২৭ আগস্ট, ১৯৯১ তারিখে সাউথ অস্ট্রেলিয়ার লক্সটন এলাকায় জন্মগ্রহণকারী ক্রিকেটার। মূলতঃ উইকেট-রক্ষক-ব্যাটসম্যান হিসেবে খেলছেন। উইকেট-রক্ষণের দায়িত্ব পালনের পাশাপাশি বামহাতে ব্যাটিং করেন। অস্ট্রেলিয়ার পক্ষে সকল স্তরের আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে অংশ নিয়েছেন।
১.৮২ মিটার উচ্চতার অধিকারী। গর্ডন ক্যারি ও আন্দ্রিয়া ক্যারি দম্পতির সন্তান। খেলোয়াড়ী জীবনের শুরুরদিকে গ্রেড ক্রিকেটে শুধুমাত্র ব্যাটসম্যান হিসেবে খেলতেন। গ্লেনেগের প্রতিনিধিত্ব করতেন। তেমন সুবিধে করতে পারেননি। অতঃপর, উইকেট-রক্ষণের দায়িত্ব পালনে অগ্রসর হন। গ্লাভস হাতে বেশ বিশ্বস্ততার পরিচয় দিয়েছেন। এরফলে, প্রথম একাদশের খেলার পথ সুগম হয়। মাঝারিসারিতে নিচেরদিকে ব্যাটিংয়ে নামেন। সাত নম্বর অবস্থানে খেলে থাকেন।
২০১২-১৩ মৌসুম থেকে প্রথম-শ্রেণীর খেলোয়াড়ী জীবন চলমান রাখছেন। ঘরোয়া আসরের প্রথম-শ্রেণীর অস্ট্রেলীয় ক্রিকেটে সাউথ অস্ট্রেলিয়া ও ইংরেজ কাউন্টি ক্রিকেটে সাসেক্সের প্রতিনিধিত্ব করেছেন। এছাড়াও, অ্যাডিলেড স্ট্রাইকার্স ও দিল্লি ক্যাপিটালসের পক্ষে খেলেছেন। সাউথ অস্ট্রেলিয়ার অন্যতম তারকা খেলোয়াড়ের মর্যাদা পেয়েছেন। ২০১৩-১৪ মৌসুমে রুকি চুক্তিতে দলটিতে খেলেন। ১৯ ফেব্রুয়ারি, ২০১৩ তারিখে অ্যাডিলেডে অনুষ্ঠিত নিউ সাউথ ওয়েলস বনাম সাউথ অস্ট্রেলিয়ার মধ্যকার খেলায় অংশ নেয়ার মাধ্যমে প্রথম-শ্রেণীর খেলোয়াড়ী জীবনের সূত্রপাত ঘটান।
২০১৫-১৬ মৌসুমে সাউথ অস্ট্রেলিয়ার নিয়মিত উইকেট-রক্ষক টিম লুডম্যানের স্থলাভিষিক্ত হন। ২০১৬-১৭ মৌসুমের শেফিল্ড শীল্ডে ৫৭ ক্যাচ তালুবন্দী করে দল নির্বাচকমণ্ডলীর দৃষ্টিগোচরে চলে আসেন। ২০১৭-১৮ মৌসুমের অ্যাশেজ সিরিজকে ঘিরে আলোচনায় চলে আসেন। তবে, টিম পেইনের প্রত্যাবর্তনে ব্যাগি গ্রীন ক্যাপ লাভ করা থেকে বঞ্চিত হন। কিন্তু, আশা ত্যাগ করেননি। ২০১৮ সালে বিবিএলে দারুণ খেলে ওডিআই ও টি২০আই দলে জায়গা করে নেন।
২০১৮ সাল থেকে অস্ট্রেলিয়ার পক্ষে সকল স্তরের আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে অংশ নিচ্ছেন। ১৯ জানুয়ারি, ২০১৮ তারিখে ব্রিসবেনে অনুস্ঠিত সফররত ইংল্যান্ডের বিপক্ষে ওডিআইয়ে অংশ নেয়ার মাধ্যমে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে প্রবেশ করেন। টি২০আই ও ওডিআইয়ে অস্ট্রেলিয়া দলের সহঃঅধিনায়কের দায়িত্ব পালন করেছেন।
প্রচণ্ড পরিশ্রমের স্বীকৃতিস্বরূপ ২০১৮ সালের দ্বিতীয়ার্ধ্বে তাঁর অস্ট্রেলিয়ার সীমিত-ওভারের দলে রাখা হয়। ইংল্যান্ডে অনুষ্ঠিত ২০১৯ সালের বিশ্বকাপ ক্রিকেট প্রতিযোগিতায় অংশ নিয়েছেন। এসসিজিতে সাউথ অস্ট্রেলিয়ার সদস্যরূপে নিউ সাউথ ওয়েলসের বিপক্ষে ১১০ রানের অপরাজিত ইনিংস খেলেছিলেন।
