| |

শন ইয়ং

১৩ জুন, ১৯৭০ তারিখে তাসমানিয়ার বার্নি এলাকায় জন্মগ্রহণকারী ক্রিকেটার ও প্রশাসক। মূলতঃ অল-রাউন্ডার হিসেবে খেলেছেন। বামহাতে ব্যাটিংয়ের পাশাপাশি ডানহাতে ফাস্ট-মিডিয়াম বোলিংয়ে পারদর্শী ছিলেন। ১৯৯০-এর দশকে অস্ট্রেলিয়ার পক্ষে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে অংশ নিয়েছেন।

তাসমানিয়ার সর্বাপেক্ষা বিশ্বস্ত ও নির্ভরযোগ্য ক্রিকেটারের মর্যাদা পান। ব্যাট হাতে নিয়ে মাঝারিসারিতে কিংবা নিচেরদিকে দলের ভিত্তি আনয়ণে সচেষ্ট ছিলেন। মিডিয়াম-পেস বোলিংও খেলোয়াড়ী জীবনে কার্যকর প্রভাব ফেলে। বলকে উভয়দিক দিয়েই সুইং করাতে পারতেন। পাশাপাশি, নিখুঁত নিশানা বরাবর আটোসাটো বোলিং করতেন। ১৯৯১-৯২ মৌসুম থেকে ২০০১-০২ মৌসুম পর্যন্ত সময়কালে প্রথম-শ্রেণীর খেলোয়াড়ী জীবন চলমান রাখেন। ঘরোয়া আসরের প্রথম-শ্রেণীর অস্ট্রেলীয় ক্রিকেটে তাসমানিয়া এবং ইংরেজ কাউন্টি ক্রিকেটে গ্লুচেস্টারশায়ারের প্রতিনিধিত্ব করেছেন। এছাড়াও, বেডফোর্ডশায়ারের পক্ষ খেলেছেন।

১৯৯৭ সালে অস্ট্রেলিয়ার পক্ষে একটিমাত্র টেস্টে অংশগ্রহণের সুযোগ পেয়েছিলেন। কাউন্টি ক্রিকেট জীবন চলমান অবস্থায় হোভে অবস্থানকালে ২১ আগস্ট, ১৯৯৭ তারিখে ওভালে অ্যাশেজ সিরিজের ষষ্ঠ ও চূড়ান্ত টেস্টে খেলার জন্যে আমন্ত্রণ বার্তা লাভ করেন। জেসন গিলেস্পি’র আঘাতপ্রাপ্তি ও সন্তান জন্মকালীন সঙ্গদানের কারণে পল রেইফেলের দেশে চলে যাবার কারণে এ সুযোগ পান। দলীয় অধিনায়ক মার্ক টেলর তাঁকে ব্যাগি গ্রীন ক্যাপ প্রদান করেন। ৭-৩-৮-০ বোলিং বিশ্লেষণ দাঁড় করান। প্রথম ইনিংসে আট নম্বর অবস্থানে নামেন। ফিল টাফনেলের বলে কাট করতে গিয়ে ব্যাটের হাতলে লেগে অ্যালেক স্টুয়ার্টের গ্লাভসবন্দী হলে শূন্য রানে কট বিহাইন্ডে বিদেয় নেন।

দ্বিতীয় ইনিংসে একটিমাত্র ওভার বোলিং করার সুযোগ পেয়েছিলেন। দলের সংগ্রহ ৮৮/৬ থাকা অবস্থায় মাঠে নামেন। অ্যান্ডি ক্যাডিকের বল কভার অঞ্চলে ফেলে একটিমাত্র রান সংগ্রহ করতে পেরেছিলেন। ঐ খেলায় তাঁর দল ১৯ রানে পরাজয়বরণ করেছিল। সব মিলিয়ে খেলায় তিনি মাত্র চার রান তুলেছিলেন ও কোন উইকেটের সন্ধান পাননি। তবে, তাঁর দল অ্যাশেজ সিরিজ অক্ষত রেখেছিল। ফিল টাফনেলের চমৎকার বোলিংশৈলীর কল্যাণে স্বাগতিকরা জয়লাভ করলেও ৩-২ ব্যবধানে সিরিজ খোঁয়ায়। এর পূর্বে কেন্ট দলের বিপক্ষে অস্ট্রেলীয় একাদশের সদস্যরূপে প্রস্তুতিমূলক খেলায় অংশ নেন।

আন্তর্জাতিক ক্রিকেট থেকে প্রত্যাখ্যাত হলেও ২০০১-০২ মৌসুম পর্যন্ত তাসমানিয়ার পক্ষে খেলেন। ক্রিকেট খেলা থেকে অবসর গ্রহণের পর প্রশাসনের দিকে ধাবিত হন। এক পর্যায়ে এএফএল প্রশাসনে কাজ করেন। মহাব্যবস্থাপকের দায়িত্ব পালন করছেন। এরপর, ক্যানবেরায় চলে যান। ইস্টলেক ফুটবল ক্লাবের মহাব্যবস্থাপক হন।

Similar Posts

  • |

    স্যান্ডফোর্ড শ্যুলজ

    ২৯ আগস্ট, ১৮৫৭ তারিখে চেশায়ারের বার্কেনহেড এলাকায় জন্মগ্রহণকারী ক্রিকেটার ছিলেন। মূলতঃ ব্যাটসম্যান হিসেবে ভূমিকা রাখতেন। ডানহাতে ব্যাটিং করতেন তিনি। ১৮৭০-এর দশকে ইংল্যান্ডের পক্ষে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে অংশ নিয়েছেন। ১৮৭৩ সালে আপিংহাম একাদশের পক্ষে খেলেছেন। চার বছর পর ডব্লিউ. এস. প্যাটারসন কর্তৃক কেমব্রিজ ব্লুধারী হন। ঘরোয়া আসরের প্রথম-শ্রেণীর ইংরেজ কাউন্টি ক্রিকেটে ল্যাঙ্কাশায়ার দলের প্রতিনিধিত্ব করেছেন। এছাড়াও, কেমব্রিজ…

