১১ নভেম্বর, ১৯৭৬ তারিখে জ্যামাইকার সেন্ট অ্যান এলাকায় জন্মগ্রহণকারী ক্রিকেটার। মূলতঃ উইকেট-রক্ষকের দায়িত্ব পালন করতেন। এছাড়াও, ডানহাতে ব্যাটিং উদ্বোধনে নামার পাশাপাশি ডানহাতে মিডিয়াম বোলিংয়ে পারদর্শী ছিলেন। ২০০০-এর দশকে ওয়েস্ট ইন্ডিজের পক্ষে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে অংশ নিয়েছিলেন।
ঘরোয়া আসরের প্রথম-শ্রেণীর ওয়েস্ট ইন্ডিয়ান ক্রিকেটে জ্যামাইকার প্রতিনিধিত্ব করেছেন। ১৯৯৬-৯৭ মৌসুম থেকে ২০০২-০৩ মৌসুম পর্যন্ত প্রথম-শ্রেণীর খেলোয়াড়ী জীবন চলমান রাখেন। ওয়েস্ট ইন্ডিজের প্রথম-শ্রেণীর ক্রিকেটের ইতিহাসে প্রথমবারের মতো উদ্বোধনী জুটিতে চতুর্শতকের জুটি গড়ার গৌরব অর্জন করেন ও রেকর্ড বহিতে ঠাঁই করে নেন। ফেব্রুয়ারি, ২০০১ সালে ক্রিস গেইলকে (২০৮*) সাথে নিয়ে তিনি ৪২৫ রান তুলেছিলেন। দ্বিতীয় ইনিংস এ সংগ্রহ থাকাকালে জ্যামাইকার দলনায়ক রবার্ট স্যামুয়েলস ইনিংস ঘোষণা করেন। মন্টেগো বে’র জারেট পার্কে অনুষ্ঠিত বুষ্টা কাপে ওয়েস্ট ইন্ডিজ ‘বি’ দলের বিপক্ষে তাঁরা এ সফলতার স্বাক্ষর রাখেন। তিনি ৩৮৬ বল মোকাবেলায় ২১টি চারের মারে ২০০ রানে অপরাজিত থাকেন। এ অর্জনকালে ১৯৫১ সালে জর্জটাউনের বোর্দা গ্রাউন্ডে অনুষ্ঠিত ব্রিটিশ গায়ানার লেসলি উইট ও গ্লেন্ডন গিবসের বার্বাডোসের বিপক্ষে সংগৃহীত ৩৮৯ রানের রেকর্ড ভেঙ্গে যায়। এছাড়াও, ১৯৫৯ সালে ত্রিনিদাদ ও টোবাগোর বিপক্ষে জ্যামাইকার অ্যালান রে ও ইস্ট ম্যাকমরিসের সংগৃহীত ২৫৮ রানের রেকর্ড ভেঙ্গে যায়। প্রথম-শ্রেণীর ক্রিকেটে তাঁদের সংগৃহীত জুটি সর্বকালের সেরাদের তালিকায় দ্বাদশ অবস্থানে রয়েছে।
২০০১ সালে ওয়েস্ট ইন্ডিজের পক্ষে একটিমাত্র টেস্ট ও তিনটিমাত্র ওডিআইয়ে অংশগ্রহণের সুযোগ পেয়েছিলেন। ২০০০-০১ মৌসুমে নিজ দেশে শন পোলকের নেতৃত্বাধীন স্প্রিংবকের মুখোমুখি হন। ১৯ এপ্রিল, ২০০১ তারিখে কিংস্টনের সাবিনা পার্কে অনুষ্ঠিত সফররত দক্ষিণ আফ্রিকার বিপক্ষে সিরিজের পঞ্চম ও চূড়ান্ত টেস্টে তাঁর অভিষেক পর্ব সম্পন্ন হয়। ঐ খেলায় টেস্ট ক্রিকেটের ইতিহাসের দ্বিতীয় খেলোয়াড় হিসেবে প্রথম বলেই শূন্য রানে বিদেয় নিয়েছিলেন। তাঁর পূর্বে ১৯৯২-৯৩ মৌসুমে জিমি কুক ও পরবর্তীতে ২০২০-২১ মৌসুমে আব্দুল মালিক তাঁর এ অমর্যাদাকর রেকর্ডের সাথে জড়ান। খেলায় তিনি ০ ও ২৭ রান সংগ্রহসহ দুইটি ক্যাচ তালুবন্দীকরণে অগ্রসর হন। উভয় ইনিংসেই তিনি অ্যালান ডোনাল্ডের শিকারে পরিণত হন। দ্বিতীয় ইনিংসে ১৪১ রান সংগ্রহ করে দক্ষিণ আফ্রিকা ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে দলীয় সর্বনিম্ন রানের রেকর্ড গড়ে। রিডলি জ্যাকবসের অসাধারণ অল-রাউন্ড ক্রীড়াশৈলীর কল্যাণে স্বাগতিকরা ইনিংস ও ১৩০ রানে জয় পেলেও ২-১ ব্যবধানে সিরিজ খোঁয়ায়। পরবর্তীতে, এটিই তাঁর সর্বশেষ টেস্টে পরিণত হয়।
একই সফরের ২৮ এপ্রিল, ২০০১ তারিখে কিংস্টনে প্রথমবারের মতো ওডিআইয়ে অংশ নেন। এরপর আর তাঁকে খেলতে দেখা যায়নি।
