১৩ ডিসেম্বর, ১৯৮৭ তারিখে গায়ানায় জন্মগ্রহণকারী ক্রিকেটার। মূলতঃ বোলার হিসেবে খেলেছেন। ডানহাতে ফাস্ট-মিডিয়াম বোলিংয়ের পাশাপাশি ডানহাতে নিচেরসারিতে ব্যাটিং করতেন। ২০১০-এর দশকে ওয়েস্ট ইন্ডিজের পক্ষে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে অংশ নিয়েছেন।
দীর্ঘকায় গড়নের ফাস্ট বোলার হিসেবে তিনি বার্বাডোসভিত্তিক হাই পারফরম্যান্স সেন্টার থেকে প্রশিক্ষণ গ্রহণের জন্যে মনোনীত হন। ঘরোয়া আসরের প্রথম-শ্রেণীর ওয়েস্ট ইন্ডিয়ান ক্রিকেটে গায়ানার প্রতিনিধিত্ব করেছেন। এছাড়াও, সাগিকর হাই পারফরম্যান্স সেন্টারের পক্ষে খেলেছেন। ২০০৮ থেকে ২০১২ সময়কালে প্রথম-শ্রেণীর খেলোয়াড়ী জীবন চলমান রাখেন। ৪ জানুয়ারি, ২০০৮ তারিখে পোর্ট অব স্পেনে ত্রিনিদাদ ও টোবাগো বনাম গায়ানার মধ্যকার খেলায় অংশ নেয়ার মাধ্যমে প্রথম-শ্রেণীর খেলোয়াড়ী জীবনের সূত্রপাত ঘটান।
২০১০ সালে ওয়েস্ট ইন্ডিজের পক্ষে একটিমাত্র টেস্টে অংশগ্রহণের সুযোগ লাভ করেছিলেন। ২০১০ সালে নিজ দেশে গ্রায়েম স্মিথের নেতৃত্বাধীন স্প্রিংবকের মুখোমুখি হন। ২৬ জুন, ২০১০ তারিখে বার্বাডোসের কেনসিংটন ওভালে অনুষ্ঠিত সফররত দক্ষিণ আফ্রিকার বিপক্ষে সিরিজের তৃতীয় ও চূড়ান্ত টেস্টে তাঁর অভিষেক পর্ব সম্পন্ন হয়। এ টেস্টের পূর্বে প্রস্তুতিমূলক খেলায় নেলন পাসক্যাল নাকে আঘাত পেলে তাঁকে জরুরীভিত্তিতে খেলার জন্য আমন্ত্রণ জানানো হয়। এরফলে, তিনি চতুর্দশ বার্বিসীয় হিসেবে টেস্ট খেলার গৌরব অর্জন করেন। ১৯৭৯ সালে জন ট্রিমের পর বারবাইসের দ্বিতীয় ফাস্ট বোলার হিসেবে খেলেন। ১৩ ওভারে বেশ রান খরচ করে ফেলেন। তবে, নাইটওয়াচম্যান পল হ্যারিসের উইকেট পেয়েছিলেন। খেলায় তিনি বল হাতে নিয়ে ১/৬৫ ও ০/২৭ বোলিং বিশ্লেষণ দাঁড় করান। এছাড়াও, ব্যাট হাতে নিয়ে ১১* ও ০ রান সংগ্রহসহ একটি রান-আউটের সাথে নিজেকে জড়ান। এরপর, আর তাঁকে খেলতে দেখা যায়নি। পরবর্তীকালে, এটিই তাঁর সর্বশেষ টেস্টে পরিণত হয়। যোহান বোথা’র বোলিং সাফল্যে স্বাগতিকরা ৭ উইকেটে পরাজয়বরণ করলে ২-০ ব্যবধানে সিরিজ খোঁয়ায়।
