|

টম বার্ট

২২ জানুয়ারি, ১৯১৫ তারিখে ক্যান্টারবারির ক্রাইস্টচার্চে জন্মগ্রহণকারী ক্রিকেটার ছিলেন। মূলতঃ বোলার হিসেবে দায়িত্ব পালন করে গেছেন। স্লো লেফট-আর্ম অর্থোডক্স বোলিং করতেন। এছাড়াও, ডানহাতে নিচেরসারিতে ব্যাটিংয়ে নামতেন। নিউজিল্যান্ডের পক্ষে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে অংশ নিয়েছেন।

দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ পরবর্তী সময়ে নিউজিল্যান্ডের শীর্ষ স্পিন বোলারের মর্যাদা পেয়েছিলেন। শক্ত মজবুত ও গড়পড়তা উচ্চতার অধিকারী ছিলেন। ওয়াল্টার হ্যাডলি’র সাথে আজীবন বন্ধুত্ব গড়ে তুলেন। ১৯৪৩-৪৪ মৌসুম থেকে ১৯৫৪-৫৫ মৌসুম পর্যন্ত সময়কালে প্রথম-শ্রেণীর খেলোয়াড়ী জীবন চলমান রাখেন। ঘরোয়া আসরের প্রথম-শ্রেণীর নিউজিল্যান্ডীয় ক্রিকেটে ক্যান্টারবারির প্রতিনিধিত্ব করেছেন। ৮৪টি প্রথম-শ্রেণীর খেলায় অংশ নিয়ে ২২.১৯ গড়ে ৪০৮ উইকেট দখল করে নিউজিল্যান্ডীয় রেকর্ড গড়েন। পরবর্তীতে, রিচার্ড হ্যাডলি তাঁর এ রেকর্ড ভঙ্গ করেন। ১৯৫৩-৫৪ মৌসুমে ডুনেডিনে ক্যান্টারবারির সদস্যরূপে ওতাগোর বিপক্ষে ব্যক্তিগত সেরা ৮/৩৫ পান। এছাড়াও, ১৬৪৪ রান সংগ্রহ করেছিলেন। তন্মধ্যে, ১৯৪৯ সালে ডার্বিতে অনুষ্ঠিত খেলায় ডার্বিশায়ারের বিপক্ষে ব্যক্তিগত সেরা ৬৮ রানের অপরাজিত ইনিংস খেলেন। ১৯৫৪-৫৫ মৌসুমে সফররত এমসিসি’র বিপক্ষে জনি ওয়ারডলের এক ওভার থেকে ২৪ রান তুলেছিলেন।

১৯৪৭ থেকে ১৯৫৩ সময়কালে নিউজিল্যান্ডের পক্ষে সর্বমোট ১০ টেস্টে অংশগ্রহণ করেছিলেন। ১৯৪৬-৪৭ মৌসুমে নিজ দেশে ওয়ালি হ্যামন্ডের নেতৃত্বাধীন এমসিসি দলের মুখোমুখি হন। ২১ মার্চ, ১৯৪৭ তারিখে ক্রাইস্টচার্চে অনুষ্ঠিত সফররত ইংল্যান্ডের বিপক্ষে সিরিজের একমাত্র টেস্টে অংশ নেন। ব্রুন স্মিথ, রয় স্কট, বার্ট সাটক্লিফ, কলিন স্নেডেন ও ডন টেলরের সাথে তাঁর একযোগে টেস্ট অভিষেক পর্ব সম্পন্ন হয়। বৃষ্টিবিঘ্নিত খেলায় দলের একমাত্র ইনিংসে ব্যাটিংয়ে নেমে ২৪* রান সংগ্রহ করেছিলেন। এছাড়াও, ০/৫৫ বোলিং বিশ্লেষণ দাঁড় করেছিলেন। খেলাটি ড্রয়ের দিকে গড়ায়।