২০২১-২২ মৌসুমে নিজ দেশে জো রুটের নেতৃত্বাধীন ইংরেজ দলের মুখোমুখি হন। ৮ ডিসেম্বর, ২০২১ তারিখে ব্রিসবেনে অনুষ্ঠিত সফররত ইংল্যান্ডের বিপক্ষে সিরিজের উদ্বোধনী টেস্টে তাঁর অভিষেক পর্ব সম্পন্ন হয়। খেলায় তিনি ১২ ও ৯ রান সংগ্রহ করেন। এছাড়াও, উইকেটের পিছনে অবস্থান করে নয়টি ক্যাচ গ্লাভসবন্দী করেছিলেন। ট্রাভিস হেডের অসাধারণ শতকে ভর করে স্বাগতিকরা ৯ উইকেটে জয় পেলে পাঁচ-টেস্ট নিয়ে গড়া সিরিজে এগিয়ে যায়।
এরপর, ১৬ ডিসেম্বর, ২০২১ তারিখে অ্যাডিলেডে অনুষ্ঠিত সিরিজের দিবা-রাত্রির দ্বিতীয় টেস্টে অংশ নেন। খেলায় তিনি ৫১ ও ৬ রান সংগ্রহ করেছিলেন। এছাড়াও, উইকেটের পিছনে অবস্থান করে দুইটি ক্যাচ গ্লাভসবন্দীকরণে অগ্রসর হন। তবে, মারনাস লাবুশেনের অসাধারণ ব্যাটিংশৈলীর কল্যাণে স্বাগতিকরা ২৭৫ রানে জয় পেলে পাঁচ-টেস্ট নিয়ে গড়া সিরিজে ২-০ ব্যবধানে এগিয়ে যায়।
একই সফরের ৫ জানুয়ারি, ২০২২ তারিখে সিডনিতে অনুষ্ঠিত সিরিজের চতুর্থ টেস্টে অংশ নেন। খেলায় তিনি ১৩ ও ০ রান সংগ্রহ করেছিলেন। এছাড়াও, উইকেটের পিছনে অবস্থান করে চারটি ক্যাচ গ্লাভসবন্দীকরণে অগ্রসর হন। উসমান খাজা’র জোড়া শতক সত্ত্বেও খেলাটি ড্রয়ের দিকে গড়ালে স্বাগতিকরা ৩-০ ব্যবধানে এগিয়ে থাকে।
২০২২-২৩ মৌসুমে নিজ দেশে ডিন এলগারের নেতৃত্বাধীন স্প্রিংবকের মুখোমুখি হন। ২৬ ডিসেম্বর, ২০২২ তারিখে মেলবোর্নে অনুষ্ঠিত সফররত দক্ষিণ আফ্রিকার বিপক্ষে সিরিজের দ্বিতীয় টেস্টে অংশ নেন। ব্যক্তিগতভাবে বেশ সফল ছিলেন। প্রথম ইনিংসে ব্যক্তিগত পূর্বতন সর্বোচ্চ ৯৩ রান অতিক্রম করেন। এ পর্যায়ে টেস্টে নিজস্ব প্রথম শতক হাঁকান। খেলায় তিনি দলের একমাত্র ইনিংসে ১১১ রান সংগ্রহ করেছিলেন। এছাড়াও, উইকেটের পিছনে অবস্থান করে চারটি ক্যাচ গ্লাভসবন্দীকরণে অগ্রসর হন। ডেভিড ওয়ার্নারের অসাধারণ দ্বি-শতকের কল্যাণে স্বাগতিকরা ইনিংস ও ১৮২ রানে জয়লাভ করলে তিন-টেস্ট নিয়ে গড়া সিরিজে ২-০ ব্যবধানে এগিয়ে যায়।
একই মৌসুমে প্যাট কামিন্সের নেতৃত্বাধীন অজি দলের সাথে ভারত সফরে যান। ১৭ ফেব্রুয়ারি, ২০২৩ তারিখে দিল্লিতে অনুষ্ঠিত স্বাগতিক ভারতের বিপক্ষে সিরিজের দ্বিতীয় টেস্টে অংশ নেন। খেলায় তিনি ব্যাট হাতে নিয়ে ০ ও ৭ রান সংগ্রহসহ একটি রান-আউটের সাথে নিজেকে জড়ান। এছাড়াও, একটি স্ট্যাম্পিং ও সমসংখ্যক ক্যাচ গ্লাভসবন্দীকরণে অগ্রসর হন। রবীন্দ্র জাদেজা’র অসাধারণ অল-রাউন্ডশৈলীতে সফরকারীরা ৬ উইকেটে পরাভূত হলে চার-টেস্ট নিয়ে গড়া সিরিজে ২-০ ব্যবধানে পিছিয়ে পড়ে।
