১২ নভেম্বর, ১৯৮৯ তারিখে অ্যান্টিগুয়ার উইলিকিসে জন্মগ্রহণকারী ক্রিকেটার। মূলতঃ উইকেট-রক্ষকের ভূমিকায় অবতীর্ণ হয়েছেন। শীর্ষসারিতে ব্যাটিংয়ে নেমে থাকেন। ডানহাতে ব্যাটিং করেন। এছাড়াও, ডানহাতে মিডিয়াম বোলিংয়ে পারদর্শী ছিলেন। ওয়েস্ট ইন্ডিজের পক্ষে সকল স্তরের আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে অংশ নিয়েছেন।
২০০৭-০৮ মৌসুম থেকে প্রথম-শ্রেণীর খেলোয়াড়ী জীবন চলমান রাখছেন। ঘরোয়া আসরের প্রথম-শ্রেণীর ওয়েস্ট ইন্ডিয়ান ক্রিকেটে অ্যান্টিগুয়া ও বারবুডা এবং জ্যামাইকার প্রতিনিধিত্ব করেছেন। এছাড়াও, সেন্ট কিটস ও নেভিস প্যাট্রিয়টস, লিওয়ার্ড আইল্যান্ডস, অ্যান্টিগুয়া হকসবিলস, বার্বাডোস রয়্যালস, সাজিকর হাই পারফরম্যান্স সেন্টার, সিলেট সানরাইজার্স ও ক্যান্ডি ওয়ারিয়র্সের পক্ষে খেলেছেন। ৪ জানুয়ারি, ২০০৮ তারিখে কিংস্টনে অনুষ্ঠিত লিওয়ার্ড আইল্যান্ডস বনাম জ্যামাইকার মধ্যকার খেলায় অংশ নেয়ার মাধ্যমে প্রথম-শ্রেণীর ক্রিকেট জীবনের সূত্রপাত ঘটান।
২০০০ সাল থেকে ক্রিকেট খেলছেন। ২০০৮ সালে মালয়েশিয়ায় অনুষ্ঠিত আইসিসি অনূর্ধ্ব-১৯ বিশ্বকাপ ক্রিকেট প্রতিযোগিতায় ওয়েস্ট ইন্ডিজের উইকেট-রক্ষক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন। এছাড়াও, লিওয়ার্ড আইল্যান্ডসের সদস্যরূপে ২০০৭-০৮ মৌসুমের কেএফসি কাপে বার্বাডোসের বিপক্ষে খেলেছেন।
২০০৯ সাল থেকে ওয়েস্ট ইন্ডিজের পক্ষে টেস্ট, ওডিআই ও টি২০আইয়ে অংশ নিচ্ছেন। ২৮ জুলাই, ২০০৯ তারিখে রোজিওতে অনুষ্ঠিত স্বাগতিক বাংলাদেশের বিপক্ষে ওডিআইয়ে অংশ নেয়ার মাধ্যমে আন্তর্জাতিক ক্রিকেট অঙ্গনে প্রবেশ করেন। এ পর্যায়ে বোর্ডের সাথে আর্থিক মতবিরোধের জের ধরে জ্যেষ্ঠ খেলোয়াড়দের অনুপস্থিতির কারণে খেলার সুযোগ পেয়েছিলেন।
২০২২-২৩ মৌসুমে ক্রেগ ব্রাদওয়েটের নেতৃত্বাধীন ক্যারিবীয় দলের সাথে অস্ট্রেলিয়া সফরে যান। ৮ ডিসেম্বর, ২০২২ তারিখে অ্যাডিলেডে অনুষ্ঠিত স্বাগতিক অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে সিরিজের দ্বিতীয় ও চূড়ান্ত টেস্টে অংশ নেন। মার্কুইনো মিন্ডলে’র সাথে তাঁর একযোগে টেস্ট অভিষেক পর্ব সম্পন্ন হয়। খেলায় তিনি ১৯ ও ১২ রান সংগ্রহ করেন। পাশাপাশি, একটি ক্যাচ তালুবন্দীসহ সমসংখ্যক রান-আউটের সাথে যুক্ত ছিলেন। এছাড়াও, বল হাতে নিয়ে ২/৫৩ ও ০/১৩ বোলিং বিশ্লেষণ দাঁড় করান। তবে, ট্রাভিস হেডের অসাধারণ ব্যাটিংশৈলীর কল্যাণে সফরকারীরা ২-০ ব্যবধানে সিরিজ খোঁয়ায়।