একবারই কেবলমাত্র নিউজিল্যান্ড দলের সদস্যরূপে বিদেশ সফরের সুযোগ পেয়েছিলেন। তবে, ঐ সফরেই তিনি বাজিমাৎ করেন। ১৯৪৯ সালে ওয়াল্টার হ্যাডলি’র নেতৃত্বাধীন কিউই দলের সদস্যরূপে প্রথমবারের মতো ইংল্যান্ড গমন করেন। ইংল্যান্ডের প্রচণ্ড গরম ও শুষ্ক গ্রীষ্মের খড়ায় পিচ ব্যাটসম্যানদের অনুকূলে থাকলেও তিনি নিখুঁতমানের ধীরগতির বামহাতি বোলিং করে স্মরণীয় সাফল্য পান। ১২৩১ ওভার বোলিং করে ২২.৮৮ গড়ে ১২৮ উইকেট কব্জা করেন। তাঁর নিকটতম ফেন ক্রেসওয়েল ৬২ উইকেট পান ও ৬০২ ওভার বোলিং করে যে-কোন সফরকারীদের চেয়ে নিজেকে এগিয়ে রাখেন। দুইবার খেলায় এগারো উইকেটের সন্ধান পান তিনি। এগারোবার ইনিংসে পাঁচ বা ততোধিক উইকেট পেয়েছেন। তন্মধ্যে, ওরচেস্টারে সফরের দ্বিতীয় প্রস্তুতিমূলক খেলায় ১৮২ রান খরচায় ১১ উইকেট দখল করেন। ওরচেস্টারশায়ারের বিপক্ষে ইনিংসে ৭/১০২ লাভ করেন।

১১ জুন, ১৯৪৯ তারিখে লিডসে অনুষ্ঠিত স্বাগতিক ইংল্যান্ডের বিপক্ষে সিরিজের উদ্বোধনী টেস্টে অংশ নেন। কয়েকটি ব্যক্তিগত সফলতার সন্ধান পান। ইংল্যান্ডের প্রথম ইনিংসে এফজি মানকে বিদেয় করে ব্যক্তিগত সেরা বোলিং বিশ্লেষণ দাঁড় করান। তাঁর পূর্বেকার সেরা বোলিং ছিল ০/৫৫। এ পর্যায়ে প্রথমবারের মতো টেস্টের এক ইনিংসে পাঁচ-উইকেট লাভ করেন। ৫/৯৭ ও ০/৫৬ পান। এছাড়াও, ব্যাট হাতে নিয়ে ৭ রান সংগ্রহ করেছিলেন। খেলাটি ড্রয়ে পরিণত হলে চার-টেস্ট নিয়ে গড়া সিরিজটি অমিমাংসিত অবস্থায় অগ্রসর হতে থাকে।

এরপর, ২৩ জুলাই, ১৯৪৯ তারিখে ম্যানচেস্টারে অনুষ্ঠিত সিরিজের তৃতীয় টেস্টে অংশ নেন। কয়েকটি ব্যক্তিগত সফলতার সন্ধান পান। প্রথম ইনিংসে ব্যক্তিগত পূর্বতন সর্বোচ্চ ২৪ রান অতিক্রম করেন। খেলায় তিনি ৩২ ও ২৭* রান সংগ্রহ করেছিলেন। এছাড়াও, ইংল্যান্ডের প্রথম ইনিংসে ডিবি ক্লোজকে বিদেয় করে ব্যক্তিগত সেরা বোলিং বিশ্লেষণ দাঁড় করান। তাঁর পূর্বেকার সেরা ছিল ৫/৯৭। বল হাতে নিয়ে ৬/১৬২ বোলিং বিশ্লেষণ দাঁড় করান। দুইটি ক্যাচ তালুবন্দীকরণে অগ্রসর হন। খেলাটি ড্রয়ের দিকে গড়ায়।

একই সফরের ১৩ আগস্ট, ১৯৪৯ তারিখে লন্ডনের ওভালে অনুষ্ঠিত সিরিজের চতুর্থ ও চূড়ান্ত টেস্টে অংশ নেন। আবারও ব্যক্তিগত সাফল্যের ছাঁপ রাখেন। প্রথম ইনিংসে ৩৩ রানে পৌঁছানোকালে ব্যক্তিগত সর্বোচ্চ রানের পূর্বতন সংগ্রহ অতিক্রম করেন। ৩৬ ও ৬ রান সংগ্রহ করেন। এছাড়াও, ০/৯৩ বোলিং বিশ্লেষণ দাঁড় করান। খেলাটি ড্রয়ে পরিণত হলে অমিমাংসিত অবস্থায় সিরিজটি শেষ হয়।