২০২৩-২৪ মৌসুমে প্যাট কামিন্সের নেতৃত্বাধীন অজি দলের সদস্যরূপে নিউজিল্যান্ড সফরে যান। ৮ মার্চ, ২০২৪ তারিখে ক্রাইস্টচার্চে অনুষ্ঠিত স্বাগতিক নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে সিরিজের দ্বিতীয় টেস্টে অংশ নেন। দূর্দান্ত ক্রীড়া নৈপুণ্য প্রদর্শনে অগ্রসর হন। ব্যাট হাতে নিয়ে ১৪ ও ৯৮* রান সংগ্রহ করেছিলেন। এছাড়াও, দশটি ক্যাচ গ্লাভসবন্দী করেছিলেন। তাঁর অসাধারণ অল-রাউন্ড ক্রীড়াশৈলীর কল্যাণে স্বাগতিকরা ৩ উইকেটে জয় পেলে ২-০ ব্যবধানে সিরিজ খোঁয়ায়। খেলায় তিনি ম্যান অব দ্য ম্যাচের পুরস্কার লাভ করেন।
২০২৪-২৫ মৌসুমে নিজ দেশে রোহিত শর্মা’র নেতৃত্বাধীন ভারতীয় দলের মুখোমুখি হন। ১৪ ডিসেম্বর, ২০২৪ তারিখে ব্রিসবেনে অনুষ্ঠিত সফররত ভারতের বিপক্ষে সিরিজের তৃতীয় টেস্টে অংশ নেন। ব্যক্তিগত সফলতার সন্ধান পান। দ্বিতীয় ইনিংসে ১৯ রানে পৌঁছানোকালে টেস্টে ১৫০০ রানের মাইলফলক স্পর্শ করেন। খেলায় তিনি ৭০ ও ২০* রান সংগ্রহ করেছিলেন। এছাড়াও, উইকেটের পিছনে অবস্থান করে চারটি ক্যাচ ও একটি স্ট্যাম্পিংয়ের সাথে নিজেকে জড়ান। ট্রাভিস হেডের অসাধারণ ব্যাটিং দৃঢ়তায় খেলাটি ড্রয়ের দিকে গড়ালে পাঁচ-টেস্ট নিয়ে গড়া সিরিজটি ১-১ ব্যবধানে অগ্রসর হতে থাকে।
একই মৌসুমে স্টিভেন স্মিথের নেতৃত্বাধীন অজি দলের অন্যতম সদস্যরূপে শ্রীলঙ্কা গমন করেন। ২৯ জানুয়ারি, ২০২৫ তারিখে গলেতে অনুষ্ঠিত স্বাগতিক শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে সিরিজের উদ্বোধনী টেস্টে অংশ নেন। খেলায় তিনি দলের একমাত্র ইনিংসে ৪৬* রান সংগ্রহ করেছিলেন। এছাড়াও, উইকেটের পিছনে অবস্থান করে একটি ক্যাচ ও তিনটি স্ট্যাম্পিংয়ের সাথে নিজেকে জড়ান। তবে, উসমান খাজা’র অসাধারণ দ্বি-শতরানের কল্যাণে সফরকারীরা ইনিংস ও ২৪২ রানে জয় পেলে দুই-টেস্ট নিয়ে গড়া সিরিজে এগিয়ে যায়।
এরপর, ৬ ফেব্রুয়ারি, ২০২৫ তারিখে গলেতে অনুষ্ঠিত সিরিজের দ্বিতীয় ও চূড়ান্ত টেস্টে অংশ নেন। অসাধারণ ক্রীড়া নৈপুণ্যের স্বাক্ষর রাখেন। ব্যক্তিগত সফলতার ছাঁপ রাখেন। প্রথম ইনিংসে ব্যক্তিগত পূর্বতন সর্বোচ্চ ১১১ রান অতিক্রম করেন। খেলায় তিনি দলের একমাত্র ইনিংসে ১৫৬ রান সংগ্রহ করেছিলেন। ১৮৮ বল মোকাবেলায় তাঁর এ শতকটি দ্বিতীয় ও শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে প্রথম ছিল। এ পর্যায়ে ৩৫.১৪ গড়ে ১৭৫৭ রান সংগ্রহ করেছিলেন। এছাড়াও, উইকেটের পিছনে অবস্থান করে তিনটি ক্যাচ ও একটি স্ট্যাম্পিংয়ের সাথে নিজেকে জড়ান। তাঁর অসাধারণ শতকের কল্যাণে সফরকারীরা ৯ উইকেটে জয় পেলে ২-০ ব্যবধানে সিরিজে বিজয়ী হয়। খেলায় তিনি ম্যান অব দ্য ম্যাচের পুরস্কার লাভ করেন।
