১৬ এপ্রিল, ১৯৮৫ তারিখে বুলাওয়েতে জন্মগ্রহণকারী ক্রিকেটার। মূলতঃ বোলার হিসেবে দলে ভূমিকা রেখেছেন। ডানহাতে ফাস্ট-মিডিয়াম বোলিং করতেন। এছাড়াও, ডানহাতে নিচেরসারিতে ব্যাটিংয়ে নামেন। জিম্বাবুয়ের পক্ষে সকল স্তরের আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে অংশ নিয়েছেন।
ছোটখাটো ও মজবুত গড়নের অধিকারী। দ্রুতগতিসম্পন্ন বোলার ছিলেন না। তবে, ২০০৮ সালে জিম্বাবুয়ের দ্রুততম বোলার হিসেবে এডো ব্রান্ডেসের তুলনায় নয়টি খেলায় কম অংশ নিয়ে ২৮ খেলা থেকে ৫০ উইকেট লাভের মাইলফলক স্পর্শ করার গৌরব অর্জন করেন। পেস আনয়ণের মাধ্যমেই খেলায় সফলতা পাননি। ২০ বছর বয়সে হাঁটুতে আঘাত পান। মিডিয়াম পেসার হিসেবে বলে নিখুঁততা আনয়ণ, সুইংয়ে দক্ষতা ও নতুন বলে সিম এনে সফলতার স্বাক্ষর রাখেন।
২০০১-০২ মৌসুম থেকে ২০১৫-১৬ মৌসুম পর্যন্ত সময়কালে প্রথম-শ্রেণীর খেলোয়াড়ী জীবন চলমান রাখেন। ঘরোয়া আসরের প্রথম-শ্রেণীর জিম্বাবুয়ীয় ক্রিকেটে মাতাবেলেল্যান্ড, মাতাবেলেল্যান্ড তুস্কার্স ও ওয়েস্টার্নসের প্রতিনিধিত্ব করেছেন। এছাড়াও, আফ্রিকা একাদশের পক্ষে খেলেছেন।
২০০৪ থেকে ২০১৬ সময়কালে জিম্বাবুয়ের পক্ষে একটিমাত্র টেস্ট, ৪০টি ওডিআই ও চারটিমাত্র টি২০আইয়ে অংশগ্রহণ করেছিলেন। বিদ্রোহী খেলোয়াড়দের বেশ আগেভাগেই অবসর গ্রহণের ফলে পেস বোলিংয়ের শূন্যতা পূরণে দলের সদস্যরূপে আমন্ত্রিত হন।
২০০৩-০৪ মৌসুমে নিজ দেশে মারভান আতাপাত্তু’র নেতৃত্বাধীন শ্রীলঙ্কান দলের মুখোমুখি হন। ১৪ মে, ২০০৪ তারিখে বুলাওয়েতে সিরিজের দ্বিতীয় টেস্টে সফররত শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে তাঁর টেস্ট অভিষেক পর্ব সম্পন্ন হয়। তাঁর দল ইনিংস ও ২৫৪ রানে পরাজিত হয়। পাশাপাশি, ২-০ ব্যবধানে সিরিজ খোঁয়ায়। খেলায় তিনি ১৩৬ রান খরচ করেও কোন উইকেটের সন্ধান পাননি। এছাড়াও, ব্যাট হাতে ১* ও ১৪ রান সংগ্রহ করতে পেরেছিলেন।
একদিনের খেলায় ভালোমানের সফলতা পেলেও ২০১১ সালে স্বেচ্ছা নির্বাসন শেষে টেস্ট অঙ্গনে ফিরে আসার পর জিম্বাবুয়ে দলে তাঁকে রাখা হয়নি। বুলাওয়ে উন্নয়ন পরিকল্পনায় চিহ্নিত হন। শুরুতে উইকেট-রক্ষক হিসেবে খেলতেন। তবে, উইজডম সিজিবা এ স্থানে চলে আসলে বুলাওয়ে অ্যাথলেটিক ক্লাবে যোগ দেন। সাবেক আম্পায়ার চাক কভেন্ট্রি’র অনুপ্রেরণায় পেস বোলিংয়ের দিকে ধাবিত হন।
২০০৪ সালে সিএফএক্স একাডেমির পক্ষে খেলার জন্যে মনোনীত হন। ২০০৩-০৪ মৌসুমের লোগান কাপে মাতাবেলেল্যান্ডের পক্ষে পেস বোলার হিসেবে অসাধারণ খেলেন। তাসত্ত্বেও, বিতর্কিতভাবে জিম্বাবুয়ের অনূর্ধ্ব-১৯ দলের পক্ষে খেলার সুযোগ লাভ করা থেকে বঞ্চিত হয়েছিলেন। তবে, শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে সিরিজ শুরুর পূর্বে বিদ্রোহী খেলোয়াড়দের খেলতে অস্বীকৃতির কারণে জাতীয় দল নির্বাচকমণ্ডলী প্রথমসারির খেলোয়াড় হিসেবে দলে রাখেন।
২০০৬ সালে ওয়েস্ট ইন্ডিজ সফরে দলের সংরক্ষিত খেলোয়াড় হিসেবে যান। কিন্তু, অসাধারণ ক্রীড়াশৈলী প্রদর্শনে জিম্বাবুয়ের প্রথম পছন্দের নতুন বলের অধিকারী হিসেবে সফর শেষ করেন। আরও একবার দলের বাইরে চলে যেতে বাধ্য হন ও উপেক্ষিত হন। কিন্তু, ঘরোয়া ক্রিকেটের দূর্দান্ত ফলাফলে আবারও দল নির্বাচকমণ্ডলীর দৃষ্টি আকর্ষণে সক্ষম হন।
২০১৫ সালের বিশ্বকাপ ক্রিকেট প্রতিযোগিতাকে ঘিরে ১৫ সদস্যের চূড়ান্ত তালিকায় ঠাঁই পান।