এ সিরিজে শীর্ষ উইকেট-সংগ্রাহকে পরিণত হন। ৩৩.৪১ গড়ে সতেরো উইকেট দখল করেন। হেডিংলিতে সিরিজের প্রথম টেস্টে ৫/৯৭ লাভ করেন। তন্মধ্যে, ম্যানচেস্টারের ওল্ড ট্রাফোর্ডে অনুষ্ঠিত টেস্টে স্বাগতিক ইংল্যান্ড দল ৪৪০/৯ তুলে ইনিংস ঘোষণা করলেও তিনি ৪৫ ওভারে ৬/১৫২ পেয়েছিলেন। এটিই তাঁর ব্যক্তিগত সেরা বোলিং ছিল। এছাড়াও, ৮ কিংবা ৯ নম্বর অবস্থানে ব্যাট হাতে মাঠে নামতেন।

দুই বছর পর পরের টেস্টে অংশগ্রহণ করেন। ১৯৫০-৫১ মৌসুমে নিজ দেশে ফ্রেডি ব্রাউনের নেতৃত্বাধীন এমসিসি দলের মুখোমুখি হন। ১৭ মার্চ, ১৯৫১ তারিখে ক্রাইস্টচার্চে অনুষ্ঠিত সফররত ইংল্যান্ডের বিপক্ষে সিরিজের উদ্বোধনী টেস্টে অংশ নেন। ব্যক্তিগত সাফল্যের সন্ধান পান। প্রথম ইনিংসে ব্যক্তিগত পূর্বতন সর্বোচ্চ ৩৬ রান অতিক্রম করেন। একবার ব্যাট হাতে নিয়ে ব্যক্তিগত সর্বোচ্চ ৪২ রান তুলেন। এছাড়াও, ৯৯ রান খরচায় এক উইকেট পান। খেলাটি ড্রয়ের দিকে গড়ালে দুই-টেস্ট নিয়ে গড়া সিরিজটি অমিমাংসিত অবস্থায় অগ্রসর হতে থাকে।

এরপর, একই সফরের ওয়েলিংটন টেস্টের দ্বিতীয় ইনিংসে তাঁকে উদ্বোধনী ব্যাটসম্যান হিসেবে খেলানো হয় ও ৩১ রান তুলেন। এ টেস্টে পাঁচ উইকেট লাভ করেন। দুইবার ডেনিস কম্পটনের উইকেট লাভ করেন।

এক বছর পর ১৯৫১-৫২ মৌসুমে নিজ দেশে জন গডার্ডের নেতৃত্বাধীন ক্যারিবীয় দলের মুখোমুখি হন। ৮ ফেব্রুয়ারি, ১৯৫২ তারিখে ক্রাইস্টচার্চের ল্যাঙ্কাস্টার পার্কে অনুষ্ঠিত সফররত ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে নিউজিল্যান্ডের ইতিহাসের উদ্বোধনী টেস্টে অংশ নেন। দারুণ ক্রীড়া নৈপুণ্যের স্বাক্ষর রাখেন। ৫/৬৯ ও ২/৩৭ পান। প্রথম ইনিংসে কেন উইকসকে সোজা বলে বিদেয় করে বোকা বানান। এ টেস্টে ১ ও ৯* রান সংগ্রহ করেছিলেন। স্বাগতিকরা ৫ উইকেটে পরাভূত হলে দুই-টেস্ট নিয়ে গড়া সিরিজে পিছিয়ে পড়ে।

কিন্তু, অকল্যান্ডে সফরকারীরা দূর্দান্ত খেলে ৫৪৬/৬ তুলে ইনিংস ঘোষণা করে। এ ইনিংসে তিনি ১/১২০ পান।

