২৮ মার্চ, ১৯৪৯ তারিখে পাঞ্জাবের লাহোরে জন্মগ্রহণকারী ক্রিকেটার। মূলতঃ ব্যাটসম্যান হিসেবে খেলতেন। ডানহাতে ব্যাটিং করতেন। এছাড়াও, ডানহাতে মাঝে-মধ্যে মিডিয়াম-পেস বোলিংয়ে অগ্রসর হতেন। পাকিস্তানের পক্ষে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে অংশ নিয়েছেন।
দৃষ্টিনন্দন ডানহাতি ব্যাটসম্যান ছিলেন ও নিজস্ব ঘরানায় সহজাত স্ট্রোক খেলতেন। সচরাচর ইনিংস উদ্বোধনে কিংবা তিন নম্বর অবস্থানে মাঠে নামতেন। দূর্দান্ত ভঙ্গীমায় ব্যাট কিছুটা উঁচুতে তুলে ড্রাইভ ও কাট মারতেন। তবে, প্রথম-শ্রেণীর ক্রিকেটে দারুণ ইনিংস খেললেও আন্তর্জাতিক অঙ্গনে এর বিচ্ছুরণ ঘটাতে পারেননি।
১৯৬৭-৬৮ মৌসুম থেকে ১৯৯০-৯১ মৌসুম পর্যন্ত সময়কালে প্রথম-শ্রেণীর খেলোয়াড়ী জীবন চলমান রাখেন। ঘরোয়া আসরের প্রথম-শ্রেণীর পাকিস্তানী ক্রিকেটে লাহোর, পাকিস্তান ন্যাশনাল ব্যাংক, পাঞ্জাব ও ইউনাইটেড ব্যাংক লিমিটেডের প্রতিনিধিত্ব করেছেন। এছাড়াও, পাঞ্জাব বিশ্ববিদ্যালয়ের পক্ষে খেলেছেন। ঘরোয়া ক্রিকেটে ৫১টি শতরানের ইনিংস খেলেছেন। চারজন পাকিস্তানী খেলোয়াড়ের অন্যতম হিসেবে প্রথম-শ্রেণীর খেলোয়াড়ী জীবনে পঞ্চাশোর্ধ্ব গড়ে রান তুলেছিলেন।
১৯৭৪ থেকে ১৯৮০ সময়কালে পাকিস্তানের পক্ষে ছয়টিমাত্র টেস্ট ও তিনটিমাত্র ওডিআইয়ে অংশগ্রহণের সুযোগ পেয়েছিলেন। ১৯৭৪ সালে ইন্তিখাব আলমের নেতৃত্বাধীন পাকিস্তানী দলের সাথে ইংল্যান্ড গমন করেন। ২৫ জুলাই, ১৯৭৪ তারিখে লিডসে অনুষ্ঠিত স্বাগতিক ইংল্যান্ডের বিপক্ষে সিরিজের প্রথম টেস্টে তাঁর অভিষেক পর্ব সম্পন্ন হয়। ৭ ও ১৮ রান সংগ্রহ করেছিলেন। খেলাটি ড্রয়ের দিকে গড়ালে তিন-টেস্ট নিয়ে গড়া সিরিজটি অমিমাংসিত অবস্থায় অগ্রসর হতে থাকে।
১৯৮০-৮১ মৌসুমে নিজ দেশে ক্লাইভ লয়েডের নেতৃত্বাধীন ক্যারিবীয় দলের মুখোমুখি হন। ৩০ ডিসেম্বর, ১৯৮০ তারিখে মুলতানে অনুষ্ঠিত সফররত ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে সিরিজের চতুর্থ ও চূড়ান্ত টেস্টে অংশ নেন। একবার ব্যাটিংয়ের সুযোগ পেয়ে শূন্য রানে বিদেয় নেন। তবে, ভিভ রিচার্ডসের অসাধারণ ব্যাটিংশৈলীর কল্যাণে খেলাটি ড্রয়ের দিকে গড়ালেও চার-টেস্ট নিয়ে গড়া সিরিজে সফরকারীরা ১-০ ব্যবধানে জয় পায়। পরবর্তীতে, এটিই তাঁর সর্বশেষ টেস্টে পরিণত হয়।
