২ আগস্ট, ১৮৯৫ তারিখে অকল্যান্ডে জন্মগ্রহণকারী ক্রিকেটার ছিলেন। দ্রুতগতিসম্পন্ন বামহাতি বোলার ছিলেন। বামহাতে ফাস্ট-মিডিয়াম বোলিংয়ের পাশাপাশি বামহাতে নিচেরসারিতে ব্যাটিং করতেন। ১৯৩০-এর দশকে নিউজিল্যান্ডের পক্ষে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে অংশ নিয়েছেন।
১৯২১-২২ মৌসুম থেকে ১৯৩১-৩২ মৌসুম পর্যন্ত প্রথম-শ্রেণীর ক্রিকেট জীবন চলমান রাখেন। ১৯২৭ থেকে ১৯৩২ সাল পর্যন্ত ওয়েলিংটনের পক্ষে প্রতিনিধিত্বমূলক খেলায় অংশগ্রহণ করেছেন। এ পর্যায়ে ৭০ উইকেট লাভ করেছিলেন। ওয়েলিংটনে সিনিয়র চ্যাম্পিয়নশীপ ক্রিকেটে ২১.৯০ গড়ে ৩৩৩ উইকেট পান। সব মিলিয়ে ওয়েলিংটনের পক্ষে ৪১টি প্রথম-শ্রেণীর খেলায় অংশ নিয়ে ১০৭ উইকেট দখল করেছিলেন।
১৯২৭ সালে টি. সি. লরি’র নেতৃত্বে নিউজিল্যান্ডের প্রথম ইংল্যান্ড সফরে অংশ নেন। প্রত্যেকটি প্রথম-শ্রেণীর খেলায় অংশ নিয়ে ২৪.২১ গড়ে ৩৩ উইকেট দখল করেছিলেন।
১৯২৯-৩০ মৌসুমে নিউজিল্যান্ডের ক্রিকেটের ইতিহাসের উদ্বোধনী টেস্টে অংশ নিয়েছিলেন। নিজ দেশে হ্যারল্ড জিলিগানের নেতৃত্বাধীন এমসিসি দলের মুখোমুখি হন। এটিই তাঁর একমাত্র টেস্টে অংশগ্রহণ ছিল। দৃশ্যতঃ তৃতীয়সারির ইংল্যান্ড দলের বিপক্ষে ঐ টেস্টে তাঁর দল পরাজয়বরণ করেছিল। ১০ জানুয়ারি, ১৯৩০ তারিখে ক্রাইস্টচার্চে অনুষ্ঠিত চার-টেস্ট নিয়ে গড়া সিরিজের উদ্বোধনী টেস্টে অংশ নেন। অ্যাল্বি রবার্টস, স্টুই ডেম্পস্টার, টেড ব্যাডকক, জর্জ ডিকিনসন, হেনরি ফোলি, কার্লি পেজ, রজার ব্লান্ট, টম লরি ও বিল মেরিটের সাথে তাঁর একযোগে টেস্ট অভিষেক পর্ব সম্পন্ন হয়। ব্যক্তিগত সাফল্যের সাথে নিজেকে জড়ান। ইংল্যান্ডের প্রথম ইনিংসে নিজের প্রথম বলে ইডব্লিউ ডসনের উইকেট লাভ করেছিলেন। খেলায় তিনি ২/৩৮ ও ০/২৬ বোলিং বিশ্লেষণ দাঁড় করান। এছাড়াও, ব্যাট হাতে নিয়ে ৬ ও ২* রান সংগ্রহসহ একটি ক্যাচ তালুবন্দী করেছিলেন। সফরকারীরা ৮ উইকেটে জয় পেলে সিরিজে এগিয়ে যায়। পরের টেস্টে এডি ম্যাকলিওডকে তাঁর স্থলাভিষিক্ত করা হয়। পরবর্তীতে, এটিই তাঁর সর্বশেষ টেস্টে পরিণত হয়।
১৭ জুন, ১৯৭০ তারিখে ওয়েলিংটনের লোয়ার হাটে ৭৪ বছর ৩১৯ দিন বয়সে তাঁর দেহাবসান ঘটে।