এরপর, আরও একটি টেস্টে অংশ নেন। এটিই তাঁর দশম টেস্টে অংশগ্রহণ ছিল। ১৯৫২-৫৩ মৌসুমে নিজ দেশে জ্যাক চিদামের নেতৃত্বাধীন স্প্রিংবকের মুখোমুখি হন। ৬ মার্চ, ১৯৫৩ তারিখে ওয়েলিংটনে অনুষ্ঠিত সিরিজের উদ্বোধনী টেস্টে সফররত দক্ষিণ আফ্রিকার বিপক্ষে খেলেন। ঐ টেস্টে ৪৪ ওভার বোলিং করে ২/১৪০ পান ও জ্যাকি ম্যাকগ্লিউ ২৫৫ রানের অপরাজিত ইনিংস খেলেছিলেন। খেলায় তিনি ১০ ও ০ রান সংগ্রহসহ ২/১৪০ বোলিং বিশ্লেষণ দাঁড় করান। সফরকারীরা ইনিংস ও ১৮০ রানে জয় পেলে দুই-টেস্ট নিয়ে গড়া সিরিজে এগিয়ে যায়। পরবর্তীতে, এটিই তাঁর সর্বশেষ টেস্টে পরিণত হয়।

অংশগ্রহণকৃত টেস্টগুলো থেকে ৩৫.৪৫ গড়ে ৩৩ উইকেট দখল করেন। ঐ বছর শেষে দক্ষিণ আফ্রিকা সফর করা থেকে বঞ্চিত হন। তাঁর ফিল্ডিংও কার্যকর ছিল না। ক্রিকেটের পাশাপাশি হকি খেলায় পারদর্শী ছিলেন। ১৯৩৭ ও ১৯৩৮ সালে হকি খেলায় নিউজিল্যান্ডের প্রতিনিধিত্ব করেছেন। ২৪ মে, ১৯৮৮ তারিখে ৭৩ বছর ১২৩ দিন বয়সে ক্যান্টারবারির ক্রাইস্টচার্চে তাঁর দেহাবসান ঘটে।

Similar Posts

  • | |

    সালাহউদ্দীন

    ১৪ ফেব্রুয়ারি, ১৯৪৭ তারিখে তৎকালীন ব্রিটিশ ভারতের উত্তরপ্রদেশের আলীগড়ে জন্মগ্রহণকারী ক্রিকেটার ও প্রশাসক। মূলতঃ বোলার হিসেবে দলে ভূমিকা রেখে গেছেন। ডানহাতে অফ-ব্রেক বোলিং করতেন। এছাড়াও, ডানহাতে নিচেরসারিতে ব্যাটিংয়ে নামতেন। ১৯৬০-এর দশকে পাকিস্তানের পক্ষে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে অংশ নিয়েছেন। বন্দর নগরী করাচীতে শৈশবকাল অতিবাহিত করেন। ধ্রুপদী ঢংয়ে ডানহাতে অপূর্ব ড্রাইভে খেলায় অংশ নিতেন। এছাড়াও, ধীরলয়ের অফ-ব্রেক বোলিংয়ের…

  • |

    চার্লস ভিন্টসেন্ট

    ২ সেপ্টেম্বর, ১৮৬৬ তারিখে কেপ কলোনির মোসেল বে এলাকায় জন্মগ্রহণকারী ক্রিকেটার ছিলেন। মূলতঃ বোলার হিসেবে দলে ভূমিকা রেখে গেছেন। বামহাতে মিডিয়াম-ফাস্ট বোলিংয়ে পারদর্শীতা দেখিয়েছেন। এছাড়াও, নিচেরসারিতে বামহাতে কার্যকর ব্যাটিংশৈলী প্রদর্শন করতেন। দক্ষিণ আফ্রিকার পক্ষে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে অংশ নিয়েছিলেন। ঘরোয়া আসরের প্রথম-শ্রেণীর দক্ষিণ আফ্রিকান ক্রিকেটে গ্রিকুয়াল্যান্ড ওয়েস্ট, সাউথ ওয়েস্টার্ন ডিস্ট্রিক্টস ও ট্রান্সভালের প্রতিনিধিত্ব করেছেন। ১৮৮৮-৮৯ মৌসুম…

