|

এফি জার্ভিস

১৯ অক্টোবর, ১৮৬০ তারিখে সাউথ অস্ট্রেলিয়ার হিন্ডমার্শ এলাকায় জন্মগ্রহণকারী ক্রিকেটার ছিলেন। মূলতঃ উইকেট-রক্ষণভাগ সামলাতেন। উইকেট-রক্ষকের দায়িত্ব পালনের পাশাপাশি ডানহাতে ব্যাটিং করতেন। অস্ট্রেলিয়ার পক্ষে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে অংশ নিয়েছেন।

ঘরোয়া আসরের প্রথম-শ্রেণীর অস্ট্রেলীয় ক্রিকেটে সাউথ অস্ট্রেলিয়ার প্রতিনিধিত্ব করেছেন। ১৮৭৭-৭৮ মৌসুম থেকে ১৯০০-০১ মৌসুম পর্যন্ত সময়কালে প্রথম-শ্রেণীর খেলোয়াড়ী জীবন অতিবাহিত করেছেন।

১৮৮৫ থেকে ১৮৯৫ সাল পর্যন্ত অস্ট্রেলিয়ার পক্ষে সর্বমোট ১১ টেস্টে অংশগ্রহণ করেছিলেন। ১৮৮৮ ও ১৮৯৩ সালে অস্ট্রেলিয়া দলের সদস্যরূপে ইংল্যান্ড গমন করেন। ১৮৮৪-৮৫ মৌসুমে নিজ দেশে আর্থার শ্রিউসবারি’র নেতৃত্বাধীন দলের মুখোমুখি হন। ১ জানুয়ারি, ১৮৮৫ তারিখে মেলবোর্নে অনুষ্ঠিত সফররত ইংল্যান্ডের বিপক্ষে সিরিজের দ্বিতীয় টেস্টে অংশ নেন। আলফ্রেড মার, হ্যারি মাসগ্রোভ, জ্যাক ওরেল, জন ট্রাম্বল, রোল্যান্ড পোপ, স্যাম মরিস, উইলিয়াম ব্রুসডিগার রবার্টসনের সাথে তাঁর একযোগে টেস্ট অভিষেক পর্ব সম্পন্ন হয়। খেলায় তিনি ব্যাট হাতে নিয়ে ৮২ ও ১০ রান সংগ্রহ করেছিলেন। সফরকারীরা ১০ উইকেটে জয় পেলে পাঁচ-টেস্ট নিয়ে গড়া সিরিজে ২-০ ব্যবধানে এগিয়ে যায়। 

একই সফরের ২১ মার্চ, ১৮৮৫ তারিখে মেলবোর্নে অনুষ্ঠিত সিরিজের পঞ্চম ও চূড়ান্ত টেস্টে অংশ নেন। রাবার নিষ্পত্তির খেলায় তিনি মাত্র ১৫ ও ১ রান সংগ্রহ করেছিলেন। ঘটনাবহুল এ টেস্টে বিলি মারডকের পর দ্বিতীয় অস্ট্রেলীয় অতিরিক্ত ফিল্ডারের ভূমিকার অবতীর্ণ হয়ে ইংল্যান্ডের পক্ষে একটি ক্যাচ গ্লাভসবন্দীকরণে অগ্রসর হয়েছিলেন। উইকেটের পিছনে অবস্থান করে একটি ক্যাচ তালুবন্দী করেছিলেন। খেলায় তাঁর দল ইনিংস ও ৯৮ রানে পরাভূত হলে ৩-২ ব্যবধানে সিরিজ খোঁয়ায়।

১৮৯৪-৯৫ মৌসুমে নিজ দেশে অ্যান্ড্রু স্টডার্টের নেতৃত্বাধীন এমসিসি দলের মুখোমুখি হন। ১ ফেব্রুয়ারি, ১৮৯৫ তারিখে সিডনিতে অনুষ্ঠিত সিরিজের চতুর্থ টেস্টে অংশ নেন। খেলায় তিনি দলের একমাত্র ইনিংসে ৫ রান সংগ্রহ করেছিলেন। এছাড়াও, উইকেটের পিছনে অবস্থান করে চারটি স্ট্যাম্পিংয়ের সাথে নিজেকে জড়ান। স্বাগতিকরা ইনিংস ও ১৪৭ রান জয়লাভ করলে পাঁচ-টেস্ট নিয়ে গড়া সিরিজে সমতায় আসতে সমর্থ হয়।

এরপর, ১ মার্চ, ১৮৯৫ তারিখে মেলবোর্নে অনুষ্ঠিত সিরিজের পঞ্চম ও চূড়ান্ত টেস্ট খেলেন। খেলায় তিনি ব্যাটিংয়ে নেমে ৩৪* ও ১৪* রান সংগ্রহ করেছিলেন। এছাড়াও, উইকেটের পিছনে অবস্থান করে দুইটি স্ট্যাম্পিংয়ের সাথে নিজেকে জড়ান। ৬ উইকেটে পরাজয়বরণ করলে স্বাগতিকরা ৩-২ ব্যবধানে রাবার খোঁয়ায়। পরবর্তীকালে, এটিই তাঁর সর্বশেষ টেস্টে অংশগ্রহণ ছিল।

১৫ নভেম্বর, ১৯৩৩ তারিখে সাউথ অস্ট্রেলিয়ার হিন্ডমার্শ এলাকায় ৭৩ বছর ২৭ দিন বয়সে তাঁর দেহাবসান ঘটে।

সম্পৃক্ত পোস্ট