২৩ নভেম্বর, ১৯৯০ তারিখে গটেংয়ের জোহানেসবার্গে জন্মগ্রহণকারী ক্রিকেটার। মূলতঃ বোলার হিসেবে দলে ভূমিকা রাখছে। ডানহাতে ফাস্ট-মিডিয়াম বোলিংয়ের পাশাপাশি বামহাতে নিচেরসারিতে ব্যাটিংয়ে নেমে থাকেন। আয়ারল্যান্ডের পক্ষে সকল স্তরের আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে অংশ নিয়েছেন।
তাঁর খেলার ধরন অনেকাংশে দক্ষিণ আফ্রিকান ফাস্ট বোলার শার্ল ল্যাঙ্গেভেল্টের অনুরূপ। তবে, পছন্দের তালিকায় এবি ডি ভিলিয়ার্সকে শীর্ষে রেখেছেন। জানুয়ারি, ২০১০ সালে নিউজিল্যান্ডে অনুষ্ঠিত আইসিসি অনূর্ধ্ব-১৯ বিশ্বকাপ ক্রিকেট প্রতিযোগিতায় দক্ষিণ আফ্রিকা দলের সদস্যরূপে মনোনীত হন। ঐ প্রতিযোগিতায় ১৩ উইকেট নিয়ে দলের শীর্ষ উইকেট সংগ্রাহকে পরিণত হয়েছিলেন।
২০০৯-১০ মৌসুম থেকে প্রথম-শ্রেণীর খেলোয়াড়ী জীবন চলমান রাখছেন। ঘরোয়া আসরের প্রথম-শ্রেণীর দক্ষিণ আফ্রিকান ক্রিকেটে ডলফিন্স, গটেং ও কোয়াজুলু-নাটাল ইনল্যান্ডের প্রতিনিধিত্ব করেছেন। ৪ ফেব্রুয়ারি, ২০১০ তারিখে জোহানেসবার্গে অনুষ্ঠিত নর্থ ওয়েস্ট বনাম গটেংয়ের মধ্যকার খেলায় অংশ নেয়ার মাধ্যমে প্রথম-শ্রেণীর খেলোয়াড়ী জীবন চলমান রাখছেন।
২০২২ সাল থেকে আয়ারল্যান্ডের পক্ষে টেস্ট, ওডিআই ও টি২০আইয়ে অংশ নিচ্ছেন। ১২ আগস্ট, ২০২২ তারিখে বেলফাস্টে অনুষ্ঠিত সফররত আফগানিস্তানের বিপক্ষে টি২০আইয়ে অংশ নেয়ার মাধ্যমে আন্তর্জাতিক ক্রিকেট অঙ্গনে প্রবেশ করেন।
১৫ জুলাই, ২০২২ তারিখে ডাবলিনের মালাহাইডে অনুষ্ঠিত সফররত নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে সিরিজের তৃতীয় ওডিআইয়ে প্রথমবারের মতো অংশ নেন। সাবেক আইরিশ ক্রিকেটার কাইল ম্যাককলান তাঁকে ক্যাপ প্রদান করেন। ০/৬২ ও ৭ রানে অপরাজিত ছিলেন। শ্বাসরুদ্ধকর খেলায় তাঁর দল মাত্র ১ রানে পরাজিত হয়েছিল ও ৩-০ ব্যবধানে সিরিজ খোঁয়ায়।
২০২২-২৩ মৌসুমে অ্যান্ডি বালবির্নি’র অধিনায়কত্বে সিরিজের একমাত্র টেস্ট খেলতে দলের সাথে বাংলাদেশ গমন করেন। ৪ এপ্রিল, ২০২৩ তারিখে মিরপুরে অনুষ্ঠিত স্বাগতিক বাংলাদেশের বিপক্ষে বেন হোয়াইট, কার্টিস ক্যাম্ফার, হ্যারি টেক্টর, লরক্যান টাকার ও মারে কামিন্সের সাথে তাঁর একযোগে টেস্ট অভিষেক পর্ব সম্পন্ন হয়। খেলায় তিনি ২ ও ১৪ রানের ইনিংস খেলেন। ঐ টেস্টে তাঁর দল ৭ উইকেটে পরাজয়বরণ করেছিল।
২০২৩ সালে অ্যান্ডি বালবির্নি’র অধিনায়কত্বে সিরিজের একমাত্র টেস্ট খেলতে দলের সাথে ইংল্যান্ড গমন করেন। ১ জুন, ২০২৩ তারিখে লন্ডনের লর্ডসে ইংল্যান্ডের খেলায় তিনি ১/৮৫ বোলিং বিশ্লেষণ দাঁড় করান। এছাড়াও, সবশেষে ব্যাটিংয়ে নেমে ০* ও ১৪ রান সংগ্রহ করেছিলেন। ঐ খেলায় তাঁর দল ১০ উইকেটে পরাজয়বরণ করেছিল।
