১৬ আগস্ট, ১৯৪৪ তারিখে তৎকালীন ব্রিটিশ ভারতের কার্নল এলাকায় জন্মগ্রহণকারী ক্রিকেটার, আম্পায়ার ও প্রশাসক ছিলেন। মূলতঃ বোলার হিসেবে দলে ভূমিকা রেখে গেছেন। বামহাতি ফাস্ট-মিডিয়াম বোলিং করতেন। এছাড়াও, ডানহাতে নিচেরসারিতে ব্যাটিংয়ে নামতেন। ১৯৬০-এর দশকে পাকিস্তানের পক্ষে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে অংশ নিয়েছিলেন।
১৯৬০-৬১ মৌসুম থেকে ১৯৭৫-৭৬ মৌসুম পর্যন্ত সময়কালে প্রথম-শ্রেণীর খেলোয়াড়ী জীবন অতিবাহিত করেছেন। ঘরোয়া আসরের প্রথম-শ্রেণীর পাকিস্তানী ক্রিকেটে ঢাকা, পূর্ব পাকিস্তান, করাচী, পাবলিক ওয়ার্কস ডিপার্টমেন্ট ও পাকিস্তান ন্যাশনাল ব্যাংকের প্রতিনিধিত্ব করেছেন।
১৯৬৫ সালে পাকিস্তানের পক্ষে একটিমাত্র টেস্টে অংশগ্রহণের সুযোগ পেয়েছিলেন। ১৯৬৪-৬৫ মৌসুমে হানিফ মোহাম্মদের নেতৃত্বাধীন পাকিস্তানী দলের সাথে নিউজিল্যান্ড গমন করেন। ১২ ফেব্রুয়ারি, ১৯৬৫ তারিখে ক্রাইস্টচার্চে অনুষ্ঠিত সিরিজের তৃতীয় ও চূড়ান্ত টেস্টে স্বাগতিক নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে তাঁর অভিষেক পর্ব সম্পন্ন হয়। সব মিলিয়ে ফাস্ট-মিডিয়াম বোলিং করে খেলায় ৮৪ রান খরচায় ৩ উইকেট পেয়েছিলেন। এছাড়াও, এগারো নম্বরে ব্যাট হাতে নিয়ে ৮ রানে অপরাজিত ছিলেন। খেলাটি ড্রয়ের দিকে গড়ালে সিরিজটি ফলাফলবিহীন অবস্থায় শেষ হয়। পরবর্তীতে এটিই তাঁর একমাত্র টেস্টে পরিণত হয়।
অস্ট্রালেশিয়া সফরে ৪৯.৫৪ গড়ে ১১ উইকেট পেয়েছিলেন তিনি। ক্রিকেট থেকে অবসর গ্রহণের পর প্রশাসনের দিকে ঝুঁকে পড়েন ও প্রথম-শ্রেণীর আম্পায়ারের দায়িত্ব পালন করেছেন। ১৯৮০ সালে আমির ইলাহী’র দেহাবসানের পর দ্বিতীয় পাকিস্তানী ক্রিকেটার হিসেবে ২৭ জুলাই, ১৯৮৩ তারিখে করাচীতে তাঁর জীবনাবসান ঘটে। এ পর্যায়ে তাঁর বয়স ছিল মাত্র ৩৮ বছর ৩৪৫ দিন।
