১ অক্টোবর, ১৯৯৩ তারিখে রেডেনবার্গ এলাকায় জন্মগ্রহণকারী ক্রিকেটার। মূলতঃ বোলার হিসেবে দলে ভূমিকা রাখছেন। ডানহাতে মিডিয়াম-ফাস্ট বোলিং করেন। এছাড়াও, নিচেরসারিতে বামহাতে ব্যাটিংয়ে নামেন। দক্ষিণ আফ্রিকার পক্ষে সকল স্তরের আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে অংশ নিয়েছেন।
ওয়েস্টার্ন কেপ বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র ছিলেন। কিশোর পর্যায়ের ক্রিকেটে অংশ নিয়েছেন। বিদ্যালয়ে থাকাকালে বোল্যান্ডের প্রতিনিধিত্বমূলক দলের পক্ষে খেলতেন। দক্ষিণ আফ্রিকার অনূর্ধ্ব-১৯ দলের সদস্য ছিলেন। ২০১২ সালের আইসিসি অনূর্ধ্ব-১৯ বিশ্বকাপ ক্রিকেট প্রতিযোগিতায় অংশ নিয়ে সকলের পাদপ্রদীপে চলে আসেন। নিউল্যান্ডসে রুকি চুক্তিতে খেলতেন। জুনিয়র ডালা’র সাথে এমএসএলে নেলসন ম্যান্ডলা বে জায়ান্টসের পক্ষে দুই মৌসুম খেলেন।
সহজাত প্রকৃতির ও ক্ষীপ্রগতিসম্পন্ন বোলার হিসেবে পরিচিতি লাভ করেন। নিয়মিতভাবে ঘণ্টাপ্রতি ১৪০ কিলোমিটার গতিবেগে বোলিং করতে পারেন। ২০১২-১৩ মৌসুম থেকে প্রথম-শ্রেণীর খেলোয়াড়ী জীবন চলমান রাখছেন। ঘরোয়া আসরের প্রথম-শ্রেণীর দক্ষিণ আফ্রিকান ক্রিকেটে বোল্যান্ড ও কেপ কোবরাসের প্রতিনিধিত্ব করেছেন। ১১ অক্টোবর, ২০১২ তারিখে ইস্ট লন্ডনে অনুষ্ঠিত বর্ডার বনাম বোল্যান্ডের মধ্যকার খেলায় অংশ নেয়ার মাধ্যমে প্রথম-শ্রেণীর খেলোয়াড়ী জীবনের সূত্রপাত ঘটান। এ মৌসুমে ১৭ গড়ে ২৪ উইকেট পেয়েছিলেন। ধারাবাহিকতার অভাবে তাঁকে জাতীয় দলে খেলার জন্যে আমন্ত্রণ জানানো হয়নি ও দেশে দ্রুতগতিসম্পন্ন বোলারের অভাব না থাকায় ঘরোয়া প্রতিযোগিতাতেই তাঁর অংশগ্রহণ সীমাবদ্ধ ছিল।
র্যাম স্ল্যাম টি২০ প্রতিযোগিতায় কেপ কোবরাসের নিয়মিত সদস্য হিসেবে খেলতে থাকেন। আট বছর কোবরাসের পক্ষে খেলার পর ২০২০ সালে টাইটান্সে যোগ দেন।
২০২১ সাল থেকে দক্ষিণ আফ্রিকার পক্ষে টেস্ট, ওডিআই ও টি২০আইয়ে অংশ নিচ্ছেন। ১০ এপ্রিল, ২০২১ তারিখে জোহানেসবার্গে অনুষ্ঠিত সফররত পাকিস্তানের বিপক্ষে টি২০আইয়ে অংশ নেয়ার মাধ্যমে আন্তর্জাতিক ক্রিকেট অঙ্গনে প্রবেশ করেন। এরপর, ১৬ জুলাই, ২০২১ তারিখে ডাবলিনের মালাহাইডে অনুষ্ঠিত স্বাগতিক আয়ারল্যান্ডের বিপক্ষে প্রথমবারের মতো ওডিআইয়ে অংশ নেন। অভিষেকেই প্রথম বলে উইকেট লাভের কৃতিত্বের অধিকারী হন।
২৪ নভেম্বর, ২০২১ তারিখে মাংসপেশীতে টান পড়ার কারণে নেদারল্যান্ডসের বিপক্ষে ওডিআই সিরিজ থেকে বাদ পড়েন। ২০২১-২২ মৌসুমে নিজ দেশে মমিনুল হকের নেতৃত্বাধীন বাংলাদেশী দলের মুখোমুখি হন। ৩১ মার্চ, ২০২২ তারিখে ডারবানে অনুষ্ঠিত সফররত বাংলাদেশের বিপক্ষে সিরিজের উদ্বোধনী টেস্টে অংশ নেন। রায়ান রিকেলটনের সাথে তাঁর একযোগে টেস্ট অভিষেক পর্ব সম্পন্ন হয়। খেলায় তিনি ১২ ও ০ রান সংগ্রহসহ একটি ক্যাচ তালুবন্দী করেছিলেন। এছাড়াও, বল হাতে নিয়ে ৩/৫৪ বোলিং বিশ্লেষণ দাঁড় করান। তবে, কেশব মহারাজের অসাধারণ বোলিং সাফল্যে স্বাগতিকরা ২২০ রানে জয় পেলে দুই-টেস্ট নিয়ে গড়া সিরিজে এগিয়ে যায়।
একই সফরের ৮ এপ্রিল, ২০২২ তারিখে জিকিবার্হায় অনুষ্ঠিত সিরিজের দ্বিতীয় ও চূড়ান্ত টেস্টে অংশ নেন। ব্যক্তিগত সাফল্যের ছাঁপ রাখেন। প্রথম ইনিংসে ব্যক্তিগত পূর্বতন সর্বোচ্চ ১২ রান অতিক্রম করেন। খেলায় তিনি একবার ব্যাটিংয়ে নেমে ১৩ রান সংগ্রহসহ তিনটি ক্যাচ তালুবন্দী করেছিলেন। এছাড়াও, বল হাতে নিয়ে ০/৫১ বোলিং বিশ্লেষণ দাঁড় করান। তবে, কেশব মহারাজের অসাধারণ বোলিং সাফল্যে সফরকারীরা ৩৩২ রানে পরাজিত হলে ২-০ ব্যবধানে সিরিজ খোঁয়ায়।
