২৩ এপ্রিল, ১৮৭২ তারিখে কেপ কলোনির ফোর্ট বিউফোর্ট এলাকায় জন্মগ্রহণকারী ক্রিকেটার ছিলেন। মূলতঃ ব্যাটসম্যান হিসেবে দলে ভূমিকা রেখে গেছেন। ডানহাতে ব্যাটিং করতেন। এছাড়াও, ডানহাতে বোলিংয়ে পারদর্শী ছিলেন। ১৮৯০-এর দশকে দক্ষিণ আফ্রিকার পক্ষে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে অংশ নিয়েছিলেন।
১৮৯২-৯৩ মৌসুম থেকে ১৯০৫-০৬ মৌসুম পর্যন্ত সময়কালে প্রথম-শ্রেণীর খেলোয়াড়ী জীবন অতিবাহিত করেছেন। ঘরোয়া আসরের প্রথম-শ্রেণীর দক্ষিণ আফ্রিকান ক্রিকেটে ইস্টার্ন প্রভিন্স ও ট্রান্সভালের প্রতিনিধিত্ব করেছেন। খেলোয়াড়ী জীবন ১৩ বছর হলেও সর্বসাকুল্যে তিনি মাত্র পাঁচ খেলায় অংশ নিতে পেরেছিলেন। ১৮৯২-৯৩ মৌসুমে ২টি, ১৮৯৮-৯৯ মৌসুমে ২টি ও ১৯০৫-০৬ মৌসুমে ইস্টার্ন প্রভিন্সের পক্ষে একটি খেলেন। প্রাদেশিক খেলাগুলোর একটিতে বোলিং করে ১/৬ পান। ১৮৯৮-৯৯ মৌসুমে জোহানেসবার্গ পঞ্চদশ ও পরবর্তীতে ট্রান্সভালের পক্ষে যথাক্রমে ৬৪ ও ৫২ রান সংগ্রহের স্বীকৃতিস্বরূপ দক্ষিণ আফ্রিকা দলে ঠাঁই দেয়া হয়। শেষের ইনিংসটি সফররত এমসিসি দলের বিপক্ষে ছিল।
১৮৯৯ সালে দক্ষিণ আফ্রিকার পক্ষে একটিমাত্র টেস্টে অংশগ্রহণের সুযোগ পেয়েছিলেন। ১৮৯৮-৯৯ মৌসুমে নিজ দেশে লর্ড হকের নেতৃত্বাধীন এমসিসি দলের মুখোমুখি হন। ১৪ ফেব্রুয়ারি, ১৮৯৯ তারিখে জোহানেসবার্গে অনুষ্ঠিত সফররত ইংল্যান্ডের বিপক্ষে সিরিজের উদ্বোধনী টেস্টে অংশ নেন। হাওয়ার্ড ফ্রান্সিস, মারে বিসেট, রবার্ট গ্রাহাম, রবার্ট ডোয়ার ও ভিনসেন্ট ট্যানক্রেডের সাথে তাঁর একযোগে টেস্ট অভিষেক পর্ব সম্পন্ন হয়। ঐ খেলার উভয় ইনিংসে ২ রান করে সংগ্রহ করেছিলেন। এছাড়াও, দ্বিতীয় ইনিংসে আলবার্ট ট্রটের ক্যাচ তালুবন্দী করেছিলেন। ৩২ রানে পরাজিত হলে দুই-টেস্ট নিয়ে গড়া সিরিজে স্বাগতিকরা পিছিয়ে পড়ে। পরবর্তীতে, এটিই তাঁর সর্বশেষ টেস্টে পরিণত হয়।
১২ জুলাই, ১৯৬৪ তারিখে কেপ প্রভিন্সের ক্রাডক এলাকায় ৯২ বছর ৮০ দিন বয়সে তাঁর দেহাবসান ঘটে।
