১৭ ফেব্রুয়ারি, ১৯৪০ তারিখে নাটালের গ্লেনউড এলাকায় জন্মগ্রহণকারী ক্রিকেটার। মূলতঃ উইকেট-রক্ষক হিসেবে দায়িত্ব পালন করতেন। এছাড়াও, ডানহাতে ব্যাটিংয়ে নামতেন। ১৯৭০-এর দশকে দক্ষিণ আফ্রিকার পক্ষে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে অংশ নিয়েছিলেন।

ঘরোয়া আসরের প্রথম-শ্রেণীর দক্ষিণ আফ্রিকান ক্রিকেটে নাটালের প্রতিনিধিত্ব করেছেন। ১৯৫৮-৫৯ মৌসুম থেকে ১৯৭২-৭৩ মৌসুম পর্যন্ত সময়কালে প্রথম-শ্রেণীর খেলোয়াড়ী জীবন চলমান রাখেন। দক্ষ, দর্শনীয় উইকেট-রক্ষক হিসেবে ১৯ বছর বয়সে প্রথম-শ্রেণীর খেলোয়াড়ী জীবন শুরু করেন। অভিষেক খেলায় তিনি আট ক্যাচ ও একটি স্ট্যাম্পিংয়ের সাথে নিজেকে যুক্ত করেন। খুব শীঘ্রই নাটালের প্রধান উইকেট-রক্ষক হিসেবে নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করতে সমর্থ হন। আন্তর্জাতিক পর্যায়ে সীমিত খেলা ও ডেনিস লিন্ডসে’র উপস্থিতিতে খুব কম খেলায় অংশগ্রহণের সুযোগ পান। তাসত্ত্বেও, ১৯৬৫ সালে ইংল্যান্ড সফরে যান।

১৯৭০ সালে দক্ষিণ আফ্রিকার পক্ষে দুইটিমাত্র টেস্টে অংশগ্রহণের সুযোগ পেয়েছিলেন। উভয় টেস্টই ১৯৬৯-৭০ মৌসুমে অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে খেলেছিলেন। এ মৌসুমে নিজ দেশে বিল লরি’র নেতৃত্বাধীন অজি দলের মুখোমুখি হন। ২২ জানুয়ারি, ১৯৭০ তারিখে কেপটাউনে অনুষ্ঠিত সফররত অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে সিরিজের উদ্বোধনী টেস্টে অংশ নেন। লি আরভিন, ব্যারি রিচার্ডসগ্রাহাম শ্যাভলিয়ারের সাথে তাঁর একযোগে টেস্ট অভিষেক পর্ব সম্পন্ন হয়। খেলায় তিনি ৩০* ও ২ রান সংগ্রহ করেছিলেন। স্বাগতিকরা ১৭০ রানে জয় পেলে চার-টেস্ট নিয়ে গড়া সিরিজে এগিয়ে যায়।

প্রথম দুই টেস্ট খেলার পর শেষ দুই টেস্টে ডেনিস লিন্ডসেকে অগ্রাধিকার দেয়া হয়। একই সফরের ৫ ফেব্রুয়ারি, ১৯৭০ তারিখে ডারবানে অনুষ্ঠিত সিরিজের দ্বিতীয় টেস্টে অংশ নেন। খেলায় তিনি দলের একমাত্র ইনিংসে ৭ রান সংগ্রহসহ পাঁচটি ক্যাচ গ্লাভসবন্দী করেছিলেন। ইনিংস ও ১২৯ রানে পরাজয়বরণ করলে সফরকারীরা ২-০ ব্যবধানে পিছিয়ে পড়ে। পরবর্তীতে, এটিই তাঁর সর্বশেষ টেস্টে পরিণত হয়।

দূর্ভাগ্যজনকভাবে ১৯৭০ সালে দক্ষিণ আফ্রিকায় আন্তর্জাতিক নিষেধাজ্ঞার সূচনাকালে তাঁর খেলোয়াড়ী জীবনের সূত্রপাত ঘটেছিল। পরবর্তী তিন মৌসুমে কয়েকটি খেলায় অংশ নেয়ার পর অবসর গ্রহণ করেন। এরপর, বর্ণবাদ বিরোধী প্রচারণায় সক্রীয় কর্মী ছিলেন।

সম্পৃক্ত পোস্ট