৯ এপ্রিল, ১৮৭৬ তারিখে নাটালের পিটারমারিৎজবার্গে জন্মগ্রহণকারী ক্রিকেটার ছিলেন। মূলতঃ অল-রাউন্ডারের ভূমিকায় অবতীর্ণ হয়েছিলেন। ডানহাতে ফাস্ট বোলিংয়ের পাশাপাশি ডানহাতে নিচেরসারিতে কার্যকর ব্যাটিংশৈলী প্রদর্শন করেছেন। ১৮৯০-এর দশকে দক্ষিণ আফ্রিকার পক্ষে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে অংশ নিয়েছেন।
১৮৯৫-৯৬ মৌসুম থেকে ১৯০৪-০৫ মৌসুম পর্যন্ত সময়কালে প্রথম-শ্রেণীর খেলোয়াড়ী জীবন অতিবাহিত করেছেন। ঘরোয়া আসরের প্রথম-শ্রেণীর দক্ষিণ আফ্রিকান ক্রিকেটে ট্রান্সভাল দলের প্রতিনিধিত্ব করেছেন। এছাড়াও, মেরিলেবোন ক্রিকেট ক্লাবের পক্ষে খেলেছেন। মুক্তভাবে ব্যাটিং কর্মে অগ্রসর হতেন ও চমৎকার ফাস্ট বোলার হিসেবে সুনাম কুড়িয়েছেন। রেপ্টন স্কুলে অধ্যয়ন করেছেন। ১৮৯২-৯৩ মৌসুমে প্রথম একাদশের পক্ষে খেলেছেন। দক্ষিণ আফ্রিকায় ফিরে দুইটি প্রতিনিধিত্বমূলক খেলায় অংশ নিয়েছিলেন। ১৮৯৮ থেকে ১৯০৫ সাল পর্যন্ত ট্রান্সভালের পক্ষে খেলেন। এপ্রিল, ১৮৯৮ সালে কেপটাউনে গ্রিকুয়াল্যান্ড ওয়েস্টের বিপক্ষে ব্যক্তিগত সর্বোচ্চ ১০৪ রানের ইনিংস খেলেন।
১৮৯৬ থেকে ১৮৯৯ সাল পর্যন্ত দক্ষিণ আফ্রিকার পক্ষে দুইটিমাত্র টেস্টে অংশগ্রহণের সুযোগ পেয়েছিলেন। মার্চ, ১৮৯৬ সালে লর্ড হকের নেতৃত্বাধীন ও ফেব্রুয়ারি, ১৮৯৯ সালে ইয়র্কশায়ারের অধিনায়কের নেতৃত্বাধীন ইংরেজ দলের বিপক্ষে খেলেন।
১৮৯৫-৯৬ মৌসুমে নিজ দেশে লর্ড হকের নেতৃত্বাধীন এমসিসি দলের মুখোমুখি হন। ২ মার্চ, ১৮৯৬ তারিখে জোহানেসবার্গে অনুষ্ঠিত সফররত ইংল্যান্ড দলের বিপক্ষে দক্ষিণ আফ্রিকা একাদশের সদস্যরূপে খেলেন। পরবর্তীতে খেলাটি টেস্টের মর্যাদা পায়। চার্লি লিউইলিন, ক্লিমেন্ট জনসন, জর্জ রো ও বিলি ফ্রাঙ্কের সাথে তাঁর একযোগে টেস্ট অভিষেক পর্ব সম্পন্ন হয়। খেলায় তিনি ২১ ও ৯ রান সংগ্রহ করে উভয় ইনিংসে জর্জ লোহমানের শিকারে পরিণত হন। এছাড়াও, বল হাতে নিয়ে ০/৩৯ বোলিং বিশ্লেষণ দাঁড় করান। স্বাগতিকরা ইনিংস ও ১৯৭ রানে পরাভূত হলে তিন-টেস্ট নিয়ে গড়া সিরিজে ২-০ ব্যবধানে পিছিয়ে পড়ে।
এরপর, ১৮৯৮-৯৯ মৌসুমে নিজ দেশে লর্ড হকের নেতৃত্বাধীন এমসিসি দলের মুখোমুখি হন। ১৪ ফেব্রুয়ারি, ১৮৯৯ তারিখে জোহানেসবার্গে অনুষ্ঠিত সফররত ইংল্যান্ডের বিপক্ষে সিরিজের উদ্বোধনী টেস্টে অংশ নেন। ৮ ও ০ রান সংগ্রহ করে উভয় ইনিংসে উইলিস কাটেলের শিকারে পরিণত হয়েছিলেন। এছাড়াও, দুইটি ক্যাচ তালুবন্দী করেছিলেন। ৩২ রানে জয় পেলে দুই-টেস্ট নিয়ে গড়া সিরিজে স্বাগতিকরা পিছিয়ে পড়ে। পরবর্তীতে, এটিই তাঁর সর্বশেষ টেস্টে পরিণত হয়।
এছাড়াও, ১৯০৪ সালে ফ্রাঙ্ক মিচেলের নেতৃত্বাধীন স্প্রিংবক দলের সদস্যরূপে ইংল্যান্ড গমন করেন। তবে, অসুস্থতার কারণে দলে খুব কমই ভূমিকা রেখেছিলেন। ৩ জুলাই, ১৯৪০ তারিখে ট্রান্সভালের স্প্রিংকেল সানাটোরিয়াম এলাকায় ৬৪ বছর ৮৫ দিন বয়সে তাঁর দেহাবসান ঘটে।
