৬ ফেব্রুয়ারি, ১৯১১ তারিখে ট্রান্সভালের জোহানেসবার্গে জন্মগ্রহণকারী ক্রিকেটার ছিলেন। মূলতঃ ব্যাটসম্যান হিসেবে দলে ভূমিকা রেখেছিলেন। ডানহাতে ব্যাটিং কর্মে মনোনিবেশ ঘটাতেন। ১৯৩০-এর দশকে দক্ষিণ আফ্রিকার পক্ষে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে অংশ নিয়েছিলেন।

১৯৩১-৩২ মৌসুম থেকে ১৯৩৯-৪০ মৌসুম পর্যন্ত সময়কালে প্রথম-শ্রেণীর খেলোয়াড়ী জীবন অতিবাহিত করেছেন। ঘরোয়া আসরের প্রথম-শ্রেণীর দক্ষিণ আফ্রিকান ক্রিকেটে ট্রান্সভালের প্রতিনিধিত্ব করেছেন। ট্রান্সভালের তারকা খেলোয়াড়ের মর্যাদা পান। ১৯৩৫-৩৬ মৌসুমে সফররত অস্ট্রেলীয় একাদশের বিপক্ষে রাজ্য দলের সদস্যরূপে ৬০ ও ১৮ এবং ২১ ও ১১ রান তুলেন। ফলশ্রুতিতে, দক্ষিণ আফ্রিকা দলের পক্ষে খেলার জন্যে মনোনীত হন।

১৯৩৫ থেকে ১৯৩৯ সাল পর্যন্ত সময়কালে দক্ষিণ আফ্রিকার পক্ষে দুইটিমাত্র টেস্টে অংশগ্রহণের সুযোগ পেয়েছিলেন। ১৯৩৫-৩৬ মৌসুমে নিজ দেশে ভিক রিচার্ডসনের নেতৃত্বাধীন অজি দলের মুখোমুখি হন। ২৪ ডিসেম্বর, ১৯৩৫ তারিখে কেপটাউনে অনুষ্ঠিত সফররত অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে সিরিজের দ্বিতীয় টেস্টে অংশ নেন। আর্নেস্ট বকের সাথে তাঁর একযোগে টেস্ট অভিষেক পর্ব সম্পন্ন হয়। খেলায় তিনি ১৫ ও ১৬ রান তুলতে পেরেছিলেন। পাশাপাশি, একটি ক্যাচ তালুবন্দীকরণে অগ্রসর হন। ইনিংস ও ৭৮ রানে জয় পেলে সফরকারীরা ২-০ ব্যবধানে এগিয়ে যায়। খেলাটি ড্রয়ে পরিণত হলে সফরকারীরা পাঁচ-টেস্ট নিয়ে গড়া সিরিজে ১-০ ব্যবধানে এগিয়ে যায়। ফলশ্রুতিতে, দল থেকে বাদ পড়েন।

১৯৩৮-৩৯ মৌসুমে ডব্লিউ. আর. হ্যামন্ডের নেতৃত্বাধীন সফররত এমসিসি দলের বিপক্ষেও একইমানের ক্রীড়াশৈলী প্রদর্শন করেন। এরপর, ট্রান্সভালের পক্ষে ৪২ ও অপরাজিত ৩৮ এবং কম্বাইন্ড ট্রান্সভালের পক্ষে ২ ও অপরাজিত ১২ রান তুলেন। তাসত্ত্বেও, ৩১ ডিসেম্বর, ১৯৩৯ তারিখে কেপটাউনে অনুষ্ঠিত সফররত ইংল্যান্ড দলের বিপক্ষে সিরিজের দ্বিতীয় টেস্টে অংশগ্রহণের সুযোগ পান। এ পর্যায়ে খেলায় তিনি একবার ব্যাটিংয়ে নেমে  ২ রানে বিদেয় নেন। খেলাটি ড্রয়ে পরিণত হলে পাঁচ-টেস্ট নিয়ে গড়া সিরিজটি ফলাফলবিহীন অবস্থায় অগ্রসর হতে থাকে। পরবর্তীকালে, এটিই তাঁর সর্বশেষ টেস্টে পরিণত হয়। কারি কাপের খেলায় ১৯১ ও ১৪০ রান তুলেন।

হুবার্টা ও ইয়ন্টে দুঃসাহসিকতার স্বীকৃতিস্বরূপ মিলিটারি ক্রস লাভ করেন। আবারও অত্যন্ত সাহসিকতা ও নির্ভীকতা প্রদর্শনে অগ্রসর হলে ২২ এপ্রিল, ১৯৪১ তারিখে ইথিওপিয়ার কাছাকাছি ডেসাই এলাকায় মাত্র ৩০ বছর ৭৫ দিন বয়সে তাঁর জীবনাবসান ঘটে। দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ চলাকালীন ক্যাপ্টেন পদবীধারী ছিলেন। জোহানেসবার্গভিত্তিক সংবাদপত্রের প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয় যে, আবিসিনিয়া অভিযানে তিনি নিহত হন। দক্ষিণ আফ্রিকান ক্রিকেটে অত্যন্ত জনপ্রিয় ক্রিকেটার – ব্রুস মিচেলআর. ই. গ্রিভসন তাঁর সাথে যুদ্ধে অংশ নেন।

সম্পৃক্ত পোস্ট