র্স, বর্ডার ও ইস্টার্ন প্রভিন্স এবং…

  • |

    রেগ পার্কস

    ৪ অক্টোবর, ১৯১১ তারিখে হিয়ারফোর্ড এলাকায় জন্মগ্রহণকারী ক্রিকেটার ছিলেন। দলে মূলতঃ বোলিং কর্মে অগ্রসর হতেন। ডানহাতে ফাস্ট-মিডিয়াম বোলিংয়ের পাশাপাশি বামহাতে ব্যাটিংয়ে নামতেন। ১৯৩০-এর দশকে ইংল্যান্ডের পক্ষে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে অংশ নিয়েছিলেন। অনেক ক্রিকেট বিশ্লেষকই তাঁকে সর্বাপেক্ষা উপেক্ষিত বোলার হিসেবে চিত্রিত করেছেন। অথচ, ১৯৩০-এর দশক থেকে ১৯৫০-এর দশক পর্যন্ত ওরচেস্টারশায়ারের প্রধান বোলিং চালিকাশক্তি হিসেবে বিবেচিত হয়েছিলেন। ক্রিকেটপ্রেমী…

  • | |

    তেম্বা বাভুমা

    ১৭ মে, ১৯৯০ তারিখে কেপ প্রভিন্সের কেপটাউনে জন্মগ্রহণকারী ক্রিকেটার। মূলতঃ মাঝারিসারির ব্যাটসম্যান হিসেবে খেলছেন। ডানহাতে ব্যাটিং করছেন। এছাড়াও, ডানহাতে মিডিয়াম বোলিং করে থাকেন। দক্ষিণ আফ্রিকার পক্ষে সকল স্তরের আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে অংশ নিয়েছেন। এছাড়াও, দক্ষিণ আফ্রিকা দলের অধিনায়কের দায়িত্ব পালন করেছেন। ছোটখাটো ৫ ফুট ৬ ইঞ্চি উচ্চতার অধিকারী। তাসত্ত্বেও, অপূর্ব ধৈর্য্যশীলতার স্বাক্ষর রেখে খেলায় অংশ নিচ্ছেন।…