  • | |

    চামিণ্ডা ভাস

    ২৭ জানুয়ারি, ১৯৭৪ তারিখে মাত্তুমাগালা এলাকায় জন্মগ্রহণকারী ক্রিকেটার ও কোচ। মূলতঃ অল-রাউন্ডার হিসেবে দলে ভূমিকা রেখেছিলেন। বামহাতে ফাস্ট-মিডিয়াম বোলিং করতেন। এছাড়াও, বামহাতে নিচেরসারিতে কার্যকর ব্যাটিংশৈলী প্রদর্শন করেছিলেন। শ্রীলঙ্কার পক্ষে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটের সকল স্তরে অংশ নিয়েছেন। শ্রীলঙ্কান ক্রিকেটের স্বর্ণযুগে অন্যতম সেরা ক্রিকেট তারকা ছিলেন। সন্দেহাতীতভাবে নতুন বল নিয়ে বিশ্বসেরা বোলারদের অন্যতম ছিলেন। খুব সহজেই শ্রীলঙ্কার নতুন…

  • |

    জর্জ হার্ন

    ৭ জুলাই, ১৮৫৬ তারিখে মিডলসেক্সের ইলিং এলাকায় জন্মগ্রহণকারী পেশাদার ক্রিকেটার ছিলেন। মূলতঃ ব্যাটসম্যান হিসেবে দলে ভূমিকা রেখেছিলেন। বামহাতে ব্যাটিং করতেন। এছাড়াও, রাউন্ড আর্ম ভঙ্গীমায় বামহাতে মিডিয়াম পেস বোলিংয়ে পারদর্শী ছিলেন। ১৮৯০-এর দশকে ইংল্যান্ডের পক্ষে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে অংশ নিয়েছিলেন। ‘জিজি’ ডাকনামে পরিচিত ছিলেন। সুপরিচিত হার্ন পরিবারের অন্যতম সদস্য তিনি। ফ্রাঙ্ক ও অ্যালেক ভ্রাতৃদ্বয় রয়েছে এবং তিনি…

  • | |

    কুইন্টন ডি কক

    ১৭ ডিসেম্বর, ১৯৯২ তারিখে গটেংয়ের জোহানেসবার্গে জন্মগ্রহণকারী ক্রিকেটার। মূলতঃ উইকেট-রক্ষক-ব্যাটসম্যান হিসেবে খেলছেন। উইকেট-রক্ষণের পাশাপাশি বামহাতে ব্যাটিং কর্মে মনোনিবেশ ঘটান। দক্ষিণ আফ্রিকার পক্ষে সকল স্তরের আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে অংশ নিয়েছেন। এছাড়াও, দলের অধিনায়কের দায়িত্ব পালন করেছেন। নিজস্ব ২১তম জন্মদিনের পূর্বেই অনেক ক্রিকেটারের তুলনায় খেলোয়াড়ী জীবনে অনেকগুলো অর্জনের সাথে নিজেকে জড়িয়েছেন। শুধুমাত্র স্ট্যাম্পের পিছনে অবস্থান করে দক্ষতার বহিঃপ্রকাশ…

  • | | | |

    গ্রেগ চ্যাপেল

    ৭ আগস্ট, ১৯৪৮ তারিখে সাউথ অস্ট্রেলিয়ার আনলে এলাকায় জন্মগ্রহণকারী বিখ্যাত ক্রিকেটার, ধারাভাষ্যকার, প্রশাসক ও কোচ। মূলতঃ শীর্ষসারির ব্যাটসম্যান হিসেবে দলে ভূমিকা রেখেছিলেন। ডানহাতে ব্যাটিং করতেন। এছাড়াও, ডানহাতে মিডিয়াম কিংবা লেগ-ব্রেক বোলিংয়ে পারদর্শী ছিলেন। অস্ট্রেলিয়া দলের অধিনায়কের দায়িত্ব পালন করেছিলেন। নিজের সেরা দিনগুলোয় নান্দনিক ও দর্শনীয় ব্যাটসম্যান হিসেবে উপস্থাপিত করেছেন। প্রতিপক্ষীয় খেলোয়াড়দের কাছে দুর্বোধ্য, প্রতিদ্বন্দ্বিতাসুলভ ও…