২৪ ডিসেম্বর, ১৯৮৮ তারিখে নিউ সাউথ ওয়েলসের কফস হার্বার এলাকায় জন্মগ্রহণকারী ক্রিকেটার। মূলতঃ বোলার হিসেবে দলে ভূমিকা রেখেছেন। ডানহাতে ফাস্ট-মিডিয়াম বোলিংয়ের পাশাপাশি ডানহাতে নিচেরসারিতে ব্যাটিংয়ে নামতেন। ২০১০-এর দশকে অস্ট্রেলিয়ার পক্ষে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে অংশ নিয়েছেন।
১.৯০ মিটার উচ্চতার অধিকারী। ঘরোয়া ক্রিকেটে অংশ নেয়ার লক্ষ্যে নিজ রাজ্য ছেড়ে সাউথ অস্ট্রেলিয়ায় চলে যান। ২০১১-১২ মৌসুম থেকে প্রথম-শ্রেণীর খেলোয়াড়ী জীবন চলমান রাখছেন। ঘরোয়া আসরের প্রথম-শ্রেণীর অস্ট্রেলীয় ক্রিকেটে সাউথ অস্ট্রেলিয়া ও ইংরেজ কাউন্টি ক্রিকেটে ল্যাঙ্কাশায়ারের প্রতিনিধিত্ব করেছেন। এছাড়াও, নিউ সাউথ ওয়েলস কান্ট্রি, পার্থ স্কর্চার্স, হোবার্ট হারিকেন্স, সিডনি সিক্সার্স ও মেলবোর্ন রেনেগাডেসের পক্ষে খেলেছেন। ২৫ অক্টোবর, ২০১১ তারিখে অ্যাডিলেডে অনুষ্ঠিত ওয়েস্টার্ন অস্ট্রেলিয়া বনাম সাউথ অস্ট্রেলিয়ার মধ্যকার খেলায় অংশ নেয়ার মাধ্যমে প্রথম-শ্রেণীর ক্রিকেট জীবনের সূত্রপাত ঘটান।
অভিষেক মৌসুমে দূর্দান্ত ক্রীড়াশৈলী প্রদর্শনে অগ্রসর হন। ঐ গ্রীষ্মের শেফিল্ড শীল্ডে ২৬.২৬ গড়ে ২৩ উইকেট দখল করেন। পরের মৌসুমে মাত্র ছয় খেলা থেকে ২২.০৩ গড়ে ৩৩ উইকেট নিয়ে চতুর্থ সর্বোচ্চ উইকেট সংগ্রাহকে পরিণত হন। এরপর, ২০১৩-১৪ মৌসুমে ১৯ উইকেট পেয়েছিলেন। প্রথম-শ্রেণীর ক্রিকেটে দারুণ খেলার সুবাদে জাতীয় দল নির্বাচকমণ্ডলীর দৃষ্টি আকর্ষণে সক্ষম হন।
২০১৬ সালে অস্ট্রেলিয়ার পক্ষে একটিমাত্র টেস্ট ও দুইটিমাত্র ওডিআইয়ে অংশগ্রহণের সুযোগ পেয়েছিলেন। সবগুলো খেলাই দক্ষিণ আফ্রিকার বিপক্ষে খেলেছেন। ২০১৬-১৭ মৌসুমে নিজ দেশে ফাফ ডু প্লিসি’র নেতৃত্বাধীন স্প্রিংবকের মুখোমুখি হন। ২ অক্টোবর, ২০১৬ তারিখে জোহানেসবার্গে স্বাগতিক দক্ষিণ আফ্রিকার বিপক্ষে ওডিআইয়ে অংশ নেয়ার মাধ্যমে আন্তর্জাতিক ক্রিকেট অঙ্গনে প্রবেশ করেন।
একই সফরের ১২ নভেম্বর, ২০১৬ তারিখে হোবার্টে অনুষ্ঠিত সিরিজের দ্বিতীয় টেস্টে অংশ নেন। কলাম ফার্গুসনের সাথে তাঁর একযোগে টেস্ট অভিষেক পর্ব সম্পন্ন হয়। টেস্টে একটিমাত্র উইকেট পেলেও খুব সহজে ও দ্রুততার সাথে তা ধরা দেয়নি। অংশগ্রহণকৃত দুই ইনিংস থেকে সর্বসাকুল্যে দশ রান সংগ্রহ করেছিলেন। খেলায় তিনি ১০ ও ০ রান তুলেছিলেন। এছাড়াও, বল হাতে নিয়ে ১/৮৫ বোলিং বিশ্লেষণ দাঁড় করান। কাইল অ্যাবটের অসাধারণ বোলিংয়ের কল্যাণে স্বাগতিকরা ইনিংস ও ৮০ রানে পরাজিত হলে তিন-টেস্ট নিয়ে গড়া সিরিজে ২-০ ব্যবধানে পিছিয়ে পড়ে। পরবর্তীকালে, এটিই তাঁর একমাত্র টেস্টে পরিণত হয়।
৬ মার্চ, ২০২০ তারিখে একই মাঠে ভিক্টোরিয়া বনাম সাউথ অস্ট্রেলিয়ার মধ্যকার খেলায় সর্বশেষ অংশ নেন। ৩২ বছর বয়সে ২৩ অক্টোবর, ২০২১ তারিখে রাজ্য ক্রিকেট থেকে অবসর গ্রহণের কথা ঘোষণা করেন। এ পর্যায়ে ২৯৭টি প্রথম-শ্রেণীর উইকেট লাভ করেছিলেন। এছাড়াও, কার্যকর ব্যাটসম্যান হিসেবেও নিজেকে প্রমাণিত করে। পাঁচটি অর্ধ-শতরানের ইনিংস খেলেছেন। ব্যক্তিগত সর্বোচ্চ অপরাজিত ৭৯ রান তুলেছেন। ২০১৫-১৬ ও ১০১৭-১৮ মৌসুমে – দুইবার এসএ ক্রিকেট অ্যাসোসিয়েশন্স নীল ড্যানসি মেডেল লাভ করেন।
ব্যক্তিগত জীবনে বিবাহিত। ইংরেজ বংশোদ্ভূত র্যাচেল নাম্নী এক রমণীর পাণিগ্রহণ করেন। এ দম্পতির পেনেলোপ ও অলিভার নামীয় সন্তান রয়েছে।