২০২৫ সালে প্যাট কামিন্সের নেতৃত্বাধীন অজি দলের অন্যতম সদস্যরূপে ক্যারিবীয় দ্বীপপুঞ্জ গমন করেন। ৩ জুলাই, ২০২৫ তারিখে সেন্ট জর্জেসে অনুষ্ঠিত স্বাগতিক ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে সিরিজের দ্বিতীয় টেস্টে অংশ নেন। খেলায় তিনি দূর্দান্ত ক্রীড়া নৈপুণ্যের স্বাক্ষর রাখেন। ৬৩ ও ৩০ রান সংগ্রহ করেন। এছাড়াও, উইকেটের পিছনে অবস্থান করে চারটি ক্যাচ গ্লাভসবন্দী করেছিলেন। তাঁর অসাধারণ অল-রাউন্ড ক্রীড়াশৈলীতে স্বাগতিকরা ১৩৩ রানে পরাভূত হলে তিন-টেস্ট নিয়ে গড়া সিরিজে ২-০ ব্যবধানে পিছিয়ে পড়ে। খেলায় তিনি ম্যান অব দ্য ম্যাচের পুরস্কার পান।
এরপর, ১২ জুলাই, ২০২৫ তারিখে কিংস্টনে অনুষ্ঠিত দিবা-রাত্রির তৃতীয় ও চূড়ান্ত টেস্টে অংশ নেন। খেলায় তিনি ব্যাট হাতে নিয়ে ২১ ও ০ রান সংগ্রহ করেন। এছাড়াও, উইকেটের পিছনে অবস্থান করে একটি ক্যাচ গ্লাভসবন্দীকরণের সাথে নিজেকে সম্পৃক্ত রাখেন। তবে, মিচেল স্টার্কের অসাধারণ ক্রীড়াশৈলীর কল্যাণে স্বাগতিকরা ১৭৬ রানে পরাভূত হলে ৩-০ ব্যবধানে সিরিজ খোঁয়ায়।
২০২৫-২৬ মৌসুমে নিজ দেশে বেন স্টোকসের নেতৃত্বাধীন ইংরেজ দলের মুখোমুখি হন। ৪ জানুয়ারি, ২০২৬ তারিখে সিডনিতে অনুষ্ঠিত সফররত ইংল্যান্ডের বিপক্ষে সিরিজের পঞ্চম ও চূড়ান্ত টেস্টে অংশ নেন। খেলায় তিনি ১৬ ও ১৬* রান সংগ্রহ করেন। এছাড়াও, উইকেটে পিছনে অবস্থান করে পাঁচটি ক্যাচ গ্লাভসবন্দীকরণে অগ্রসর হন। তবে, ট্রাভিস হেডের অসাধারণ ব্যাটিংয়ের কল্যাণে স্বাগতিকরা ৫ উইকেটে জয় পেলে ৪-১ ব্যবধানে সিরিজে বিজয়ী হয়।
২০২৬ সালে নিজ দেশে নাজমুল হোসেন শান্ত’র নেতৃত্বাধীন বাংলাদেশী দলের মুখোমুখি হন। ১৩ আগস্ট, ২০২৬ তারিখে ডারউইনে অনুষ্ঠিত সফররত বাংলাদেশের বিপক্ষে সিরিজের উদ্বোধনী টেস্টে অংশ নেন। খেলায় তিনি ব্যাট হাতে নিয়ে ১৯ ও ৩০ রান করে সংগ্রহ করেছিলেন। এছাড়াও, উইকেটে পিছনে অবস্থান করে তিনটি ক্যাচ গ্লাভসবন্দীকরণে অগ্রসর হন। হাসান মাহমুদের স্মরণীয় বোলিং সাফল্যে সফরকারীরা ৯ উইকেটে জয় পেলে দুই-টেস্ট নিয়ে গড়া সিরিজে এগিয়ে যায় ও টেস্টের ইতিহাসে সবচেয়ে বড় অঘটনের জন্ম দেয়।
ক্রিকেটের পাশাপাশি পেশাদারী পর্যায়ে ফুটবলসহ অস্ট্রেলীয় রুলস ফুটবলে সিদ্ধ হস্তের অধিকারী। ২০১০ সালে ঘরোয়া লীগে গ্রেট ওয়েস্টার্ন সিডনি জায়ান্টসের অধিনায়কের দায়িত্ব পালন করেছেন। তবে, ২০১২ সালে দলটি অস্ট্রেলিয়ান ফুটবল লীগে যোগ দিলে তিনি দল ত্যাগ করে। এরপর, ক্রিকেটের দিকে ঝুঁকে পড়েন।
ব্যক্তিগত জীবনে বিবাহিত। এলোইজ কেরি নাম্নী এক রমণীর পাণিগ্রহণ করেছেন।
