|

ইয়ান বুচার্ট

৯ মে, ১৯৬০ তারিখে বুলাওয়েতে জন্মগ্রহণকারী ক্রিকেটার। মূলতঃ বোলার হিসেবে দলে ভূমিকা রাখতেন। ডানহাতে মিডিয়াম বোলিং করতেন। এছাড়াও, ডানহাতে মাঝারিসারিতে নিচেরদিকে ব্যাটিংয়ে নামতেন। জিম্বাবুয়ের পক্ষে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে অংশ নিয়েছেন।

দীর্ঘদেহী লিকলিকে গড়নের অধিকারী। প্লামট্রি স্কুলে অধ্যয়ন করেছেন। ১৯৮০-৮১ মৌসুম থেকে ১৯৯৪-৯৫ মৌসুম পর্যন্ত সময়কালে প্রথম-শ্রেণীর ক্রিকেটে অংশ নিয়েছেন। ঘরোয়া আসরের প্রথম-শ্রেণীর জিম্বাবুয়ীয় ক্রিকেটে ম্যাশোনাল্যান্ড কান্ট্রি ডিস্ট্রিক্টসের প্রতিনিধিত্ব করেছেন। দীর্ঘদিন জিম্বাবুয়ে দলের পক্ষে খেলে সবিশেষ পরিচিতি লাভ করেছেন।

১৯৮৩ থেকে ১৯৯৫ সময়কালে জিম্বাবুয়ের পক্ষে একটিমাত্র টেস্ট ও ২০টি ওডিআইয়ে অংশগ্রহণ করেছেন। জিম্বাবুয়ের টেস্ট ক্রিকেটে মর্যাদাপ্রাপ্তির পূর্বেকার বছরগুলোয় দলের অন্যতম খেলোয়াড় ছিলেন। ১৯৮৩ ও ১৯৮৭ সালের বিশ্বকাপ ক্রিকেট প্রতিযোগিতায় অংশ নিয়েছেন। ৯ জুন, ১৯৮৩ তারিখে নটিংহামে অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে ওডিআইয়ে অভিষেক ঘটে। এছাড়াও, আইসিসি ট্রফিতে জিম্বাবুয়ের সফলতায় অনবদ্য ভূমিকা রেখেছিলেন।

১৯৯৪-৯৫ মৌসুমে নিজ দেশে সেলিম মালিকের নেতৃত্বাধীন পাকিস্তান দলের মুখোমুখি হন। ১৫ ফেব্রুয়ারি, ১৯৯৫ তারিখে হারারেতে অনুষ্ঠিত সফররত পাকিস্তানের বিপক্ষে সিরিজের তৃতীয় ও চূড়ান্ত টেস্টে অংশ নিয়েছিলেন। ০/১১ বোলিং বিশ্লেষণ দাঁড় করান। এছাড়াও, ব্যাট হাতে ১৫ ও ৮ রান সংগ্রহের পাশাপাশি একটি ক্যাচ তালুবন্দী করেছিলেন। ঐ টেস্টে তাঁর দল ৯৯ রানে পরাজিত হলে ২-১ ব্যবধানে সিরিজ খোঁয়ায়। পরবর্তীতে, এটিই তাঁর সর্বশেষ প্রথম-শ্রেণীর ক্রিকেটে অংশগ্রহণ ছিল। তবে, ঐ মৌসুমের শুরুতে ব্যক্তিগত একমাত্র প্রথম-শ্রেণীর শতক হাঁকিয়েছিলেন।

ক্রিকেট খেলা থেকে অবসর গ্রহণের পর জিম্বাবুয়ের অনূর্ধ্ব-১৯ দলের কোচের দায়িত্ব পালন করেছিলেন। পোল্ট্রি চাষী ছিলেন। বর্তমানে দক্ষিণ আফ্রিকার কেনিসনা এলাকায় ওপেনক্রেক ফার্ম পরিচালনা করছেন।

সম্পৃক্ত পোস্ট