৩ নভেম্বর, ১৮৯২ তারিখে ত্রিনিদাদের প্রিন্সেস টাউন এলাকায় জন্মগ্রহণকারী ক্রিকেটার ছিলেন। মূলতঃ অল-রাউন্ডারের ভূমিকায় অবতীর্ণ হয়েছিলেন। ডানহাতে ব্যাটিং করতেন। এছাড়াও, ডানহাতে মিডিয়াম-ফাস্ট বোলিং করতেন। পাশাপাশি, স্লিপ অঞ্চলে দূর্দান্ত ফিল্ডিং করতেন। ওয়েস্ট ইন্ডিজের পক্ষে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে অংশ নিয়েছেন।
দীর্ঘাকায় গড়নের অধিকারী ছিলেন। ঘরোয়া আসরের প্রথম-শ্রেণীর ওয়েস্ট ইন্ডিয়ান ক্রিকেটে ত্রিনিদাদের প্রতিনিধিত্ব করেছেন। ১৯০৯-১০ মৌসুম থেকে ১৯৩১-৩২ মৌসুম পর্যন্ত সময়কালে প্রথম-শ্রেণীর খেলোয়াড়ী জীবন অতিবাহিত করেছেন।
১৯২৮ থেকে ১৯৩০ সাল পর্যন্ত সময়কালে ওয়েস্ট ইন্ডিজের পক্ষে তিনটিমাত্র টেস্টে অংশগ্রহণের সুযোগ পেয়েছিলেন। তন্মধ্যে, ১৯২৮ সালে ওয়েস্ট ইন্ডিজের ক্রিকেটের ইতিহাসের উদ্বোধনী টেস্ট সিরিজ খেলতে কার্ল নুনেসের নেতৃত্বাধীন ক্যারিবীয় দলের সদস্যরূপে প্রথমবারের মতো টেস্ট সিরিজ খেলতে ইংল্যান্ড গমন করেন। ২৩ জুন, ১৯২৮ তারিখে লন্ডনের লর্ডসে অনুষ্ঠিত স্বাগতিক ইংল্যান্ডের বিপক্ষে সিরিজের উদ্বোধনী টেস্টে অংশ নেন। অন্য সকলের সাথে তাঁর একযোগে টেস্ট অভিষেক পর্ব সম্পন্ন হয়। সিরিজের প্রথম টেস্ট খেলার গৌরব অর্জন করেন। দ্বিতীয় ইনিংসে ৫২ রান তুলেন। পরবর্তীতে, ঐ খেলায় এটিই ওয়েস্ট ইন্ডিজের সর্বোচ্চ সংগ্রহে পরিণত হয়। এছাড়াও, প্রথম ইনিংসে শূন্য রান সংগ্রহ করেছিলেন। উভয় ইনিংসেই ভ্যালেন্স জাপের শিকারে পরিণত হয়েছিলেন। পাশাপাশি, বল হাতে নিয়ে ২/৬৭ বোলিং বিশ্লেষণ দাঁড় করান। ইনিংস ও ৫৮ রানে পরাজিত হলে সফরকারীরা তিন-টেস্ট নিয়ে গড়া সিরিজে পিছিয়ে পড়ে।
সফর শেষে ১৮.৫৯ গড়ে ৫৯৫ রান ও অফ-ব্রেক বোলিংয়ে ২৮.৮৮ গড়ে ৫০ উইকেট পেয়েছিলেন। অক্সফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয় দলের বিপক্ষে ব্যক্তিগত সর্বোচ্চ ১০৬ রানের অপরাজিত ইনিংস খেলেন। এছাড়াও, ১৯২৩ সালে ইংল্যান্ড গমন করেছিলেন। ঐ সফরে ৩১.০৪ গড়ে ৭৭৬ রান তুলেন। ওল্ড ট্রাফোর্ডে ল্যাঙ্কাশায়ারের বিপক্ষে ৯৪ ও ৬৮ রানের ইনিংস খেলেন। তবে, বল হাতে নিয়ে ৩৩.৪৭ গড়ে মাত্র ১৯ উইকেট পেয়েছিলেন।
১৯২৯-৩০ মৌসুমে নিজ দেশে ফ্রেডি ক্যালথর্পের নেতৃত্বাধীন এমসিসি দলের মুখোমুখি হন। ১ ফেব্রুয়ারি, ১৯৩০ তারিখে পোর্ট অব স্পেনে অনুষ্ঠিত সফররত ইংল্যান্ড দলের বিপক্ষে সিরিজের দ্বিতীয় টেস্টে অংশ নেন। খেলায় তিনি বল হাতে নিয়ে ০/২২ ও ১/৫৬ বোলিং বিশ্লেষণ দাঁড় করান। এছাড়াও, ২০ ও ৫ রান সংগ্রহসহ একটি ক্যাচ তালুবন্দী করেছিলেন। সফরকারীরা ১৬৭ রানে জয় পেলে চার-টেস্ট নিয়ে গড়া সিরিজে ১-০ ব্যবধানে এগিয়ে যায়। পরবর্তীকালে, এটিই তাঁর সর্বশেষ টেস্টে পরিণত হয়।
২৬ এপ্রিল, ১৯৫৮ তারিখে ত্রিনিদাদের ফরেস্ট রিজার্ভ এলাকায় ৬৫ বছর ১৭৪ দিন বয়সে তাঁর দেহাবসান ঘটে।