  • |

    সায়মন ডেভিস

    ৮ নভেম্বর, ১৯৫৯ তারিখে ভিক্টোরিয়ার ব্রাইটন এলাকায় জন্মগ্রহণকারী ক্রিকেটার। মূলতঃ বোলার হিসেবে দলে ভূমিকা রেখেছেন। ডানহাতে ফাস্ট-মিডিয়াম বোলিংয়ের পাশাপাশি ডানহাতে নিচেরসারিতে ব্যাটিংয়ে নামতেন। অস্ট্রেলিয়ার পক্ষে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে অংশ নিয়েছিলেন। ইন-সুইঙ্গার বোলার ছিলেন। ঘরোয়া আসরের প্রথম-শ্রেণীর অস্ট্রেলীয় ক্রিকেটে ভিক্টোরিয়া এবং ইংরেজ ক্রিকেটে ডারহামের প্রতিনিধিত্ব করেছেন। ১৯৮৩-৮৪ মৌসুম থেকে ১৯৮৭-৮৮ মৌসুম পর্যন্ত সময়কালে প্রথম-শ্রেণীর খেলোয়াড়ী জীবন চলমান…

  • | | |

    স্যামি গুইলেন

    ২৪ সেপ্টেম্বর, ১৯২৪ তারিখে ত্রিনিদাদের পোর্ট অব স্পেনে জন্মগ্রহণকারী ক্রিকেটার ছিলেন। মূলতঃ উইকেট-রক্ষক হিসেবে খেলতেন। এছাড়াও, ডানহাতে ব্যাটিং করতেন তিনি। ১৯৫০-এর দশকে ওয়েস্ট ইন্ডিজ ও নিউজিল্যান্ডের পক্ষে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে প্রতিনিধিত্ব করেছেন। ‘স্যামি’ ডাকনামে পরিচিত ছিলেন। চরম উত্থান-পতনে ঘেরা জীবন অতিবাহিত করলেও সর্বদাই সৎভাবে জীবনযাপন করতেন। ১৯৪৮ সালে ত্রিনিদাদ বনাম এমসিসি’র মধ্যকার খেলায় ‘স্যাম’ ডাকনাম লাভ…

  • | | | |

    ইয়ান বোথাম

    ২৪ নভেম্বর, ১৯৫৫ তারিখে চেশায়ারের ওল্ডফিল্ড এলাকায় জন্মগ্রহণকারী বিখ্যাত ক্রিকেটার, প্রশাসক ও ধারাভাষ্যকার। মূলতঃ অল-রাউন্ডার হিসেবে দলে ভূমিকা রেখেছিলেন। ডানহাতে ফাস্ট-মিডিয়াম বোলিং করতেন। এছাড়াও, ডানহাতে কার্যকর ব্যাটিংশৈলী প্রদর্শনে অগ্রসর হতেন। ইংল্যান্ডের পক্ষে টেস্ট ও ওডিআইয়ে অংশ নিয়েছেন। পাশাপাশি, দলের অধিনায়কের দায়িত্ব পালন করেছেন। ৬ ফুট ২ ইঞ্চি উচ্চতার অধিকারী ইয়ান বোথাম ‘বিফি’, ‘বোথ’ কিংবা ‘গাই’…

  • |

    উদারা জয়সুন্দারা

    ৩ জানুয়ারি, ১৯৯১ তারিখে মিনুওয়াঙ্গোদায় জন্মগ্রহণকারী ক্রিকেটার। মূলতঃ শীর্ষসারির ব্যাটসম্যান হিসেবে খেলছেন। বামহাতে ব্যাটিং করেন। এছাড়াও, লেগ-ব্রেক বোলিংয়ে পারদর্শী। ২০১০-এর দশকে শ্রীলঙ্কার পক্ষে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে অংশ নিয়েছেন। অনূর্ধ্ব-১৯ বয়সভিত্তিক খেলার আওতায় চিহ্নিত হন। ২০১০ সালে নিউজিল্যান্ডে অনুষ্ঠিত আইসিসি অনূর্ধ্ব-১৯ বিশ্বকাপ ক্রিকেট প্রতিযোগিতায় ক্রমাগত রান সংগ্রহ করে সকলের কাছে পরিচিতি লাভ করেন। ঐ প্রতিযোগিতায় সর্বাধিক রান…

  • | |

    নাজমুল হোসেন শান্ত

    ২৫ আগস্ট, ১৯৯৮ তারিখে রাজশাহীতে জন্মগ্রহণকারী ক্রিকেটার। মূলতঃ মাঝারিসারির ব্যাটসম্যান হিসেবে খেলছেন। বামহাতে ব্যাটিং করেন। এছাড়াও, ডানহাতে অফ-ব্রেক বোলিংয়ে পারদর্শী। বাংলাদেশের পক্ষে সকল স্তরের আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে অংশ নিয়েছেন ও দলের অধিনায়কের দায়িত্ব পালন করেছেন। ধ্রুপদীশৈলীর বামহাতি ব্যাটসম্যান হিসেবে পরিচিতি লাভ করেছেন। দর্শনীয় ব্যাটিং নৈপুণ্যের অধিকারী হিসেবে পিছনে ব্যাট উঁচু করে বামহাতে বল মোকাবেলা করার সক্ষমতা…