১৪ সেপ্টেম্বর, ১৯৫৯ তারিখে অকল্যান্ডে জন্মগ্রহণকারী ক্রিকেটার ও কোচ। মূলতঃ বোলার হিসেবে দলে ভূমিকা রেখে গেছেন। ডানহাতে মিডিয়াম বোলিং করতেন। এছাড়াও, ডানহাতে নিচেরসারিতে ব্যাটিংয়ে নামতেন। নিউজিল্যান্ডের পক্ষে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে অংশ নিয়েছেন।
একই পরিবারের চারজন ভ্রাতার অন্যতম হিসেবে প্রথম-শ্রেণীর ক্রিকেট খেলেছেন।
১৯৭৮ সালে মার্ক বার্জেসের নেতৃত্বাধীন কিউই দলের সাথে প্রথমবারের মতো ইংল্যান্ড সফর করেন। ২৭ জুলাই, ১৯৭৮ তারিখে লন্ডনের ওভালে একই দলের বিপক্ষে সিরিজের উদ্বোধনী টেস্টে অংশ নেন। ব্রুস এডগারের সাথে তাঁর একযোগে টেস্ট অভিষেক পর্ব সম্পন্ন হয়। এ পর্যায়ে তিনি মাত্র তিনটি প্রথম-শ্রেণীর ক্রিকেট খেলায় অভিজ্ঞতালব্ধ ছিলেন। ওভালে অভিষেক ঘটা টেস্টে তাৎক্ষণিক ঝড় তুলেন। প্রথমবার বোলিংয়ে নেমে গ্রাহাম গুচ ও মাইক ব্রিয়ার্লিকে বিদেয় করেন। ২/৪৬ ও ১/২৬ বোলিং বিশ্লেষণ দাঁড় করানোসহ একটি ক্যাচ তালুবন্দী করেছিলেন। উভয় ইনিংসেই শূন্য রানে বিদেয় নিয়েছিলেন। তবে, ডেভিড গাওয়ারের অসাধারণ শতকের বদৌলতে স্বাগতিকরা ৭ উইকেটে জয় পেলে তিন-টেস্ট নিয়ে গড়া সিরিজে এগিয়ে যায়। তিন-টেস্ট নিয়ে গড়া ঐ সিরিজে ৯ উইকেট দখল করেছিলেন।
১৯৮০-৮১ মৌসুমে অস্ট্রেলিয়ার মাটিতে প্রথমবারের মতো টেস্ট খেলেন। ঐ মৌসুমে জিওফ হাওয়ার্থের নেতৃত্বাধীন কিউই দলের অন্যতম সদস্যরূপে অস্ট্রেলিয়া গমন করেন। ২৮ নভেম্বর, ১৯৮০ তারিখে ব্রিসবেনে অনুষ্ঠিত স্বাগতিক অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে সিরিজের উদ্বোধনী টেস্টে অংশ নেন। ব্যাট হাতে নিয়ে ০ ও ৮ রান সংগ্রহ করেছিলেন। এছাড়াও, ০/৭১ ও ০/০ বোলিং বিশ্লেষণ দাঁড় করান। গ্রায়েম উডের অসাধারণ ব্যাটিং নৈপুণ্যে সফরকারীরা ১০ উইকেটে পরাজিত হলে তিন-টেস্ট নিয়ে গড়া সিরিজে পিছিয়ে পড়ে।
কিন্তু ক্রমাগত আঘাতের কবলে পড়লে মাঠের বাইরে অবস্থান করতে হয়। পরবর্তী সাত বছরে আর মাত্র তিন টেস্ট খেলার সুযোগ পেয়েছিলেন। এরপর অনেকটা আগেভাগেই অবসর গ্রহণ করেন।
১৯৮৪-৮৫ মৌসুমে নিজ দেশে জাভেদ মিয়াঁদাদের নেতৃত্বাধীন পাকিস্তানী দলের মুখোমুখি হন। ৯ ফেব্রুয়ারি, ১৯৮৫ তারিখে ডুনেডিনে অনুষ্ঠিত সফররত পাকিস্তানের বিপক্ষে সিরিজের তৃতীয় ও চূড়ান্ত টেস্টে অংশ নেন। ব্যাট হাতে নিয়ে ৩ ও ৪ রান সংগ্রহ করেছিলেন। এছাড়াও, বল হাতে ২/৮১ ও ২/৪৮ বোলিং বিশ্লেষণ দাঁড় করান। তবে, ওয়াসিম আকরামের প্রাণবন্তঃ বোলিংশৈলী প্রদর্শন সত্ত্বেও স্বাগতিকরা ২ উইকেটে জয় পেলে ২-০ ব্যবধানে সিরিজে জয়লাভ করে। পরবর্তীতে, এটিই তাঁর সর্বশেষ টেস্টে পরিণত হয়। ১৯৮৯-৯০ মৌসুমে অস্ট্রেলিয়া সফরে তাঁকে বিস্ময়করভাবে দলে রাখা হয়। কিন্তু, দূর্ভাগ্যজনকভাবে এক খেলায় অংশ নেয়ার পরই তাঁকে বাদ দেয়া হয়। অবসর গ্রহণের পর বে অব প্লেন্টিতে নর্দার্ন ক্রিকেট একাডেমি পরিচালনায় অগ্রসর হন। ১৯ ডিসেম্বর, ২০০২ তারিখে নিউজিল্যান্ডে দ্রুতগতিসম্পন্ন কিশোর বোলারদের চিহ্নিত করতে নেতৃত্ব দেন।
