|

ফারুখ জামান

২ এপ্রিল, ১৯৫৬ তারিখে উত্তর-পশ্চিম সীমান্ত প্রদেশের পেশাওয়ারের জন্মগ্রহণকারী ক্রিকেটার। মূলতঃ বোলার হিসেবে দলে ভূমিকা রেখেছিলেন। স্লো লেফট-আর্ম অর্থোডক্স বোলিং করতেন। এছাড়াও, ডানহাতে নিচেরসারিতে কার্যকর ব্যাটিংশৈলী প্রদর্শনে অগ্রসর হতেন। ১৯৭০-এর দশকে পাকিস্তানের পক্ষে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে অংশ নিয়েছিলেন।

১৯৭১-৭২ মৌসুম থেকে ১৯৯৫-৯৬ মৌসুম পর্যন্ত সময়কালে প্রথম-শ্রেণীর খেলোয়াড়ী জীবন চলমান রাখেন। ঘরোয়া আসরের প্রথম-শ্রেণীর পাকিস্তানী ক্রিকেটে মুসলিম কমার্শিয়াল ব্যাংক, নর্থ ওয়েস্ট ফ্রন্টিয়ার প্রভিন্স, পাকিস্তান রেলওয়ে, পেশাওয়ার ক্রিকেট অ্যাসোসিয়েশন ও পাঞ্জাবের প্রতিনিধিত্ব করেছেন। দুই দশকের অধিককাল প্রথম-শ্রেণীর খেলোয়াড়ী জীবন স্থায়ী ছিল তাঁর। তবে, খুব কমই বড় ধরনের সফলতার সন্ধান পেয়েছিলেন। ১৯৭৬-৭৭ মৌসুমে সফররত নিউজিল্যান্ডীয় একাদশের বিপক্ষে এনডব্লিউএফপি চিফ মিনিস্টার একাদশের সদস্যরূপে সাত-উইকেট লাভ করেছিলেন। এ সফলতার প্রেক্ষিতে পাকিস্তান দলের সদস্যরূপে অন্তর্ভুক্ত হন।

১৯৭৬ সালে পাকিস্তানের পক্ষে একটিমাত্র টেস্টে অংশগ্রহণের সুযোগ পেয়েছিলেন। ১৯৭৬-৭৭ মৌসুমে নিজ দেশে গ্লেন টার্নারের নেতৃত্বাধীন কিউই দলের মুখোমুখি হন। হায়দ্রাবাদের নিয়াজ স্টেডিয়ামে সিরিজের দ্বিতীয় টেস্টে অংশ নেন। ২৩ অক্টোবর, ১৯৭৬ তারিখে সফররত নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে তাঁর টেস্ট অভিষেক পর্ব সম্পন্ন হয়। তবে, প্রথম ইনিংসে কেবলমাত্র ছয় ওভার ও দ্বিতীয় ইনিংসে চার ওভার বোলিং করার সুযোগ পেয়ে যথাক্রমে ০/৮ ও ০/৭ বোলিং পরিসংখ্যান দাঁড় করিয়েছিলেন। এমনকি প্রথম ইনিংসে স্বাগতিক দল ইনিংস ঘোষণা করলে ব্যাট হাতে নিয়ে মাঠে নামারও সুযোগ পাননি। স্বাগতিকরা ১০ উইকেটে জয় পেয়ে তিন-টেস্ট নিয়ে গড়া সিরিজে ২-০ ব্যবধানে এগিয়ে যায়। এরফলে, ১৯৬৪-৬৫ মৌসুমের পর নিজ দেশে প্রথম সিরিজ জয় করে পাকিস্তান দল। পরবর্তীকালে, এটিই তাঁর সর্বশেষ টেস্টে পরিণত হয়।

ব্যক্তিগত জীবনে বিবাহিত ছিলেন। ফাহাদ জামান নামীয় এক সন্তান রয়েছে।

সম্পৃক্ত পোস্ট